পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পরের তরে (২)

সাপ্তাহিক কবিতা প্রতিয গাছের ডালে জন্ম নিয়ে গাছের ডালে ভর করে, বেঁচে থাকে পরগাছা গাছকে ভোগ করে। তাহার খাবার কেড়ে নিয়ে বড়ো হয়ে বলে, 'আমার তরে জন্ম তোমার এই না ভুবন তলে।' ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গাছটি বাঁচায় যারে, তার দুঃখে আগাছা টার গর্বে হৃদয় ভরে। বলে তারে ব্যঙ্গ করে ,'তোমার জনম বৃথা, কত সুখে আছি আমি তোমার বুকে হেথা। ঝড় বৃষ্টি আসলেই তোমার মাথা নুয়ে পড়ে, বিধাতারে নিন্দ তুমি কেন এমন গড়ে। কত সুখে আছি আমি তোমার শরীর ঘিরে, মাটির মধ্যে জন্ম তোমার আমি তোমা 'পরে।' নিজের খাবার দিয়েও গাছ পরগাছা বাঁচায়, এমন একটা দিন আসে নিজেই ঝরে যায়। ধরা মাঝে এমন আছে কতশত জ্ঞানী, নিজের স্বার্থ বলি দিয়ে অন্যে বাঁচায় জানি। জ্ঞানীর মাঝে বসত করে জ্ঞানের কথা কয়, অজ্ঞানতা ভুলে গিয়ে জ্ঞানের পাঞ্জা লয়। কথায় কথায় তর্ক করে অল্প জ্ঞানী হলে, আসল জ্ঞানী মানুষ যারা অল্প কথাই বলে। বিজ্ঞ জনের জ্ঞানের কথায় অজ্ঞানীরা হাসে, তাদের প্রভাব বেশি বলে জ্ঞানী হাওয়ায় ভাসে।  অল্প জ্ঞানী নিজের তরে শুধুই গর্ব করে, নম্র ভদ্র জ্ঞানী যারা মরে পরের তরে ।

প্রবন্ধ: বরাক উপত্যকা ও বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে আসাম রাজ্য আয়তন ও জনসংখ্যার দিক দিয়ে অনেক বড় এবং সমৃদ্ধ। আসামের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৩,৬৬,২৫০০০ জন।ভৌগলিক দিক থেকে আসামকে তিনটি উপত্যকায় ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হল যথাক্রমে ব্রম্মপুত্র উপত্যকা, বরাক উপত্যকা ও উত্তর কাছাড় পার্বত্য অঞ্চল।  বরাক উপত্যকা দক্ষিণ আসাম নামেও পরিচিত। বরাক উপত্যকার মোট আয়তন ৬৯২২ বর্গকিলোমিটার। এই উপত্যকার প্রধান শহর হল শিলচর। বরাক নদীর নাম থেকেই এই অঞ্চলের নাম হয়েছে বরাক উপত্যকা। আসামের তিনটি প্রশাসনিক জেলা- কাছাড়, করিমগঞ্জ, এবং হাইলাকান্দি নিয়েই বরাক উপত্যকা গঠিত। এই তিন জেলার মধ্যে ব্রিটিশ ভারতে আসার আগে, কাছাড় ছিল কাছাড়ি রাজ্যের মধ্যে, এবং করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দি আসাম প্রদেশের সিলেট জেলার মধ্যে ছিল। ১৯৪৭ সালের বিতর্কিত গণভোটের পর উভয় অঞ্চলকে সিলেট থেকে আলাদা করা হয়; সিলেটের বাকি অংশ পূর্ব পাকিস্তানের (এখন বাংলাদেশ) এবং ভারতের করিমগঞ্জের মধ্যে ভাগ করা হয়। বরাকের প্রাচীন নাম ছিল ‘বরবক্র'। রূপেশ্বর থেকে দক্ষিণ দিকে বরবক্র নামে খ্যাত সর্বপাপনাশী একটি তীর্থস্থান  আছে, সেই স্থানে পুরাকালে মুনি শ্রে...

সন্দেহ

শীলার সাথে দিব্যেন্দুর বিয়ের প্রায় দশ বছর হয়ে গেছে। যদিও তারা নিজেদের পছন্দেই একে অন্যকে বিয়ে করেছে অর্থাৎ লাভ ম্যারেজ করেছে তবুও তারা সুখী হতে পারেনি। কারণ একটাই, শীলা তাকে সন্দেহ করে। কারণে অকারণে সবসময় কথা কাটাকাটি আর ঝগড়া করে। সন্দেহের বিষে সে যেন তিলে তিলে ধ্বংস হতে লাগলো। অথচ এ সন্দেহের বিশেষ কোন কারণ সে খুঁজে পায় না। একেক সময় ভাবে তার মা-বাবা অন্যত্র মেয়ে পছন্দ করে বিয়ের তারিখ পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে ছিলেন কিন্তু সে মুহূর্তে শীলার প্রেমে পড়ে মা-বাবার কথা রাখতে পারেনি। আর এটাই বোধহয় তার জীবনের সবচেয়ে বড় কাল হয়েছে। সে শীলাকে নিয়ে সুখী হতে পারেনি, পরন্ত সবসময় একটা টেনশনে থাকতে হয়। কারণে অকারণে শীলা তাকে সন্দেহ করে আর হুমকি দেয় অন্য কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক হলে সে মরে যাবে।  আসলেই দিব্যেন্দু খুব সাদাসিধে প্রকৃতির লোক। অল্প বেতনেই সে গৌহাটির একটি বেসরকারী ইনসিওরেন্স গ্রোপ অব ইণ্ডাস্ট্রীজে জেনারেল ম্যানেজারের কাজ করে। কোম্পানির কাজে সাধারণত সকল কর্মচারীদের সাথে যে সদ্ভাব নিয়ে কাজ করতে হয়, তার মধ্যে এ গুণ গুলো ছিল খুব ভালো। সে অফিসে ইলা নামের একটা মেয়ে কাজ করে। আ...

মানুষ হও আগে

শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদেরে শিক্ষা দিচ্ছেন গুরু, গল্প আর উপদেশ দিয়ে করলেন তিনি শুরু। ছাত্র-ছাত্রী অবাক হয়ে শুনছে তাহা বসে, আদর্শ আর নীতি শিক্ষা বুঝিয়ে দিচ্ছেন রসে। ছাত্র যখন বলল ,'স্যার বইটি পড়ান আগে, পরীক্ষাতে প্রশ্ন আসলে উত্তর দিতে লাগে। নাহলে যে মার্ক্স পাবো না করবো মোরা ফেল, বাড়ির বার করবে বাবা বলবে গোল্লায় গেল।' গুরু তখন বললেন হেসে আনতে তাদের বাগে, 'খাতার নম্বর কমবেশি হোক মানুষ হও আগে। ভালো মার্ক্স আর পরীক্ষা পাশ সেটা বড় নয়, সঠিক জ্ঞানে সঠিক পথে মানুষ হতে হয়। পঠ্যপুথির জ্ঞানেই শুধু হয়না আসল জ্ঞান,  ব্যবহারিক জ্ঞানে তাই রাখতে হবে ধ্যান। মনুষ্যত্ব জ্ঞান না থাকলে শিক্ষার মূল্য নাই, তাইতো বলি পাঠের সাথে নীতি শিক্ষা চাই।'

জানাই সালাম ( ইসলামী গজল)

বিশ্ব নবীর আগমনে খুশির জোয়ার দু জাহানে  হুর পরী আর ফেরেশতারা গায় নবীজীর গান। নবী সাম্যেরই নিশান। তোমায় জানাই সালাম।। নবী সাম্যেরই নিশান , তোমায় জানাই সালাম।।২ তোমার ছোঁয়ায় মরুভূমি সোনার চেয়েও হল দামী  স্মরণ করি তাইতো তোমায় শোভা থেকে শাম ।।  তোমায় জানাই সালাম।। নবী সাম্যেরই নিশান, তোমায় জানাই সালাম।।২ করে তোমার নূরের সৃজন, গড়ল খোদা শ্রেষ্ঠ ভুবন  সেই নূরের আলো পেয়ে মোরা ধন্য যে হলাম।  তোমায় জানাই সালাম।। নবী সাম্যেরই নিশান , তোমায় জানাই সালাম।।২ তোমার বাণীর পরশ পেয়ে সঠিক পথ পেলাম  তোমার উসিলা ছাড়া সবই হবে ম্লান ।। তোমায় জানাই সালাম। নবী সাম্যেরই নিশান, তোমায় জানাই সালাম।। স্বপ্ন রাঙা ওপারেতে দিদার মোদের তোমার হাতে , ক্ষমা কর অধম তোমার পাপী মেহমান।। তোমায় জানাই সালাম।। নবী সাম্যেরই নিশান , তোমায় জানাই সালাম।।

মোহাম্মদ রসুল ( ইসলামী গজল)

৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে      হেজাজ প্রদেশেতে, সুবেহ সাদিকেতে ফুটলো যে এক ফুল।।২ মা আমেনার সাহারা   খুশবুতে মন মাতোয়ারা সে ফুল আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ রসুল।।২ ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে----- রবিউল আউয়াল মাসের বারো তারিখ সোমবার, আলো করে আসলেন নবী ঘরে আব্দুল্লার। সেই আলোকে আলোকিত হলো দু'জাহান।। ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে------ আসমান জমিন যার খুশিতে হল মাতোয়ারা, সেই নবীজী জন্মের পূর্বে হলেন পিতৃ হারা। ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে----- এতিম নবী ছয় বছরে হারান মায়ের কোল, হালিমায় যতন করেন যেন গোলাপ ফুল।। ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে---- আবু তালেব নবীর চাচা পালন করেন তাঁরে, বাঁচার লড়াই শিখেন নবী যাহার হাতটি ধরে।। ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে---- চল্লিশ বছর বয়সে নবী হেরা গুহার ধ্যানে, খোদার কালাম কোরান নাজিল জিবরাঈলের সনে।। ৫৭০খৃষ্টাব্দেতে------ আল্লাহ তায়ালার যত নির্দেশ আসে নবীর শানে, হিজরত করতে চলেন নবী মদিনার ই পানে।। ৫৭০খৃষ্টাব্দেতে------- ইসলামের ই শুভ ছায়ায় লক্ষ কোটি প্রাণ, বিশ্ব জুড়ে হাজার ভাষায় গায় তাঁহার ই গান।। ৫৭০ খৃষ্টাব্দেতে -------- ধন্য যারা মুসলমান    গাও নবীজীর গুণগান, শেষ বিচারের দিনে নবী কর...

পুঠি মাছের বিয়ে

বৈশাখেতে মেঘে ডাকে গুড়ুম গুড়ুম বাজে, পুঠি মাছের বিয়ে হবে সাজছে রঙিন সাজে। বৃষ্টির ভাব দেখে তারা করে আয়োজন, ছোট মাছ সব আসলো সেথা পেয়ে আমন্ত্রণ। সানাই বাজে মাদল বাজে  বাজে মোহন বাঁশি, সকল মাছ প্রস্তুত সেথা করতে হাসিখুশি। সাজন ভজন দেখে ব্যাং হাসছে দূরে বসে, পথি মাঝে ধরে খাবে রসের অঙ্ক কষে। যেইনা বৃষ্টি আসলো সেথা বিজলীর চমক নিয়ে, অল্প জলে ভাসে সবাই হামাগুড়ি দিয়ে। দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি  বিয়ের লগ্ন জুড়ে, পথি মাঝে বসে ব্যাং খাচ্ছে কুঁড়ে কুঁড়ে।

উত্তরণ

মানুষ যখন অমানুষ হয় আঁধার করে সঙ্গী, দিনের আলোয় নাটক দেখায় করে নানান ভঙ্গি। বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক আজ শান্তির নেই লেশ, খুন খারাবি ধাপ্পাবাজি চলছে অনিমেষ। অপরাধীর হয়না বিচার তাইতো জুলুম বাড়ে, বুক ফুলিয়ে চলে তারা সবার নজর কাড়ে। দুঃশাসনের এই আবেশে জ্বলছে আগুন দেশে, কাটবে আঁধার অমানিশা সবাই সেই সে আশে। দিতে হবে ভরসার প্রত্যয়  ফিরাতে বিশ্বাসী মন, অশান্তির আগুন দূর করে  করতে হবে উত্তরণ। সব মানুষের বিবেক জাগুক আঁধার হোক দূর, জুলুম নাশে মুক্তি আসুক বাজুক সাম্যের সুর।

প্রিয়ার খোঁজে

ত্রি সাপ্তাহিক কবিতার আসর পর্ প্রিয়ার দেখা পাবো বলে খুঁজি হেথা হোথা, যতই খুঁজি হারিয়ে যাই ঠিক থাকে না মাথা। যাত্রা শুরু হলো আমার আঁধার রাতের শেষে, চোখে ভাসে প্রিয়ার বসন সোনালী আভায় মেশে। শুধাই ডেকে পাশে এসো মুখটি ফেরাও দেখি, সূর্যোদয়টা বুঝিয়ে দিল ভাবনাটা তো মেকি। ধীরে ধীরে চললাম এবে অগাধ নদীর ধারে, ছলাৎ ছলাৎ নদীর জল বলছে বারে বারে। আমার কাছে আছে যত দুঃখ কষ্ট জমা, কেমন করে পাবে হেথা তোমার প্রিয়তমা। মন খারাপের ভাবনা নিয়ে ঘুরলাম ঝর্ণা পাহাড়, সবার মুখে একই কথা খোঁজাটাই যে অসার। সাগর পাড়ে চললাম তখন মনে ভাসে স্মৃতি, এমনতর ঠুনকো কেন ভালবাসার প্রীতি। বৌ কথা কও পাখির ডাকে সম্বিত ফিরে পেলাম, ডাকলো পাখি সঙ্গে যেতে তাইতো পিছু নিলাম। আকাশ পানে উড়লো পাখি মোর প্রিয়ার খোঁজে, আধো অন্ধকারে আমার চোখটি এলো বুজে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছলাম সেথা শেষে,  দীপ হাতে আসলো প্রিয়া অচিন এক বেশে। মোরে হেরি ধীরে ধীরে ঠোঁট টি কেঁপে উঠে,  অধোবদন দাঁড়িয়ে থাকে কথা নাহি ফোটে ।  নিষ্পলক তাকিয়ে থাকি একে অন্য পানে, কেন অঝোরে ঝরিল অশ্রু কেহ নাহি জানে।

ঠগের জামানা

"শিলিগুড়ি কবিতা উৎসব -২০২৪" ত্রি সাপ্তাহিক কবিতার বিশেষ আসর পর্ব ভিখারির বেশে      দুই ঠগ হেসে              বসিল গাছের নিচে। হাতে নেই কড়ি      বহুদূর বাড়ি              নাখেয়ে মরবে পিছে। সেথা একজন      করছে রন্ধন              বসায়ে উনুনে হাঁড়ি। গরিব বেচারা      নেই কোন তাড়া             রাধছে বসে কিছুড়ি। ভিখারিরা কয়      হইয়া নির্ভয়             মোরাও শরিক হই। চাল ডাল ঢালি গে   আছে এই ব্যাগে            একসাথে খেয়ে যাই। এত বলি ত্বরা        গান ধরে তারা            কত খুশি আহারে! বসে বসে ভাবে      উদর ভরে খাবে          আজি ঠকিয়ে বেচারারে। গান শেষ হলে       হাড়ি মুখ খুলে       ...

কেউ বলেনা মানুষ হও

বাবার ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার মায়ের ইচ্ছে ডাক্তার, পড়াশোনায় খুবই ভালো নাম তার আক্তার। সকাল বিকেল টিউশন যায় দু-দুজন মাস্টার, পাড়া পড়শী সবাই বলে হবে একদিন ব্যারিস্টার। দিদার ইচ্ছে উকিল হবে দাদুর ইচ্ছে মিনিস্টার, বন্ধু বান্ধব সবাই বলে হবে একদিন ফিল্মস্টার। ইচ্ছে সবার বিফল গেল বেকার হলো আক্তার, অল্প বয়সে বিয়ে করে করতে হলো সংসার। বোঝা যখন  উঠল কাঁধে চোখে ফোঁটে সর্ষে ফুল , স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে মাথায় ধরে গণ্ডগোল। নেশা করে জ্ঞান হারিয়ে যায় সে যথা তথা , দুর্নীতি আর কুকর্মে লিপ্ত হয়ে হারায় মানবতা। সব মা-বাবার স্বপ্ন বড়ো ক'জন তাতে সফল হয়? অতীত স্মৃতি ঘেঁটে তাহার মনের দুঃখ মনেই রয়। বয়স কালে বুঝলো ছেলে জীবনটা এক ধোঁকা, দুঃখ তাহার কেউ বলেনা মানুষ হও খোকা।

পরের তরে

মুক্ত অঙ্গন ফুলের বাগান মুক্ত তার সুবাস, সুগন্ধ আর রূপ দেখে তার পুরায় মনের আশ। অলি কলি প্রজাপতি কীটপতঙ্গ পাখি, ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায় মিলিয়ে দুটি আঁখি। যেথা ইচ্ছা ফুটুক ফুল সে তো পরের তরে, মন্দির হোক মসজিদ হোক কিংবা গীর্জা ঘরে। কার বাগানের কার চয়নের কেউ কি শুধায় কভু? ভিন্ন নামে ভিন্ন স্থানে পায় সমাদর তবু। মুক্ত আকাশ আলো বাতাস মুক্ত জলের ধারা, প্রকৃতি তা বিলিয়ে দিতে যেন পাগল পারা। চাঁদের আলো বৃষ্টির সুধা ঝরে সবার মাঝে, মিষ্টি সুরে পাখি ডাকে সকাল বিকাল সাঁঝে। সূর্যালোকে বিশ্ব ভাসে কেউ না তারে স্মরে, সবার ঘরে পৌঁছায় সে আগে কিংবা পরে। আলোর কাছে নেই ভেদাভেদ কাটায় আঁধার ঘোর, হোক সে উচ্চ দালান প্রাসাদ নাইবা জীর্ণ কুটির। ইচ্ছে আমার তেমন করে পৌঁছি সবার ঘরে, সবার তরে লড়বো আমি মরবো পরের তরে। পৃথিবীর সব আপন আমার নয়তো কেহ দূর, হৃদয় বীণায় বাজে আমার সবার ব্যথার সুর। সবার সাথে মিলব আমি থাকব সবার সাথে, সবাই যেন ডাকছে আমায় সকাল বিকাল রাতে। ইচ্ছে আমার খাবার যোগাই অনাহারীর মুখে, তাদের সুখে সুখী হবো কাঁদব তাদের দুখে।