পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

খুকি বড়ই শান্ত

সন্ধ্যা বেলা বন্ধ ঘরে বসে বাবার পাশে, নতুন বই দেখে খুকির খুশিতে মন ভাসে। ছন্দে ছন্দে পড়ছে বাবা শুনছে খুকি বসে, যতই শুনে ভালো লাগে শিখার অঙ্ক কষে। এবার খুকি বইটি খোলে পড়ছে আপন মনে, অনুশীলন করছে স্লেটে লিখছে ক্ষনে ক্ষনে। দূর থেকে দেখছে মায়ে খুকি বড়ই শান্ত, তিনটে ছড়া শিখে নিল হয়নি তবু ক্লান্ত। খুশিতে মন ভরলো বাবার খুকির কাণ্ড দেখে, ভাবলো তাকে সময় দেবে মোবাইল দূরে রেখে।

অবুঝ মনের ভালোবাসা

ভ্যালেন্টাইন ডে এগিয়ে আসতেই ঘুরছে শীলার মাথা, হয়েছিল রঙিন সেদিন জীবন খাতার পাতা। চৌদ্দ বছর পার করেছে রঙিন স্বপ্ন বোনে, অবুঝ মনের ভালোবাসায় আজ সে ঘরের কোণে । মনে পড়ে আজও সেদিন কলেজের সেই দ্বার, বিজয়ের হাতে পেয়েছিল ভ্যালেন্টাইন ডে'র উপহার। লাল গোলাপ আর প্রপোজ পত্রে রঙিন স্বপ্ন আঁকা, অবুঝ মনের সবুজ স্বপ্নে বিধুর জীবন রাখা। প্রতি বছর চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি মিলতো দুজন পাশে, প্রতিফলটা আসল শেষে নিজের সর্বনাশে। বিজয় যেদিন বিয়ে করল অন্য সে এক মেয়ে, সম্বিতটা ফিরল শীলার দারুন ধোঁকা খেয়ে। জীবন যৌবন সব হারিয়ে হলো তাহার শিক্ষা, অবুঝ হয়ে আর যেন কেউ নেয়না এমন দীক্ষা।

বিরল রোগ

বীরেন বাবু গ্রামের মোড়ল। গ্রামে যে কোন সমস্যা বা কোন ঝগড়াঝাঁটি হলে সবাই মোড়লের কাছে বিচার নিয়ে আসে। আর তিনিও নির্ধিধায় তা সমাধান করে দেন। যদিও পড়াশোনা বেশি নেই তবু কথায় কথায় ইংরাজি বলতে শোনা যায়। এর জন্য তার খুব সুনামও আছে।  যে কোন সমস্যা সমাধানে তিনি দুটি শব্দ খুব বেশি ব্যবহার করেন। যার একটি হলো 'what a fool!' আর আরেকটি হলো 'what a funny!' যে কোন সময় কোন বিচার সভায় দু'পক্ষের মধ্যে এদুটি শব্দ বেশ ভালো কাজ করে। তিনি মনে করেন তার এই fool আর funny শব্দ দুটি প্রকৃত সত্য বের করে নিয়ে আসে। অবশ্য এ শব্দ গুলোর ব্যবহার তিনি যথাযথ ভাবেই করেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার কিছু রোগ দেখা দেয়। প্রথমতঃ আজকাল বীরেন বাবু আগের কথাগুলো মনে রাখতে পারেন না। কখন কাকে কি বলেন পর মুহূর্তেই ভুলে যান। দ্বিতীয়তঃ  মানুষের সাথে কোন লেনদেন থাকলে তার একদিক ভুলে যান আর একদিক মনে থাকে। অর্থাৎ কেউ তার কাছে কিছু প্রাপ্য থাকলে তা তার মনে থাকেনা। তখন প্রাপ্যদারকে একটু কড়া সুরেই বলতে শুনা যায় ' what a funny!' আবার তিনি যদি কারো কাছে কিছু প্রাপ্য থাকেন তা তার যথারীতি মনে থাকে। তখন তা...