ফোকলা দাদুর নানা
ফোকলা দাদুর ঘরে আছে
বিড়ালের এক ছানা,
ইঁদুর সদাই পালিয়ে বেড়ায়
কখন যে দেয় হানা।
লুকিয়ে লুকিয়ে ইঁদুর বেটা
কতো কিছুই খায়,
বিড়াল ছানা ধরবে তাকে
সুযোগ কি আর পায়?
অপেক্ষাতেই থাকে বিড়াল
কখন সূযোগ আসে,
ধরবে যে ওই ইঁদুরটাকে
রাখবে দাদুর পাশে।
হঠাৎ একদিন নেংটি ইঁদুর
জলের মাঝে পড়ে,
জলে পড়ে হাবুডুবু খায়
তিড়িং বিড়িং করে।
তাই না দেখে বিল্লি রাণী
পাড়ে বসে গান গায়,
"আজকে তোরে ধরব রে তুই
পালাবি কোথায় হায়?"
" চুরি করে রোজই যে খাস
দোষ পড়ে মোর ঘাড়ে,
আজকে তোকে শিক্ষা দেবো
আছি আমি পাড়ে।"
ইঁদুর বলে, "কানটা ধরলাম
চুরি আর না করি,
এবার যদি বাঁচাও মোরে
ভালো হবো ভারি।"
বিল্লি ভাবে, "ছাড়ি তবে
সুযোগ দিলাম আজ,
চুরি করলে আবার ধরব
মনে রাখিস রাজ।"
লেজ বাড়িয়ে টেনে তুলে
বাঁচায় ইঁদুর প্রাণ,
নেংটি বলে, "রাণী তুমি
আমার ভগবান।"
সেই থেকে আর চাল ডালেতে
দেয় না ইঁদুর হানা,
বিল্লি রাণীর বন্ধু হলো
ফোকলা দাদুর নানা।
কেবা শত্রু কেবা মিত্র
দুদিনের এই ভবে,
মিলেমিশে চললে সবাই
শান্তি আসবে তবে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন