পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এরাও তো মানুষ

এরাও তো মানুষ  হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২৮/০১/২০২১ শরতের পূজার পরে  হিমের হাওয়া বয় তাইতো লোকে শীতের সম্বল  কম্বল টেনে লয়।  এই ক'টা দিন কাজের চাপও অনেক খানি কমে কম্বল মুড়ে ঘুমের আসর  ভাল ভাবেই জমে।  সবাই যখন চিত্ত সুখে  ঘুমিয়ে থাকে রাতে গরীব দুঃখী অনাথ শিশু  মরে শীতে-ভাতে।  ওদের কথা ভাবার মত  কারো সময় নাই এরাওতো মানুষ ভবে দাওনা একটু ঠাই।  সুখ-দুঃখের অনুভূতি  এদের প্রাণেও আছে  যদি পার ডেকে নাও একটু খানি কাছে।  যাদের ঘরে আছে অনেক  সম্পদ রাশি রাশি  ওদেরকে একটু দিয়ে  মুখে ফুটাও হাঁসি। মানব সেবাই ঈশ্বর সেবা  সকল ধর্মে পাই  তাইতো আমি সব সময়ই  মানুষের গান গাই।

নেতাজী স্মরণে

নেতাজী স্মরণে রচনা : হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২৩/০১/২০২১ হে বীর সন্ন্যাসী! আজও জাতি ভুলে নাই তোমায় মুগ্ধ মোরা তব দেশমাতৃকার সচঞ্চল ভুমিকায়।  তুমি ভারতের বেপরোয়া সন্তান একথা সবার জানা স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে হয় বলে তুমি দিয়েছিলে হানা। ফরওয়ার্ড ব্লক,আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েছিলে তুমি গ্রেনাইটের দেওয়াল হয়ে মুক্ত করিতে এ ভারত ভুমি।  অন্যায়ের সাথে কোন আপোষ নয়, এই ছিল তব জ্ঞান।  তাইতো তোমাকে সহিতে পারে নাই ইংরেজ শয়তান।  করিল কারারুদ্ধ, পাঠাল জেল, কম করেও ১১বার, গান্ধী-আরউইন চুক্তির বিরোধীতায়, নির্বাসিত আরবার।  এত নির্যাতন সহিয়াছ তুমি পাইতে স্বাধীনতা।  দুর্ভাগ্য এটাই, দেখ নাই তুমি, আমরা মুক্ত পরাধীনতা।  বাঙালির গর্ব হে মহান বীর!  'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব'- এই ছিল তব আহ্বান।  স্বার্থক তুমি বাংলা মায়ের বীর সন্তান।  চরমপন্থী নেতা ছিলে তুমি এই তার ফরমান।  বৃটিশের অধিনে চাকুরি করা, এতো গোলামির সমতুল! তাইতো তুমি ত্যাজিলে আই,সি,এস, বলিনি তো ভুল? জাত পাত ধর্ম বর্ণের উর্ধে ছিল তব নীতি  তোমার কাছে দেখিতে পাই, প্রকৃত মানব ...

নারীর জীবন

  নারীর জীবন   হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ-২০/১/২০২১ নারীর জীবন ভুবন মাঝে  অনিশ্চিত এক পরীক্ষা  জন্ম থেকেই শুরু হয়  নানা রকম দীক্ষা। মা'বাবার আদর যত্ন  অল্প দিনের তরে  এতো চির সত্য কথা  যাবে পরের ঘরে।  কত আশা ভালবাসা  নতুন বধূর মনে কেমন করে আপন করে  অপরিচিত জনে।  আসে ঝঞ্ঝা আসে বাধা  পদে পদে তার  অনেকেই ভাবে তখন  জীবনটা অসার।  সব কষ্টকেই জয় করে  শেষে হয় জননী যার আঁচলে সকল পুরুষ  কাটায় দিবস রজনী।  যুগ-যুগান্তর সত্য কথা  সুখে দুঃখে নারী পুরুষ তান্ত্রিক সমাজ তবু মুখটা করে ভারী।  রেখেই চলে বৈষম্যতা নারীর অধিকারে স্বাধীন হয়েও যেন নারী বন্দী কারাগারে। উদয় হোক নতুন সূর্য  সভ্যতার আকাশে। দূর হোক ওই বৈষম্যতা সবার প্রয়াসে।

নেতার রূপ (পর্ব -১)

নেতার রূপ  (পর্ব -১) রচনা - হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ১৩/০১/২০২১ ধন্য মোদের গণতন্ত্র          ভোট আসলে বুঝি। কাকে দেবো ভোট এবার            সেটা সবাই খুঁজি। নেতা যারা আশার কথা           বারে বারে শুনায়। তাইনা শুনে তুষ্ট হয়ে             প্রজা শান্তি পায়। যত বেশি মিথ্যা আশা              যে দিতে পারে, সে ই হবে জনপ্রিয়           ভোটের বাজারে। ভোটের আগে মিষ্টি ভাষণ            কতো কি না করে, মুখোশ ধারী নেতা এরা               বুঝা যায় পরে। জয়ের মালা যেই পরিবে            ধার পাবে না তার, টাকার ভাণ্ড পেয়ে নেতা             হবে পগার পার। দেখেও করে নাদেখার ভান             এইতো তাদের রূপ, কথা বললে জেলে যাবে                ভয়ে ...

নহি আমি কবি

নহি আমি কবি হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৯/১/২০২১ মাঝে মধ্যে কবিতা লিখি নহি আমি কবি কেউ হয়তো কৌতুক ছলে  বলতে পারে রবি।  আমার একজন বন্ধু বলে এগুলো কি নেটে পাও?  এত এত কাব্য তুমি  কেমন করে লিখে যাও?  কেমন করে বুঝাই ওকে কেমন করে লিখি বললাম আমি লিখার ছলে একটু আধটু শিখি।  কৌতুহলে লিখার ছলে  জ্ঞানবুদ্ধি বাড়ে নিজেও একটু করে দেখো হৃদয় ক্যামনে নাড়ে।  কেউবা আবার বলে শুনি সময় কোথায় পাই  বলি ওদের ইচ্ছা থাকলে  সময়ের দরকার নাই।  কেউবা হয়তো হেলা করে আড়চোখেতে চায় কেউবা আবার বাহ্ বা বলে  তালিও বাজায়।  আমার কিন্তু সরল জীবন সাদাসিধে মত লোকের কাছে পরিচিতির  এটাও একটা পথ।

কে কি খুঁজে

কে কি খুঁজে  রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৪/১/২০২১ শিশু খুঁজে মায়ের স্নেহ  ভাই খুঁজে বোন ভালবাসা সবাই খুঁজে  গায়ক খুঁজে ধুন।  ফুলের মধু খুঁজে ভ্রমর  ফুলে ফুলে উড়ে  সোনারিরা সোনা খুঁজে  আগুনেতে পুড়ে । প্রেমিক খুঁজে প্রেমিকার মন হৃদয় ভরে নিতে  জ্যৈষ্ঠ মাসের ভরা নদী  মাঝিকে চায় পেতে।  গরীব মরে খাবার খুঁজে  ধনীরা চায় সুখ দিনমজুর যে কত খাটে  নেই কোন তার দুখ।  চাষী খুঁজে ভাল হাওয়া  করবে বপন ফসল সব মেয়েকে খুঁজতে দেখি  নকল কিনা আসল।  ডাক্তার খুঁজে রোগীর ঔষধ  ছাত্র খুঁজে গুরু  আঁধার রাত্রি চন্দ্র খুঁজে  প্রাণী খুঁজে তরু।  সৎ-গুণীজন গুণী ই খুঁজে  ভক্ত খুঁজে সাধু গুণী একজন শাশুড়ী খুঁজে  হয় যে নতুন বধূ। কবি খুঁজে রূপ প্রকৃতির লিখবে হৃদয় ভরি বৃদ্ধ কালের বেঁচে থাকা সুখের দিনকে স্মরি।

ওই শৈশব কত সুখের ছিল

ওই শৈশব কত সুখের ছিল হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১/৮/২০২০ ওই শৈশব কত সুখের ছিল  যেখানে কোন জাতি ধর্ম ছিল না।  হিংসা বিদ্বেষ কঠিনতা ছিল না।  ওই শৈশব কত উপভোগ্য ছিল  যেখানে ভাই বোনের লড়াই হতো।  সঙ্গী সাথীর মধ্যে ঝগড়া হতো। ওই শৈশব কত খুশীর ছিল  যেখানে চাঁদ তারা রৌশন দিত  জোনাকি পোকা আলো দিত।  ওই শৈশব কত আহ্লাদের ছিল  যেখানে মা বাবার স্নেহ ছিল  পাড়া পড়শির শাসন ছিল।  ওই শৈশব কত সুখের ছিল  যেখানে খেলাধুলায় সময় কাটতো   পাড়া ময় ঘুরে দিন কাটতো। হ্যাঁ এটা সত্য মাটির কাঁচা ঘর ছিল  জঙ্গলাকীর্ণ কর্দমাক্ত পথ ছিল।  তবু খালি পায়ে ঐ পথে হাটতাম। যেখানে চলতে হয়তো পড়ে যেতাম  তবু এর মধ্যে সুখ দুঃখের মিশ্রণ ছিল।  ওই শৈশব নিয়ে কত ভাবনা  সেদিন তো আর ফিরে আসবে না।

স্পর্শ

স্পর্শ হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ-২/৯/২০২০ মনে মনে ভাবছি বসে  লিখবো একটি কবিতা  যখনই লিখতে বসি  এসে যায় প্রেমের ছবিতা।  আসে লজ্জা বাড়ে সংশয়  এই বয়সে প্রেমের কবিতা?  একি ভীমরতি ?  তা কি করে হয়?  জানলা দিয়ে দেখি  ফুল গুলি দোলছে মনে হয় যেন মোরে  কানে কানে বলছে।   প্রেমই জীবন প্রেমই মরন  কেন তবে ভয়  আমার জীবন মাঝে  দেখো তা নিশ্চয়।  যতক্ষণ আছি আমি  বাগানেতে ফুটে  ততক্ষণই আমার দাম  আমার ভাগ্যে জুটে।  মৌমাছি প্রজাপতি  নানা রঙের পাখি  মানব জাতি সঙ্গে আছে  মিলিয়ে দুটি আঁখি।  কেউবা খায় মধু  কেউবা করে জাদু  কেউবা গাঁথে মালা আবার  কেউবা সাজায় ডালা।  ঠাকুর ঘরে বাসর ঘরে  যেখানেই যাই  সার্থক জনম আমার  যদি স্পর্শ পাই।  ঝরে গেলে ফুলটারে  কে বা ফিরে চায়  ব্যর্থ হয় জীবনটা তার  যদি ঝরে যায়।

এ পি জে আব্দুল কালাম স্মরণে

এ পি জে আব্দুল কালাম স্মরণে হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২৭/৭/২০ মিসাইল ম্যান, পরম শ্রদ্ধারে স্মরণ করি। চলে গেছ বলে আমরা কি ভুলতে পারি? রাষ্ট্র কর্ণধার হয়েও দেখিয়ে গিয়েছ মহানুভবতা সূযোগ পেলেই ছাত্র মহলে করেছ শিক্ষকতা। প্রণয়ন করেছ সফলতার মন্ত্র সমৃদ্ধ গ্রন্থাবলী পুরো শিক্ষাঙ্গন জুড়ে এ গ্রন্থগুলি যেন নামাবলী। জীবনটি কাটিয়েছ ছাত্র যুব সমাজের কাজে বিলিন হয়েছ সেই ছাত্র সমাজের মাঝে।  হে ভারত রত্ন! একমাত্র তুমিই জিনে নিতে পার পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ-বীরসাভারকার হোভার মেডেল, রামানুজন, কিংচার্লস টু, ভনকামরান, ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় একতা।  হে যুগ-পুরুষ! রাষ্ট্র নায়ক মহাকাশ গবেষক! ছাত্র সমাজে তুমি ছিলে অদ্বিতীয় শিক্ষক।  যার প্রতিটি কথায় ছিল স্বর্ণালংকার  কেউ কি ভুলতে পারে সে উপদেশের ঝংকার? একাধারে বৈজ্ঞানিক, রাজনীতিবিদ,ঋষি দার্শনিক  ভারতের নব প্রজন্মের পথ প্রদর্শক।  শূন্য হাতে জন্ম নিয়ে শূন্য হাতে মৃত্যু বরণ জনগণের রাষ্ট্রপতি এটাই তার উদাহরণ।  জানিনা কোথায় আজ কোন সিংহাসনে বিধাতা সাজিয়ে রেখেছে অতি সন্তর্পণে।

গান্ধীজী স্মরণে

গান্ধীজী স্মরণে রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ২/১০/২০২০   অহিংসার পূজারী হিংসার বলি           আজও মোরা ভুলতে পারিনি    ভারতের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক গুরু              সবার মনে রয়েছো দিবস-যামিনী।    দেশ মাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে                  ঝাঁপালে আন্দোলনে এসে    ত্যাজিলে ব্যারিস্টারি ধরিলে হাল          ধুতি পরে নিঃস্ব মানুষের বেশে।    স্বাধীন ভারতের স্বপ্নে বিভোর                  বিনা দোষে কাটিলে জেল।    আজ কোথায় সেই বেইমান                           বৃটিশ জেনারেল।   কতো বাহানা তোমায় ঠেকাতে                   আনিল রাওলাট এ্যাক্ট   অহিংসার পূজারী হিংসার বলি                ...

অনলাইন ক্লাস (পর্ব - ২)

অনলাইন ক্লাস (পর্ব - ২) হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১১/৮/২০ লকডাউনে স্কুল বন্ধ অনলাইনে চলছে ক্লাস ছাত্র ছাত্রী মোবাইল পেল এটা হল বড় প্লাস।  ভাবতে হবে দেখতে হবে তা কতটুকু সফল অনলাইনের ক্লাসে আবার অনেক নাকি কুফল।  প্রথম শর্ত মোবাইল লাগে অনলাইনের ক্লাসে সত্যি হলো ক'টা মোবাইল আছে ছাত্রের পাশে।  গরীব দুঃখী ছাত্র যত গ্রামে গঞ্জে আছে  তাদের কথা কেউ কি ভাবে মোবাইল নাই কাছে।  বড় জোর ২০ শতাংশ মোবাইল যদি পাই  বাকি রইল ৮০ শতাংশ যাদের মোবাইল নাই।  এ অবস্থায় অনলাইনের ক্লাস কতটুকু সফল  তার উপরে শুনলাম নাকি সেথায় বড় কুফল।  ইউ টিউবের পাঠ্য টপিক সঙ্গে অনেক কিছু  এডাল্ট মতন দেখতে নাকি মাথা হবে নীচু।  এসব কথা জানতে পেরে অভিভাবক রুষ্ট  বন্ধ হোক অনলাইন ক্লাস কথা গুলো স্পষ্ট।  এদের সাথে সুর মিলায় যাদের মোবাইল নাই  অতি সত্তর স্কুল খুলুক এটাই মোরা চাই।  লকডাউনে স্কুল বন্ধ পড়াশোনা লাটে সারাদিন মোবাইল হাতে একটুওু নাই পাঠে।

করোনার ত্রাসে (পর্ব - ৪)

করোনার ত্রাসে (পর্ব - ৪) হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৩১/৮/২০২০ করোনা রোধে            চলিছে অবাধে            আনলক আর আর লকডাউন।  যখনই যেখানে              সন্দেহ জাগে            টেস্ট আর কোয়ারেন্টাইন। তবুও থামেনা              চীনের করোনা               বাড়িছে সংক্রমণ।  তারি সাথে করে        পাল্লা দিয়ে বাড়ে                 জিনিষ পত্রের দাম।  নিরুপায় শ্রমিক         কাজ নাহি পায়               না পায় সরকারী ত্রাণ। একদিকে অভাব        একদিকে রোগ                   কেমনে বাঁচাবে প্রাণ। শুরু করে ফেরি          পথে পথে ঘুরি            ...

করোনার ত্রাসে (পর্ব -৩)

  করোনার ত্রাসে (পর্ব -৩) হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৬/৮/২০২০ চীনের করোনা     দেখালো নমুনা                           কত যে মরিল হায়!       রোগে যত মরে      দ্বিগুণ মরে ভয়ে                        তিনগুণ পালিয়ে যায়।      রাস্তায় পড়ে মরে       আত্মহত্যা করে,                        না খেয়ে মরে যে কত!    এ কী ছলনা          হায়রে করোনা                     হাসপাতালে শত শত।    যেখানেই রোগী      সেখানেই করোনা                     এতো  ভীষণ দায়।     রোগী যদি হয়       করোনা টেস্ট নিশ্চয়       ...

করোনার ত্রাসে (পর্ব - ২)

করোনার ত্রাসে (পর্ব - ২) হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ৬/৮/২০২০ বসে বসে ভাবছি যত করোনার ঠেলা  কেউ বলছে মিথ্যা এসব করছে অবহেলা। কেউবা আবার বলছে শুনি আনলক কেন তবে সামাজিক সংক্রমণ যখন শুরু হল এবে। বিশ্ব জুড়ে করোনার ত্রাস মানছে আবার কেউ কারো মুখে হাসি আসছে বুকে অগাধ ঢেউ।  মাস্ক ব্যবসা টেস্টিং খরচা মিলছে কোটি কোটি  যা হবার তা হবে পরে চলছে লুটোপুটি। চিরাচরিত রোগী যবে, হবে হাসপাতালের দ্বার  টেস্টিং আগে পরে ঔষধ এসব বুঝা ভার।  পজিটিভ বা নিগেটিভ হোক আগে রিজাল্ট আসুক দেখবো রোগী দিব ঔষধ ডাক্তার বাবুও ভাবুক।  কেউ করছে মৃত্যুবরণ রিজাল্ট আসার আগে  কেউবা আবার ধর্ণা দিচ্ছে ফুঁসছে দারুন রাগে।  করোনা তো একটা রোগ বাকী কত শত সে সব রোগে মরছে রোগী দেখো অবিরত। সবার মুখে একি কথা সদা শুনতে পারি  এ কী করোনা মহামারী না রাহাজারি।  যতই খুঁজি যতই ভাবি এসব কথার জবাব কই  সময় এলে জবাব পাবো এই আশাতেই বসে রই।

করোনার ত্রাসে (পর্ব -১)

করোনার ত্রাসে (পর্ব -১) রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ২৬/৬/২০ একী আতঙ্ক এ কী দুর্বিষহ জীবন  বিশুদ্ধ বাতাস তবু মুখে পরো আবরণ।  কারো সাথে দেখা হলে কোথায় করমর্দন  কোথায় সে সহানুভূতি কোথায় সে আলিঙ্গন। অনেক সময় আছে আত্মীয়তে মেলার তবু কেউ কারো সাথে মিলছেনা আবার।  বাদ যাচ্ছে জন্মোৎসব বিয়ের অনুষ্ঠান  ফাঁকা আছে চেয়ে দেখো সকল প্রতিষ্ঠান।  সদা চঞ্চল অফিস কামাই ঘরে রয়না মন ছুটির দিন শেষ হওয়ার নেই আয়োজন।  কারো অনেক টাকা খরচ করার জায়গা নেই কারো টাকা নেই রোজগারেরও সুযোগ নেই  এত ব্যস্ত জীবন ছিল আত্মীয়তার সময় নেই এমন দুর্বিষহ এখন সময় অপচয়ের জায়গা নেই।  কত শক্তি কত জ্ঞান বিজ্ঞান সব তুচ্ছ আজ  সামান্যতম একটা জীবাণু ভাবতে লাগে লাজ।  একটি বার ভেবে দেখো আমরা কাহার অধীন  স্বাধীন হয়েও আমরা যেন সবাই পরাধীন।  হাত ধোও মাস্ক লাগাও একা একা থাকো সেই জীবন ফিরে পেতে অন্তর্যামী ডাকো।

আপন পর

  আপন পর  হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১২/৬/২০২০ কে আপন কে পর চেনা ছিল ভার  করোনা এসে শিখিয়ে দিল মানুষ চিনবার।  কে আপন কে পর দেখতে যদি চাও  উল্টা-পুল্টা হাঁচি-কাশী দু তিনটা দাও।  ল্যাং দিয়ে সব সরে যাবে থাকবেনা কেউ পাশে  ডাক্তার এসে নিয়ে যাবে পরীক্ষা সকালে।  মানতে হবে যেতে হবে সরকারেরি আইন  থাকতে হবে একা তখন কেন্দ্র কোয়ারেন্টাইন।  চৌদ্দ দিন পর রিপোর্ট আসল নাই করোনা তবুও দেখ সবাই দূরে কত যে ছলনা।  পোজিটিভ হোক নিগেটিভ হোক দূরে থাকাই ভাল  সর্দি-কাশি দেখিয়ে দিল আপন পরের আলো।

সুখের খুঁজে

  সুখের খুঁজে  রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ -২৮/৮/২০২০ মানুষ জাতি সুখ পিপাসু  রূপ ধরে যে হায়না সুখের মাঝে আরো অধিক  সুখের করে বায়না।  বাড়ী গাড়ি সবি আছে  মেলা সোনা দানা  তবু দেখ আরো পেতে  কত যে টালবাহানা।  মানুষ হয়ে মানুষেরে  শোষন করে চলে  এত সব করে ওরা  রাজনীতির বলে।  কিছু কিছু মানুষ আছে  মহান দিনের বেলা আসল স্বরূপ ধরা পড়ে  সাঁঝের সন্ধ্যা বেলা।  বন্ধু বান্ধব সাথে নিয়ে  রসনা বিলাস করে কেউবা তখন অনাহারে  ক্ষুধার জ্বালায় মরে।  ঝড় বৃষ্টি দেখলে যারা  ফেলে দীর্ঘ শ্বাস  এদের কিন্তু সুখের তরে  একটু ও নাই আশ।   একটি কথা সবার জানা  পরপারে যাবে সে জাগাতে সবাই সমান  সবাই খেতে পাবে।