পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হেপ্পি নিউ ইয়ার

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-৩১/১২/২০২১ বর্ষ আসে বর্ষ যায়, তবু মোরা ফিরে চাই পুরাতন স্মৃতি ঘিরে যদি কোন সুখ পাই। সুখ দুঃখ হাসি কান্না, নিত্যই তো সহচর এমনি করে কেটে যায় জীবনের সারাটি বছর। তবু ফিরে দেখি, দুই হাজার একুশ সাল হিসেব নিকেষ শেষে হই যে বেহাল। কতো হাসি কতো ব্যথা, কতো দুঃখ কতো কথা কতো না পাওয়া, কতো হারানো বিষাদ ব্যথা দূর্যোগ মহামারীতে পুরোটা বছর ছিল বিষাদেই ভরা। মনে হয় যেন হারিয়ে ফেলেছি অতীত পরম্পরা। তবু মনে জাগে আশা, আসছে নতুন সাল হয়তো এবার ঘুচিতে পারে, বিশ্বের সে আকাল। হয়তো আবার নতুন ভাবে জাগিবে পুরো বিশ্ব সবার পরশে সবাই হাসিবে, রবেনা কেউ নিঃস্ব। রচিব আবার নতুন স্বপ্ন নতুন দিনের তরে সকলে মিলে কাজ করে যাবো, রবেনা কেউ পড়ে। রচিব আবার নতুন করিয়া উদয়ের জয়গান সবার পরশে সুন্দর হবো, মিলাব সুরের তান। পুরানো দিনের দুঃখকে ভুলে বাজাবো খুশির বীণ সকল ব্যথার হোক অবসান আসুক সে সুদিন। সৃষ্টি তো তার নিয়মেই চলে, তবু মনে থাকে আশা নতুন বছরে পাই যেন সবে, স্রষ্টার ভালোবাসা। যেখানে যত বন্ধু আছো গো, শুন মাই ডিয়ার শুভেচ্ছা জানাই প্রাণ খুলে আজি হেপ্পি নিউ ইয়ার।

চা বাগান

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৭/১২/২০২১ দিগন্ত জুড়ে ছেয়ে আছে চিরসবুজের পাহাড় তারি মাঝে উঁচুনিচু অপরূপ রূপের বাহার। আঁকাবাঁকা পথ ধরে সারি সারি গাছ শত শ্রমিকের সমারোহ তায় দূর থেকে করি আঁচ। কাঁধে ঝুড়ি হাতে শান রমনীরা ধরে তান গানের সুরে সুরে তুলে নেয় পাতা এতো বাগানের শান। দৃষ্টি নন্দন চাবাগান। চিরসবুজ বাগানের মাঝে মাঝে ঝরনা ও জলাধার নানা রঙের পশু পক্ষীর বিচরণ সে আধার। বিশ্ব নন্দিত আসামের চাবাগান চাপাতাও বিশ্বের সেরা যার গন্ধে মেতে উঠে মন সবার স্বপ্ন ঘেরা। আসাম ভূমির সম্পদ যেন বিধাতার অকৃপণ দান নয়নাভিরাম দৃশ্য বাহার জুড়ায় সবার প্রাণ। দৃষ্টি নন্দন চাবাগান।

বড়দিন

শিরোনামঃ বড়দিন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৫/১২/২০২১ ২৫শে ডিসেম্বর বিশ্ব মাঝে পবিত্র এক দিন চার্চ সেজেছে নতুন সাজে এলো যে বড়দিন। পবিত্র এ দিনটি আসে  একটি বছর পরে প্রভু যীশু কে স্মরণ করি বিশ্ব শান্তির তরে। আলোর রোশনা ঝরিয়ে পড়ুক হৃদয়ে হোক আলো প্রভু যেন দূর করে দেন সবার মনের কালো। এই দিবসে সবার প্রতি রইলো ভালোবাসা যীশুর দেখানো পথটাই হোক মোদের চলার ভরসা।

আহ্বান

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৫/১২/২০২১ জাগো হে নবীন জাগো হে প্রবীণ জাগো হে নওজোয়ান হিন্দু চাইনা মুসলিম চাইনা চাই এক ইনসান। বিশ্ব মাঝে রিক্ত আমরা পতিত মোদের জ্ঞাতি বিশ্ব জুড়ে হোক আমাদের একতার বলে খ্যাতি। বর্ণ চাইনা ভাষা চাইনা চাই শান্তির নীড় একতার তরে জড়ো হই যেন উঁচু করে নিজ শির। ধন চাইনা মান চাইনা চাই যে দেশের শান স্বদেশের তরে এক হই মোরা স্বার্থকে দিই কুরবান। হারাতে বসেছি দেশের সংস্কৃতি যা ছিল বিশ্বের সেরা জেগে ওঠো বীর দেশের সৈনিক দেশ যে অপশক্তিতে ঘেরা। জাগো হে সেনা জাগো হে ভক্ত জাগো হে অতন্দ্র প্রহরী দেশকে সবাই এগিয়ে নিয়ে যেতে উঠাই সুরের লহরী। ঘুচাই জড়তা ঘুচাই অন্ধত্ব ঘুচাই অন্ধ বিশ্বাস মন্দির চাইনা মসজিদ চাইনা চাই আত্ম বিশ্বাস। ফিরবে কবে জ্ঞানটা মোদের ফিরবে কবে চেতনা অন্ধ মনের বদ্ধ বিদ্বেষ  কভুও কি ঘুচবে না? জাগাও বিবেক বাঁচাও সংস্কৃতি বাঁচাও দেশের সভ্যতা। দূর হোক যত অপসংস্কৃতি দূর হোক স্বার্থান্ধতা।

টাকার আত্মকাহিনী

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৩/১২/২০২১ কাগজ থেকে জন্ম আমার বিরাট অট্টালিকায় সুখেই আমার জীবন চলে চলি নিরালায়। সবাই আমায় আদর করে আপন করার তরে এসব কথা ভেবে আমার গর্বে হৃদয় ভরে। আদর যত্নে জীবনটা যায় ঘুরি দেশ-বিদেশ কত বাবুর পকেট দেখি থাকার জায়গা বেশ। আলমিরাতে গোদরেজেতে সিন্দুকেতে ঠাঁই কভু আবার হাতে হাতে স্নেহের পরশ পাই। কেউবা আমায় রাখে বেঁধে দেহের গামছার আগায় দলিয়ে-মুচড়িয়ে শ্বাসরুদ্ধ হই কারো শাড়ির ডগায়। আদর সোহাগ পেয়ে ভাবি ধন্য আমার জীবন কথাটা তো ভুলেই গেলাম আছে আমার মরণ। এহাত সেহাত হতে হতে ক্লান্ত আমার জীবন দিনে দিনে কুৎসিত হলাম হারালাম যতন। নতুন টাকার ভিড়ে আদর কমলো দিনে দিনে সবাই আমায় সরাতে চায় কোনকিছু কিনে। এমনি করে জীবনটা মোর হলো বিভীষিকা তখন আমি বুঝতে পারি জীবনটা এক মরিচিকা। অবশেষে হলো আমার গর্বের অবসান ছেঁড়া নোংরা হয়ে ফেরৎ গেলাম জন্মস্থান। সারাজীবন টাকা হয়ে করলাম কত উপকার সেখানেই জ্বালিয়ে আমার করিল সৎকার।