পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এ কোন সভ্যতা

  এ কোন সভ্যতা রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ২৭/০৫/২০২১ ভাবি বসে দিনান্তে               সভ্যতার শেষ প্রান্তে                 মানুষ এখন কোন সে সুদূর! এমন কি যুগ এল                সব কিছু এলোমেলো                 সবই যেন দূর বহুদূর। মোবাইল ফোন বের হল        নেটওয়ার্ক চালু হল                  বেড়ে গেল মানুষের মান। ঘরে বসে সব কিছু              পেতে কেউ নই পিছু                     এ তো বড়ো শান। পৃথিবীটা কাছে এল           আপন সব দূরে গেল                        ভেবেছ কি কভু? নেই কোন সামাজিকতা         নেই কোন আত্মীয়তা           ...

বিদ্রোহী কবি স্মরণে

  বিদ্রোহী কবি স্মরণে রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ২৪/০৫/২০২১ 'গাহি সাম্যের গান' এ গান শিখায়েছ তুমি তাই তুমি মহীয়ান। কেন তুমি রয়েছ বসে একান্ত বিজনে? কি তোমার নাম বিদ্রোহী? বড় ইচ্ছে হয় আবার শুনতে  তব বিদ্রোহী তান                    গাহি সাম্যের গান। মনুষ্যত্বের প্রদীপ হাতে তব আগমন তুমিই এনেছিলে ভারতবাসীর জীবনে            গণজাগরন। তব অগ্নিবীণার অগ্নি স্ফুলিঙ্গ  আজো জাগায় মৈত্রীর গান। তাইতো তুমি বাঙ্গালীর প্রাণ।                 গাহি সাম্যের গান। হে দিব্যদর্শী, নিপিড়িত নিগৃহীত মানুষের  কবি তুমি সাম্য শান্তি প্রতিষ্ঠার মূর্ত প্রতীক ছবি। তুমি বুঝেছিলে,  বিভেদের মধ্যে ঐক্য না হলে স্বাধীনতা বহুদূর। তাইতো তুমি নিলে কান্ডারী ভার, গাহিলে মৈত্রীর গান,  'মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান'                গাহি সাম্যের গান। তুমি বীর সৈনিক ধুমকেতু! তব ক্ষুরধার লেখনী কাঁপিয়ে দিয়েছিল বৃটিশ সেনানী। তাই...

করোনার ত্রাসে (পর্ব-৭)

  করোনার ত্রাসে (পর্ব-৭)  হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ- ১৮/০৫/২০২১ করোনা যখন সেকেন্ড স্টেজে রোগী আশে পাশে। রোগে তো মরছে না লোক মরছে দারুন ত্রাসে। লকডাউন চলছে এখন মানুষ গৃহবন্দি কারো সাথে মিলছেনা কেউ হয়ে গেছে সন্ধি। হাটবাজার যদিও খুলে বাইরে দারুন ত্রাস। সর্বত্রই রোগীর খবর সদাই হচ্ছে ফ্ল্যাশ। চোখের সামনে লাশের গাড়ি থাকবেই মনে ভয়। ভয় করলে চলবেনা ভাই করতে হবে জয়। রোগ যদি শরীরে হয় বাঁচার আশা থাকে। রোগ যদি মস্তিষ্কে হয় কে বাঁচাবে তাকে। ভাইরাস থেকে বাঁচার তরে সাহস কর সঞ্চয়। রোগকে ভয় কর ঠিকই রোগীকে ভয় নয়। সবাই জানি বাঁচার জন্য মাস্ক এর প্রয়োজন। আবার অধিকক্ষণ মাস্ক ব্যবহার অন্য রোগের কারণ। তাইতো বলি একা থাকো ভীড়ভাট্টায় যেয়ো না। কিছুক্ষণ রৌদ্রে থেকো ঠান্ডা কিছু খেয়ো না। ভয়ঙ্কর এই মহামারী একদিন যাবে থেমে। বাঁচবে যারা সুখে থাকবে শান্তি আসবে নেমে।

জয় হোক মানবতার

  জয় হোক মানবতার হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ১৭/০৫/২০২১ বিশ্ব জুড়ে আহাজারি     করোনা মহামারী                      এতো মানুষেরই সৃষ্টি। মানুষ তো মানুষ নয়       করে শুধু অভিনয়                      সদাই স্বার্থ লোলুপ দৃষ্টি। জাতি দাঙ্গা গোষ্ঠী দাঙ্গা      দেশে দেশে রক্ত রাঙা                       শান্তি নেই ধরাতে। সৃষ্টির মালিক যিনি           নির্বিচার দেখেন তিনি                       যত অন্যায় অবিচার তাতে। মানুষ আজ গৃহবন্দি         সর্বত্রই লকডাউন সন্ধি                       সবই তো বাঁচার আশে। এরই ফাঁকে একদল        রচিতেছে নানা ছল                 ...

সান্ত্বনা

সান্ত্বনা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ১৪/০৫/২০২১ ঈদ মানে আনন্দ-খুশি বিশ্ব জুড়ে হাসি খোকাখুকি নতুন পোষাক কিনবে রাশি রাশি। দাদুর সাথে ঈদগায় যাবে আতর গোলাপ মেখে কত কিছু কিনবে সেথায় নতুন দোকান থেকে। দীর্ঘ দিনের মনের আশা ছিল তাদের খাঁটি করোনায় আর লকডাউনে সবই হল মাটি। লকডাউন বাঁচার তরে একটু বুঝাও না বাঁচলে পরে সবই আছে দাওনা সান্ত্বনা। ঈদ নামাজ সবই পাবে যদি বেঁচে থাক সতর্ক থাক মাস্ক লাগাও দূরত্ব বজায় রাখ। ঈদের দিনের ভাবনা হোক ভালোবাসা দিয়ে শান্তির পথে চলবো মোরা নতুন শপথ নিয়ে।

দাওনা সান্ত্বনা

দাওনা সান্ত্বনা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ :- ১১/০৫/২০২১ রমজান শেষে ঈদ আসছে ভীড় জমছে হাটে নতুন নতুন কাপড় কিনতে মেয়ে ছেলে মাঠে। কাপড় কিনার খুশির তরে ভুলে গেলো সবে যদি হয় করোনার সংক্রমণ তা হলে কি হবে? নিজের জীবন শেষ হবে তাতো শুধু নয় পরিবার ও সমাজটাকে ধ্বংসিবে নিশ্চয়। বার বার নিষেধ করে মাঠে নামে সেনা এরই ফাঁকে দৌড়াদৌড়ি চলছে বেচাকেনা। চোখের সামনে মরণ ব্যাধি কত প্রাণ নিল তবু ও যে কেন মানুষ অবুঝ রয়ে গেল। লকডাউন বাঁচার তরে কেন বুঝে না বাঁচলে পরে সবই আছে দাওনা সান্ত্বনা। আর ক'টা দিন ধৈর্য্য ধরো ঘরে বসে থাক সেই জীবন ফিরে পেতে অন্তর্যামী ডাকো।

ঈদের খুশি

ঈদের খুশি হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০৯/০৫/২০২১ রমজানের রোজার শেষে আসছে খুশির ঈদ, নব উল্লাসে মিলবে সবাই ইসলামের তাগিদ। রোজার শেষে জাকাৎ ফিৎরা করতে হবে দান গরীব দুঃখীর হক এটা ইসলামের বিধান। ঈদের খুশি সবার জন্য মিলায় হাতে হাত তাইতো বিধান ইসলামেতে গরীবে দাও জাকাৎ। এ খুশিতে কেউ যেন ভাই বাদ পড়ে না কভু, সবাই যদি খুশি হয় খুশি হবেন প্রভু। ঈদের নামাজ পড়বে সবাই আতর গোলাপ মেখে বাদশাহ ফকির নেই কোন ভেদ বিধান মনে রেখে। নামাজ শেষে হয় মোনাজাত বিশ্ব শান্তির তরে শুকুর গোজার করে মোমিন খোদাতালার 'পরে।

কবিগুরু স্মরণে

কবিগুরু স্মরণে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৯/০৫/২০২১ আজি হতে শতবর্ষ আগে জেগেছিলে কবি কোন অনুরাগে। তব আলোর শিখা দেখে বিশ্ব বাঙালি আজও আছে জেগে। কী জাদু ছিল তব হাতে ছড়িয়ে দিলে রবি'র কিরণের সাথে। মুগ্ধ তব আলোর ছটায় ছড়ালে যে কাব্য কলি, গর্বিত মোরা বীর বাঙালি। মাতিয়া উঠিল সারা বিশ্ব তব কাব্য বীণার ঝঙ্কারে। অগণিত ঢেউ প্লাবিয়া গেল বিশ্ব ভুবন মাঝারে। আজিও বিশ্ব খুঁজে, হে বিশ্ব কবি! নিশি প্রভাতের রবি! যেদিকে তাকাই দেখিবারে পাই মিশায়েছ তব ছবি। হে কবি! বঙ্গ ভাণ্ডারে তুমি রবি তোমার কিরণে বিকশিত সবি। তুমি অজেয়, অক্ষয় চিরনশ্বর। আজও বাংলার সাহিত্যাকাশে গুঞ্জরিত তব বীণাস্বর। তুমি সৃষ্টি তুমি দ্রষ্টা তুমিই মহাজ্ঞানী। তব কলমে সুপ্ত ছিল কী অমৃত বাণী। যত কথা পুষ্প প্রায় বিকশিলে তুমি তায় শত অনুরাগে। তব কথা তব গান পড়ে চলি দুরন্ত আবেগে। সে গান সে কবি আসিবে না আর  বাংলার এ ভুবনে। তাইতো তোমারে স্মরণে রাখিনু ধ্যানে জ্ঞানে জনমে জনমে।

বেচারা কান

বেচারা কান হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ:- ৩০/০৪/২০২১ মানব দেহ চালিয়ে থাকি জীবন্ত এক প্রাণ চোখের জন্য চশমা আঁটি নামটি আমার কান। ভালো মন্দ যত শব্দ চতুর্দিকে ভাসে সব শব্দই শুনার ভার আমার উপর আসে। দেহ যদি ভুল করে আমি খাই মলা তবু আমি রাগ করিনা দেহের তরে চলা। চশমার ভার বইতে বইতে ভাঁজ ধরেছে গায় তার উপরে নতুন করে আরেক বিপদ ধায়। মুখের উপর উঠলো যখন আবরণের ঠেলা রশি দিয়ে বাঁধলো আমায় করোনা কেউ হেলা। চশমার সাথে মাস্কের ভার ক্যামনে আমি বই সর্ব অঙ্গে ব্যথা আমার দুঃখ কারে কই।

আবার ও ভাবতে হবে

আবার ও ভাবতে হবে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০১/০৫/২০২১ ১লা মে' আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিছে সবাই বেশ। শ্রমিক মজুর শোষণ নিপীড়ন আজ ও হয়নি শেষ। যত নির্মাণ কেমনে চলিছে দেখোনা একটু ভেবে শ্রমিক মজুর খেটে মরে সদা তবু কেন পিছে রবে? যে পথে হাঁটছো সবাই প্রতিটি ধুলিকণা জানে কত শ্রমিকের ঘাম ঝরেছে এ পথ নির্মাণে! বিলাস ভবনে কত সুখে আছ ভাবনিতো কভু মনে কত শ্রমিকের ঘাম ঝরেছে এ ভবন নির্মাণে! শ্রমিক যারা মাঠে করে কাজ নেই রোদবৃষ্টির ভয়, সবার মুখেতে অন্ন যোগায় কত যাতনা সয়! রঙমহলে শুয়ে বসে তুমি কর যে অহঙ্কার শ্রমের বিনিময়ে শ্রমিক কি কভু পায় তার অধিকার? সভ্যতার যত ইট পাথরে  খুদিত নেতার নাম, শ্রম দিল যারা ভেবে দেখ মনে কভূ কি পেয়েছে দাম? আজীবন তারা করে যায় শ্রম পায়তো শুধুই ব্যথা। বৃদ্ধ বয়সে না খেয়ে মরে জোটে না বৃদ্ধভাতা! আজি এ মহান মে' দিবসে আবারও ভাবতে হবে! শ্রমিকদের এ বঞ্চনার দিন কবে শেষ হবে?