পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জাদুকরী কণ্ঠের জন্য

চির নিদ্রায় চলে গেলে তুমি  হে সঙ্গীত সম্রাট জুবিন দা, কণ্ঠে তোমার ধ্বনিত মানবতার সুর  মোরা কেমনে ভুলিব তা। বহু ভাষায় সফল সঙ্গীতজ্ঞ  অসমের গৌরব জুবিন দা  একাধারে বাংলা হিন্দি অসমীয়া   মোরা কেমনে ভুলিব তা। আকাশে বাতাসে মর্মর ধ্বনি  কণ্ঠটা কী অপূর্ব, " সুখে থেকো ভালো থেকো  দূর থেকে চাইবো।" সঙ্গীতের জাদুকর জুবিন দা  সত্যিই তুমি অনন্য, ভারতবাসী ভুলবে না কভু  জাদুকরী কণ্ঠের জন্য। হে সঙ্গীত গুরু! অমর তুমি  সার্থক জনম এ ধরায়, ভগ্ন হৃদয়ে লাখো জনতার ভীড়ে  জানাই অন্তিম বিদায়। লাখো ভক্তের ভালোবাসার টানে  আবার ফিরে আসবে, " তোমার জন্য মনের দোয়ার  খোলা যে রইবে।"

বর্ষণ শেষে

বৃষ্টি ভেজা দিনে তুমি অবিহনে  ঘুম ঘুম লাগে চোখে, অনুভবে পাই আঁখি খুলে নাই  বিষাদের ছায়া মুখে। মেঘের আড়ালে সূর্য ঢাকিলে  কাঁদে না কখনো রবি, শয়নে স্বপনে কিবা জাগরণে  দেখি যে তোমার ছবি। বর্ষণ শেষে ক্লান্ত আবেশে  আসিবেই তুমি পাশে , ভাবনায় থাকি কল্পনায় আঁকি  কাহাকে বলিনা ত্রাসে। যত লাজ ভয় করে যাই জয় কভুও করিনা হেলা, আসিবেই তুমি ছিঁড়ে সব ভুমি  আশা আছে শেষ বেলা। ভগ্ন হৃদয়ে বলি বারে বারে  দিয়েছি তোমারে ঠাঁই, বুঝনা তা ভুল নেই কোন তুল অচিরেই যেন পাই।

সুখের পরশ

পূর্বাকাশে রবির আলো  ঝিলমিলিয়ে হাসে, শিশির ছোঁয়ায় দুর্বা ঘাস  রূপ সাগরে ভাসে। ফুল কুড়াতে ছেলে মেয়ে  যায় সারি সারি, হিমেল পরশ পেয়ে তারা  খুশি হয় ভারি। শুভ্র শরৎ শিশির কণা  শিউলি ফুলের গায়ে, বধুরা যায় জল আনতে  রাঙা নূপুর পায়ে। নদীর কূলে কাশের বনে  বাহারি রঙ ফোঁটে, প্রেম পিপাসু মৌমাছিরা দলে দলে ছোটে। ভোরের আলো লাগে ভালো  হাওয়ায় ফুলের ঘ্রাণ, শরতের ওই মৃদু ছোঁয়ায়  ভরে উঠে প্রাণ। মন ভুলানো প্রকৃতির এই  প্রেমের দৃশ্য দেখে, কবির মনে সুখের পরশ  তাইতো কাব্য লিখে।

তবু হাসি মুখে

হারায়ে সজনী     কাটে না রজনী          কার সাথে কথা কই, পূর্ণিমার রাতে     তারাদের সাথে           একাকার হয়ে রই। নিঝুম এ রাতে     চাঁদের আলোতে            বসে ভাবি এই বেলা, হৃদয়ের মাঝে       কত ঢেউ জাগে            দেখে তারাদের খেলা। শূণ্য আজি বুক     কোথায় সে সুখ            কোথায় সে স্বপ্ন আশা, জোনাকিরা উড়ে    আলো ঝরে পড়ে              বলিবারে নেই ভাষা। ফুল তো ফুটিছে         ভ্রমর ছুটিছে               বাতাসে সুবাস আছে, হৃদয়ের মাঝে    আজো বীণা বাজে                বুঝিবারে কেবা আছে! রাতের আকাশে       তারাদের ভীড়ে                  যদিও উঠে না...

শিক্ষক

মানুষ গড়ার কারিগর কে, চেনো কি ভাই তারে? আসল শিক্ষায় শিক্ষিত জন কভু ভুলতে নারে। সহজ সরল জীবন যাহার নেই বাহারি সাজ, এই জীবনে করেন তিনি মানুষ গড়ার কাজ। আপন কাজে ব্যস্ত থাকেন যান না যথা তথা, বলছি আমি করজোড়ে শিক্ষা গুরুর কথা। পুষ্প যেমন পরের তরে ছড়িয়ে দেয় ঘ্রাণ, শিক্ষক তেমনি উজাড় করে জ্ঞান করেন দান। শিক্ষক হলেন পিতৃতুল্য এই পৃথিবীর বুকে, আজীবন সঙ্গী তিনি ছাত্রের সুখে দুখে। সূর্যের আলো যেমন করে আঁধার করে দূর, শিক্ষা গুরু সদাই তেমন ছড়ায় জ্ঞানের নূর। জাতি ধর্মের হিসেব নিকেশ তাহার কাছে নাই, সাম্যবাদ আর সহিষ্ণুতা গুরুর কাছে পাই। গুরুর কাছে ছাত্র ছাত্রী পবিত্র এক ফুল, সত্য ন্যায়ের পথ দেখাতে শুধরিয়ে দেন ভুল। "শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড শিক্ষক জাতির প্রাণ," সফল ছাত্রের মাঝেই তারা বেঁচে থাকতে চান। শিক্ষা গুরুর দানের কথা ভুলা সম্ভব নয়, যাঁদের মন্ত্রে দীক্ষা নিয়ে জীবন সফল হয়।