পোস্টগুলি

2020 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সংকল্প

  সংকল্প   রচনা হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১৪/৮/২০২০ শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে পেলাম যে স্বাধীনতা স্মরণ করি তাহাদের আজি বুকে নিয়ে সেই ব্যথা।  দেশ রক্ষায় নিয়োজিত যারা বলি দিছে নিজ প্রাণ তাদের স্মরণে সংকল্প করি রাখি ভারতের মান।  সব দিকে আজি বিপন্ন কেন ভারতের একতা মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কেন এ কোন সভ্যতা?  ঘুচে যাক যত জাতি দাঙ্গা হিংসা আর বিদ্বেষ  খুলে বলো সবে এদেশ আমার,ভারত আমার স্বদেশ ধর্মের বিভেদ কে করে হেথা ,হেথা কেন উঁচুনীচু খুলে বলো আপন করে নিতে নহি মোরা কেউ পিছু ঘুচে যাক যত রাগ আর অভিমান চিরতরে  এ টানা পোড়ন নিয়ে কেউ কি বাঁচতে পারে?  একই তো নীতি সকল জাতির 'মানবতা পরম ধর্ম' হারাল কোথায় মানবতা আজি এই কি তার মর্ম?  যত দিন আছ দিয়ে যাও সবে প্রেম প্রীতি সবারে তবেইতো তুমি থাকিবে অমর যবে যাবে পরপারে।  ভেবে দেখো, কেউ নই হেথা অমর অক্ষয় চির নশ্বর কেন এ রেষারেষি ভাগাভাগি স্মরণ কর পরমেশ্বর।  দূর কর যত মিথ্যাচার দুরাচারের প্রলাপ  সুযোগ সন্ধানীরা তো নিজ স্বার্থে রচিবে সংলাপ। সব কিছু ভুলে ধুয়ে মুছে ফেল যার যত অভিমান এক হয়ে যাই এই ভেবে,ম...

২০২০ সাল

২০২০ সাল রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৩১/১২/২০২০ বিষেই কি ভরা ছিল  দুই হাজার বিশ বিশ্ব জুড়ে প্রাণ হানি হল অহর্নিশ।  কত প্রাকৃতিক দুর্যোগ  কত মহামারী  সর্বত্রই চলেছিল  শুধু আহাজারি।  বিষেই কি ভরা ছিল দুই হাজার বিশ শুরুতেই ভু-কম্পে মরে  কত শত তুর্কিশ।  বন্যায় মরল কত  ইন্দোনেশিয়ার বুকে লক্ষ লক্ষ গৃহ হারা পড়ে দারুন দুখে।  উড়োজাহাজ ধ্বংস হল ইরানের পর পাকিস্তান  শত শত প্রাণ হানি  হল সে সব স্থান।  দেশের কত ক্ষয় ক্ষতি সঙ্গে প্রাণ হানি  ভুল ছিল না শুদ্ধ ছিল  নাগরিকত্ব বিলখানি। জাতি দাঙ্গায় প্রাণ দিল কত শত লোক  দিল্লী তার উদাহরণ  মনে পড়ে শোক।  দূরত্ব বজায় রেখো এসো না কেউ পাশে  এমন একটা সাল গেল সব ছিল ত্রাসে।  সারা বছর ধরে চললো করোনার লীলা  বিশ্ব জুড়ে মরল মানুষ  বিধাতার খেলা।  দুই হাজার বিশে ছিল  ভয়াবহ বিষ লোক মুখে শুনি সদা  হোক তা ফিনিশ। বড় আশা ভালবাসা  আসছে নতুন সাল হয়তো ঘুচিতে পারে  বিশের সে কাল।

লক ডাউনের কবি

লক ডাউনের কবি রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৯/৮/২০২০ অবসর বিনোদন  নেই কোন আয়োজন।  বসে বসে ভাবি  হয়ে যাবো কবি। কগজ কলম হাতে  লিখা শুরু তাতে  সেনিটাইজার ফল ওয়াশ ফল মুখেতে মাস্ক ফল  করোনার টেস্ট ফল  লিখে যাবো সবি  হয়ে যাবো কবি।  লকডাউনে গৃহবন্দী  সবার সাথে হল সন্ধি  রাস্থায় গেলে করোনা  ঘরে থাকলে পেলোনা। খাবার যদি নাও পাই  বেঁচে বর্তে থকতে চাই। সবার মুখে আহাজারি দেশ যে হবে ভিখারী  তবুও মনে মনে ভাবি  হয়ে যাবো কবি। দিনে ঘুমাব রাত জাগিব তবু শুধু লিখতে থাকব।  মনে আরো ভাবি  সন্ধ্যা তারার ছবি  যদি হয়ে যাই রবি এ যে লকডাউনের কবি।

কার ডাকেতে সাড়া দেব

কার ডাকেতে সাড়া দেব রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২৯/১২/২০ ডাকছে আকাশ ডাকছে বাতাস ডাকছে কালমেঘ  কার ডাকেতে সাড়া দেব ছেড়ে আপন বেগ!  ডাকছে ঝরনা ডাকছে নদী ডাকছে দূরের পাহাড়  যার দিকেতে ধাইব আমি  হবো যে অসাড়।  ডাকছে চন্দ্র ডাকছে সূর্য  ডাকছে দূরের তারা  কার ডাকেতে সাড়া দেব  ভেবে পাগল পারা।  ডাকছে আশা মনে ঠাসা তেপান্তরের মাঠ উড়ে উড়ে পার হতে চাই সকল কঠিন ঘাট।  ডাকছে সুজন ডাকছে বন্ধু  ডাকছে আপন জন কার ডাকেতে সাড়া দেব  একটাই তো মন।  কার ডাকেতে সাড়া দেব  চঞ্চল আমার মন ভাবতে ভাবতে থমকে গেলাম করলাম একটা পণ।  যার ডাকেতেই সাড়া দেব  ভাঙবে আমার পা প্রাণ পাখিটা উড়ে যাবে বুঝলাম এবে তা।  স্বার্থ ছাড়া কেউ ডাকেনা এই পৃথিবীর বুকে  বুঝতে তুমি পারবে তখন  পড়লে দারুন দুখে। স্থির হল তাই কারো ডাকে  সাঁড়া দিতে নাই  আপন ইচ্ছা শুভবুদ্ধি  সর্বক্ষেত্রে চাই।

আত্ম ভাবনা

আত্ম ভাবনা রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ১৫/৯/২০২০ জীবনে চলার পথে        করছি কত ভুল, কে দেখাবে আলোর দিশা          কে ফুটাবে ফুল। যা চেয়েছি সব পেয়েছি       পাওয়ার বাকি নেই, তবুও কেন চেয়ে থাকি         আগের মত সেই। খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত আমি         পেতে তোমার মন, একটু খানি দয়া করো         দাও গো দরশন। ভুলের ফলে পাপের সীমা         বাড়ছে দিনে দিনে, কেমন করে মুক্তি পাবো             তোমায় বিহনে। মনটা আমার মোমের মতো           আলো করতে চাই, যে আলোতে মানব জাতির             সেবা করতে পাই। মানব সেবাই ঈশ্বর সেবা              সকল ধর্মে পাই, তাইতো আমি সবসময়ই           মানুষের গান গাই।

অনলাইনের কামান

অনলাইনের কামান রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২৬/৯/২০২০ শিক্ষার ফলে এলো দস্তখত                   টিপসই ছেড়ে, অধিক শিক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে গেল              সেই দস্তখত কেড়ে। মেধাশক্তি বুদ্ধি বৃত্তি       যতই যাচ্ছে বেড়ে মানুষ কি বর্বর হচ্ছে         অনলাইনে পড়ে? কম্পিউটার আর নেটওয়ার্ক                এলো যেদিন হতে বিশ্ব এলো হাতের মুঠে            কত সুখ তাতে। অনলাইনে পড়া শুনা খেলাধূলা            আদান প্রদান হয়। আত্মীয়তা বন্ধুত্ত্ব ভালোবাসা             কিছুই বাকি নয়। এমনি এক অনলাইনের           বিয়ের কথা বলি বিয়ে তো নয় যেন      জীবন নিয়ে হোলি। প্রথমে কানেকশন হয়          রং নাম্বার লেগে কত কথা ভালোবাসা        চলে দারুন বেগে। এমনি করে দু তিন দিন   ...

মনের কথা

মনের কথা রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ২৯/৯/২০২০ মনে কত কথা আছে         লিখতে ইচ্ছা করে, সব কথা লিখা যায়না       আঘাত দেয় অন্তরে। তবু আজ বলবো ভাবি            মনের কিছু কথা, ভবের মাঝে কেমনে মানুষ          চলছে হেথা হোথা। এমন কিছু মানুষ আছে            এই ধরণীর বুকে, অন্যের ভালো দেখলে যারা              নিজে পড়ে দুখে। পরের ভাল দেখলে যারা           হিংসায় পুড়ে মরে, সেজনের ধার ধারি না        সে তো থাকবে পড়ে। মন্দ যে জন মনে পুষে         সেতো মানুষ নয়, মানুষ নামের কলংক সে             জানিও নিশ্চয়। ধুকা বাজি জানে যারা       ভালই চলতে পারে, ধুকার মাঝে নেই কোনো সুখ         ধোকায় নিজে হারে। হিংসা বৃত্তি ধুকাবাজি       যে জন মনে পুষে, অচিরেই পড়বে সেজন         জনগণের রোষে। ...

নারী হও সচেতন

নারী হও সচেতন কলমে: হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১০/১০/২০২০ সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টি অপরূপ      নারীতো তারই স্বরূপ                          কেন হয় নারী নির্যাতন?  কোথাও যৌতুকের বলি       কোথাও হিংসায় জ্বলি                       কোথাও বা বেকার আস্ফালন। নারী কি এতই অবলা?                 সর্বত্র হইবে হেলা                        মিথ্যা আশ্বাস আর তোষনে? জাগো নারী জাগো               কালী রূপে আগো                     মুক্তি আনো শোষণে।  নারী ভগ্নী নারী মাত্রি           নারীইতো জন্মদাত্রী                      তাহারে করিছে অপমান।  ধর্ষণ লুটতরাজ  ...

বন্ধুত্ব

বন্ধুত্ব রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৯/১০/২০২০ চিত্ত সুখে দুটি পাখি         রোজই করে কোলাকুলি                          দূর এক আঙিনায়। দেখে মন জুড়ে যায়                  এত খুশি দুজনায়                       বিধাতার অপার মহিমায়।  এরই মাঝে একদিন                  আসিল যে দুর্দিন                       চোখ পড়ে শিকারীর তায়।  শিকারীটি ওৎ পেতে          বসে রয় জাল হাতে                           পাখি দুটি ধরিবার দায়। সেই দিন যথারীতি            এল তারা করে প্রীতি                         জাল ফেলা সেই আঙিনায়।...

স্বামী বেচারা

স্বামী বেচারা রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ৬/১০/২০২০ পাড়া গায়ের গিন্নি যে এক নামটি সুয়ো রাণী  অন্তরে কঠোর হলেও মুখে মিঠা বাণী । আবাল বৃদ্ধ সবি তাকে পান্চাইত বলে ডাকে  যখন তখন মহিলাদের উন্নয়নে হাঁকে।  সদাই করে মাতব্বরী নানা রকম ছলে  সবার আগে পৌঁছে কোথাও কোন কিছু হলে।  সুয়োরাণীর গুণের কথা বলবো কি যে আর জড়োসডো় থাকে সবাই মুখটি খোলা ভার।  লকডাউনে কাজের ছুটি ঘরে আছে স্বামী  এই সুযোগে সুয়োরাণী আরো হল দামী।  ঘরে রেখে কোলের শিশু সমাজ সেবায় ব্যস্ত  অন্যের কথা বলবো কি আর স্বামী ও সন্ত্রস্ত।  রোজ দশটা বাজতে গিন্নি ফিট ফাট চেহারা  স্বামী থাকবে বাচ্চা নিয়ে ঘরে বেচারা। খাওয়া দাওয়া শেষ করে ফিডিং বোতল দিয়ে  স্বামী কে বলে, বোতল শেষে দিও ঘুম পাড়িয়ে।  আসতে একটু দেরী হবে আজ যে মিছিল আছে  দেখো কিন্তু ঘুমিওনা কাজ রেখে সব পাছে।  বাসন মাজা কাপড় কাচা সবি রইলো বাকী  সবটুকু কাজ শেষ হয়েছে যেন এসে দেখি।  কথা শুনে অবাক স্বামী ক্ষোভে ফিরে চায়  লকডাউনে ঘরে বসে করে হায়রে হায়।

মা

মা রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর ১৭/৯/২০২০   যার কারণে দেখলে তুমি                   এই পৃথিবীর আলো    নামটি তাহার মা জননী                      স্মরণ রাখা ভাল।    নিজের জীবন তুচ্ছ করে                   লালন করেন যিনি    শত বাধা হাসিমুখে                    বরণ করেন তিনি।   না খেয়ে রাত জাগেন যিনি                     অসুখ বিসুখ হলে    শত কষ্টে থেকেও তিনি                    তোমায় রাখেন কোলে।    মায়ের মত যোদ্ধা আর                          হতে পারে না   সেই মায়েরে দুঃখ দিলে                         শান্তি পাবে না।...

ভাবনা কিসের?

ভাবনা কিসের? রচনাঃ- হিফজুর রহমান লস্কর  ১৫/৯/২০২০   কি নিয়ে এলাম ভবে                   কি নিয়েইবা যাবো?   এনিয়েও যে ভাবনা জাগে                  কি দিব আর কি পাবো?    একলা আসা একলা যাওয়া                   মাঝে মাত্র চাওয়া পাওয়া?    মিথ্যা মোহ মিথ্যা মায়া                    মিথ্যাই যে চাওয়া পাওয়া।    দুদিনের এই রঙমহলে                  আমার আমার কিসের তরে?    সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ জনে                     যত পার আপন করে।    ব্যস্ত থাকলে সবার কাজে                     শান্তি থাকে মনের মাঝে।   খুঁজলে অতীত আসবেনা আর                  ...

শিখতে যদি চাও

শিখতে যদি চাও রচনা -হিফজুর রহমান লস্কর  ৩০/৮/২০২০ শিখতে চাও এ জীবনে               শিখার অনেক আছে। ভুল শিখনা কোন কিছু                লজ্জা পাবে পাছে।  বিজ্ঞ লোকের কথার মাঝে                 শিখার অনেক থাকে। প্রশ্ন করো বিজ্ঞের কাছে                  শুদ্ধ উত্তর পাবে।  ধৈর্য ধরে সঙ্গে থাকো                     যদিও হন রুষ্ট। যা শিখ তা শুদ্ধ শিখ                    কথা গুলো স্পষ্ঠ। 'বড় যদি হতে চাও                   ছোট হও আগে ' জ্ঞানীদের কথা এটা                  করো নিজ বাগে।  নিজেকে বড় ভেবে                   দম্ভ করে যারা,  এজীবনে পদেপদে        ...

যেদিন আমি হারিয়ে যাবো

যেদিন আমি হারিয়ে যাবো রচনা -হিফজুর রহমান লস্কর  ১২/৯/২০২০       হাজার তারা আকাশেতে                              ঝিলমিলিয়ে হাসে       তারা ছাড়া আকাশ খানি                              অন্ধকারে ভাসে।      থাকলে তারা আলোর ধারা                               পৃথিবীতে পড়ে       সেই আলোতে দেখবো তোমায়                          আমার আকাশ জুড়ে।        ঝিলমিলানো দিনের আলোয়                            খুঁজবে কে আর তারা         হৃদয় মাঝে ঠাই করে নেই                      ...

অনলাইন ক্লাস (পর্ব -১)

অনলাইন ক্লাস  (পর্ব -১) হিফজুর রহমান লস্কর  06/07/20 লকডাউনে স্কুল বন্ধ মোবাইলের উপর ভর করে  অনলাইনে পড়বে বলে বাবার উপর জেদ ধরে।  সবাই পড়ছে অনলাইনে আমার তো আর হচ্ছে না  দাওনা কিনে একটা মোবাইল না হলে যে পারছিনা বাবা বলছে শোন সোনা আমরা গরীব বুঝছোনা  কি করে কিনবো মোবাইল খাবার জোগাড় হচ্ছে না  নুন আনতে পান্তা ফুরায় কি যে এখন করি  পড়াবো তো দৃরের কথা খাবার তরে মরি।  ভাবতে ভাবতে বাবা যখন মেয়ের পানে চায় মা হারা মেয়েটি তার দাড়িয়ে আছে ঠায়।  কিনবো মোবাইল করবে মাগো অনলাইনের ক্লাস  শান্তনা দেয় মেয়েকে বাবা ফেলে দীর্ঘশ্বাস। আর দেরী নয় পাবো মাগো জনকার্ড এর ধন তোমার আশা পূরণ হবে সুখী হবে মন।  এমনি করে দু-তিন দিন -মাস বয়ে যায়  প্রতিদিনই শৃন্য হাতে একে অন্যে চায়।  হঠাৎ একদিন বাবা যখন কাজ সেরে আসে  চেয়ে দেখে মেয়েটি তার পুকুর জলে ভাসে । কি হলো কেন হলো এ নিয়ে সব ব্যস্ত  ছোট ভাইটি এনে দিল চিরকুট এখান আস্ত।  চিরকুটে কি লিখা ছিল সবাই খুলে পড়ে।  বাবা বলে সব গেলো মোর কালবৈশাখী ঝড়ে।  মেয়েটি তো চলে গেল দিয়ে গেল শিক...

পৃথিবীর প্রথম ইঞ্জিনিয়ার

পৃথিবীর প্রথম ইঞ্জিনিয়ার হিফজুর রহমান লস্কর 20/07/2020 বাবুই পাখির দেখা পেলাম আরবার  এরাই পৃথিবীর প্রথম ইঞ্জিনিয়ার।  দেখতে অতি ছোট সাধারণ এক পাখি  নাম তার বাবুই সবাই চিনে রাখি।  কী বাহার কারুকার্য করে নিজ হাতে  দেখিতে অতীব সুন্দর সন্দেহ নাই তাতে। ছোট বেলায় দেখেছি কত হাজারে হাজার  সুপারি গাছেতে তারা করিত বাজার।  দুর্লভ অতি যে এবে দেখা নাহি যায়  তাইতো ছোটরা এদের চিনিতে না পায়। কত কষ্টে পাখিগুলি বাসাটি বানায়  অতি বড় বৈজ্ঞানিক ও হার যে মানায়। কারিগরি জ্ঞানে এরা সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী  তাইতো আরেক নাম জ্ঞানী বলে জানি।  বিশ্বজোড়া সবাই জানে এদের মহত্ত্ব প্রথম ইঞ্জিনিয়ার এরা জানিও সত্য।

শিক্ষক

শিক্ষক রচনা -হিফজুর রহমান লস্কর ৫/৯/২০২০ যার সাথে দেখা হতে রোজ শৈশবে  তাঁকে মনে কি পড়ে কাহারো জীবনে?  কখনও শাসন ছিল কখনও যতন,  এর ফাঁকে ফাঁকে কতনা শিখন।  জীবনে চলার যিনি পথ দেখালেন  শিক্ষক তাহার নাম জানি সর্বজনে।  জ্ঞানের অমৃত যিনি পান করালেন  হৃদয়ের মলিনতা দৃর করালেন।  কঠিন জীবন সংগ্রাম যিনি বুঝালেন  ভালমন্দ বুঝার ক্ষমতাটি দিলেন  নিশ্চয়ই শিক্ষক তিনি সবার জীবনে। হতে পারেন মহাজ্ঞানী মহাকাশচারী  অথবা হতে পারেন রাষ্ট্র ,নেতা কর্ণধার, হতে পারে জীবনটা রঙীন আপনার।  যে যেথায় পৌঁছলাম অনেক লড়াই করে  এ লড়াই টা শিখিয়েছেন যিনি  অবশ্যই শিক্ষক তিনি সবার জীবনে। নানা ভাষা নানা ধর্ম নানা মতভেদ  শিক্ষক জাতির কাছে নেই যে প্রভেদ।  অন্যায় অবিচার বুঝায়েছেন যিনি  অহিংসা পরম ধর্ম শিক্ষক মুখে শুনি।  যে শিক্ষা পেলাম মোরা শিক্ষক শরণে  তার প্রতিফলন কি আছে জীবনে? এসো সংকল্প করি শিক্ষক দিবসের এই ক্ষনে  শিশুকালের গুরুশিক্ষা পালিব যতনে।  করিনা পালন মোরা গুরু উপদেশ  তাইতো সর্বত্র আজি হিংসা আর বিদ্বেষ।

কমলা লেবু

কমলা লেবু রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ১৭/১১/২০২০ গাছের ডালে কমলা লেবু পাতার ফাঁকে ফাঁকে, দেখতে খুবই ভাল লাগে সবাই তাকিয়ে থাকে। কাঁচা থাকতে যেমন তেমন পাকলে ভারী মিষ্টি খেলে পরে ভাবি মোরা কি অপরূপ সৃষ্টি। ছোট বড় সবার কাছে প্রিয় ফলটি হয় এ ফলের ঔষধি গুণ ভুলে থাকার নয়। শীতকালীন ফলের মধ্যে এটাই ফলের রাজা যদি পাও খেয়ে নিও থাকতে তরতাজা। আমার গাছে অল্প আছে আসলে খাওয়াতে পারি দেরী করলে পাবেননা কেউ আসেন তাড়াতাড়ি।

বিদায়

বিদায় রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ১৯/১১/২০২০ বহুদিন একসাথে চলেছিনু এই হাটে এল বিদায়ের ক্ষণ। জীবনে চলার পথে দুর্বার অানন্দ রথে ভাবিনি কখন। এমন এক দিন আসে যেদিন রবেনা পাশে সব ই দূর বহুদুর। বিচ্ছিন্নতার স্মৃতি পটে আঁকিছে ললাটে এতদিন ছিল সুমধুর। যেতেই হবেগো যদি থেকো মনে নিরবধি ভেবে দেখো একবার। বিধাতা রচিছে ভবে সবারই তো যেতে হবে এ ধরা শুধু যে বাজার। কাজকর্ম শেষ হলে যেমন ঘরে ফিরি বলে হই যে আকুল। বিদায় তো নিতে হবে যবে এলে এই ভবে হয়ো না ব্যাকুল। ফুল তো হাজার ফুটে ঝরে পড়ে যায় ফল ও থাকেনা কভু শাখায় শাখায়। নিত্য যে মধুকরী গুণ গুণ গান করি ফিরেছিল চৌদিকে তোমার। তারাও স্তব্ধ আজি ছেড়ে যেতে নাহি রাজি শুধু ...

শুভ জন্মদিন

শুভ জন্মদিন রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২০/১১/২০২০ রাতের আকাশে অনেক তারা             হয়োনা যেন মলিন  চাঁদের আলো হেসে বলছে        তোমার শুভ জন্মদিন। প্রকৃতি আজ নতুন রূপে              হয়েছে রঙিন  তেমন আনন্দ উল্লাসে যেন             কাটে তোমার দিন       জানাই শুভ জন্মদিন। তোমার জন্য ফুটুক গোলাপ              ছড়িয়ে দিক সুবাস  সেই সুবাসে ছিনিয়ে আনো          সবার মনের আবাস।  আলোর ধারা নেমে আসুক              জীবন হোক রঙিন         জানাই শুভ জন্মদিন।   ইচ্ছা তোমার পুরন হোক             এটাই আমি চাই    সদাই যেন সর্ব সুখী     তোমায় দেখতে পাই। তোমার কথা ভাবতে থাকি                   দিবানিশি দিন      মু...

সুযোগ সন্ধানীরা

সুযোগ সন্ধানীরা রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ২২/১১/২০২০ করোনা ভাইরাস এলো সবকিছু এলোমেলো কে কার খবর রাখিবে হায়! কারো কাছে দুর্যোগ কারো সুবর্ণ সুযোগ লুটোপুটি করিবার দায়। রবি নামক ব্যবসায়ী এলো হয়ে পরিযায়ী লক ডাউনের পর। কি করে খাবে কি করে সে বাঁচবে কিসের উপর করিবে ভর। অনেক ভেবে অবশেষ রচিল ব্যবসা অনিমেষ স্যানিটাইজার আর মাস্ক এর। সাবান জল মিক্সচার বানাল সে স্যানিটাইজার আঁটিল লেভেল বোতলের 'পর। কাপড়ের টুকরা জুড়ে মাস্ক সেলাই শুরু করে মিলায়ে যত ক্যামিকেল। মেয়েদের ড্রেসের সঙ্গে রঙ মিলিয়ে নব ঢঙে আঁটিলো দিয়ে ফেভিকল। রোজ বানায় কতশত বিক্রি হয় অবিরত অল্প দিনেই হয় টাকার কূমীর। সাবান জল মাস্ক ব্যবসা পুরাল মনের আশা লোভ বাড়লো সতত তাহার। এমনি সুযোগ সন্ধানী যারা...

শিশুর বায়না

শিশুর বায়না রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২৪/১১/২০ ছোট শিশু বায়না ধরে মেলা দেখতে যাবে শহরেতে মেলা বসে কত কিছুই পাবে। ঠিক হয়েছে যাবে মেলায় খুশিতো আর ধরেনা কত কিছু কিনবে সেথায় হিসাব তো আর মিলেনা। বাবার সাথে যাচ্ছে মেলায় সঙ্গে আছে মা ভিড়ের মাঝেও চেচিয়ে বলে হাতে ধরো না। নানা রঙের দোকান সেথায় কত রকম খেলনা যা দেখে তা কেনার ইচ্ছা করতে থাকে বায়না। এতো ভিড়ের মাঝে গিয়ে মা তো দিশে হারা ছেলে কিন্তু খেলনা দেখে হয় যে আত্মহারা। যা দেখে তা কিনতে চায় এতো বিষম দায় বাবার কাছে টাকা কেমন সেটা বুঝে মায়। পরে কিনবে বলে মা টেনে ধরে হাত টা ছেলে জুড়ে কান্নাকাটি কিনতে এটা ওটা। ভিড়ের মাঝে এরই ফাঁকে হাত থেকে যে ছুটে এবার তো আর মা বাবা কে খুঁজে পায়না মোটে মেলার মাঝে মা মা বলে কান্নাকাটি করে কত মানুষ এলো পাশে সান্ত্বনার ই তরে। অনেক বাবু খেলনা দিয়ে খুশি করতে চান যা খুশি তাই নিয়ে যাও করছি আমি দান। একা হয়ে বুঝতে পারে খেলনা কিছুই না সব থেকে তার বড় এখন চাই যে শুধু মা।