পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নির্বোধ

মনের গভীরে আঘাত করে ভাবলে তুমি জিতে গেলে, নির্বোধ তুমি যেখানে আঘাত করলে সেখানে তুমিই ছিলে। বুঝোনি তুমি রেখেছি তোমারে কতই যতন ভরে, অবুঝ তুমি তাইতো ললনা বুঝেও বুঝোনা বিরাজিছ হৃদে যুগ যুগ ধরে। যে সন্দেহে আঘাতিলে প্রাণে নিমেষেই সব ছারখার , বুঝবে গো তুমি আসবে সেদিন যেদিন হয়তো রবোনা আর। যত ই তুমি আঘাত কর থাকবে হৃদয় মাঝে, তব চঞ্চল পলক চোখের সে ভাষা প্রতি ধমনীতে রাজে । ভাঙবে না মন কোন আঘাতেই যত ই ভাবনা দূর মনটা আমার তোমাতেই ভরা হৃদয়ে যে বাজে তারই সুর।

বন্ধুরা তো বেশিই মেকি

বন্ধুর সংখ্যা বেড়েই চলছে     বন্ধুত্ব আর কোথায় আছে  বসে বসে ভাবছি শুধু তাই। ফেইসবুকটা আনলো কাছে      হাজার হাজার বন্ধু আছে  আসল বন্ধু কোথা খুঁজে পাই ? যখন তখন ফ্রেণ্ড রিকুয়েস্ট       না চিনেও করি এক্সেপ্ট  শুধুই যে বাড়ছে ফ্রেণ্ড লিস্ট। বন্ধু হয়েই ইনবক্সে         সিগন্যাল দেবে রাতদুপুরে বন্ধু তুমিই আমার বেস্ট। অনলাইনে চ্যাটিঙ কর               আসল বন্ধু ভুলে থাক  এ কেমন দিনটা এলো ভাই! পোস্ট একটা দিয়ে দেখি         বন্ধুরা তো বেশিই মেকি লাইক কমেন্টস তো নাই। নিষ্ক্রিয় আর স্তব্ধ যারা           জায়গা জুড়ে আছে তারা  নতুনরা তো আসার সুযোগ নাই। তাইতো বলি সক্রিয় হও              নাহলে ভাই বিদায় নাও নতুনদের সুযোগ দিতে চাই।

দীপ মালা (ছোট গল্প) -পূর্ব প্রকাশিতের পর

দীপ বলেই চলল,' দাদু আমাকে আরও বলেছেন 'আমাদের জীবটাও নাকি ঐ ঘুড়ির মতো। আমি যেভাবে ইচ্ছে মত এটাকে ঘুরাচ্ছি আবার নাটাই টানলে যে ভাবে ঘুড়ি হাতের মুঠোয় চলে আসে ঠিক এভাবেই আমাদেরকেও ঈশ্বর নাকি ঘুরাচ্ছেন। সব মানুষই এক একটা ঘুড়ি আর তার নাটাই ঈশ্বরের হাতে। তিনি আমাদেরকে এ পৃথিবীতে অবাধে ঘুরার জন্য ছেড়ে দিয়েছেন আবার যখনই নাটাই টান দিবেন তখনই আমাদের চলে যেতে হবে। ' মালা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল ,' ঈশ্বর কোথায় বসে আমাদের ঘুরাচ্ছেন, তাঁকে তো আমরা দেখি না।' দীপ বলল,' ঈশ্বর তো অদৃশ্য এজন্য আমরা দেখিনা। কিন্তু তিনি ঠিক আমাদের দেখতে পাচ্ছেন। তিনি যখনই তাঁর হাতের নাটাই টানবেন, আমাদের এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে।'  এবার দীপ মালাকে বলল ,' এখন সন্ধ্যা হয়ে আসছে। ঘুড়িকে নামিয়ে আনতে হবে। চল আমরা ঘুড়ি নামানোর গান গাই। এই বলে সে গান ধরলো,'  ' আয় ঘুড়ি ফিরে আয় ঘুরেছিস বেশ, আমার কাছে ফিরে আয় আয়ু তোর শেষ।' মালাও তার সাথে গান ধরলো। দু'জনে গান গাইতে গাইতে  দীপ নাটাইয়ে সুতাগুলো গুছিয়ে নিল। অল্পক্ষণের মধ্যেই ঘুড়িটা হাতের মুঠোয় চলে এল এবং তারা বাড়ির উদ্দে...

দীপ মালা (ছোট গল্প) প্রথম পর্ব

ধীরাজবাবু একবার সস্ত্রীক পুরী যাত্রা শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। সঙ্গে তাদের একমাত্র মেয়ে মালা। তখন তার বয়স মাত্র ছয় কিংবা সাত। ধীরাজবাবু ট্রেনে বসে বসে ঝিমোচ্ছিলেন এমন সময় একটা ছেলে ট্রেনের কামরায় এদিক থেকে সেদিকে যাওয়ার পথে ধীরাজবাবুর মুখোমুখি হলে তিনি চোর ভেবে প্রশ্ন করলেন,' কি চাই?' ছেলেটি মুখ কাচুমাচু করে বলল ,' বাবু, একটু কাজের সন্ধান করছি। আপনার কি কাজের ছেলে লাগবে?' পরনে ছেড়া ময়লা পোষাক কিন্তু কথাবার্তায় বেশ মার্জিত বলেই মনে হল। তিনি বললেন,' তোমাকে তো দেখতে খুব ভালো ঘরের ছেলে বলেই মনে হয়। কিন্তু -- কথা শেষ করার আগেই তাঁর স্ত্রী মাতঙ্গীনির বুঝি একটু দয়া হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন,' তোমার নাম কি, বাড়ি কোথায়? তোমার কি কেউ নেই?' ছেলেটি বলল,' আমার নাম দীপ। আমি আগে এখানে এক বাবুর বাসায় কাজ করতাম। উনার ট্রেন্সফার হয়ে গেছে তাই আমি এখন নিরুপায় হয়ে কাজের সন্ধান করছি। ছেলেটির কথা শুনে মাতঙ্গীনির আরও একটু দয়া হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন,' তুমি যাবে আমাদের সঙ্গে? মালার সঙ্গে খেলবে আর আমাকে ঘরের কাজে একটু সাহায্য করবে। বাসন মাজা কাপড় কাচা এগুলো কাজ প...

পাইতে নাজাত

করে সিয়াম সাধনা            কতোই না আরাধনা                 চলে গেল একটা মাস। কতনা সংযম ভরে            কষ্টে আত্মশুদ্ধি করে                 দিনভর ছিনু উপবাস। মোরা পাইতে নাজাত        সকাতরে তুলে হাত                  খুঁজছি ভিক্ষা কভু, যত ভুল পাও                  মাফ করে দাও                 বান্দা তোমার ই প্রভু! সৃষ্টি ডাকিছে যাহারে         ভেবে দেখ আহারে                ঘোষিয়াছে সেই পরোয়ারে। সম্পদের হিসাব ধরে      জাকাত আদায় করে                 মুক্তি নাও পরপারে।  কাঁদে অসহায় শিশু     রূপে সে নিষ্পাপ যীশু               ...