পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিজ্ঞাপনের ফাঁদে

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ - ২২/০৯/২০২২ মন মাতানো বিজ্ঞাপনে বাজার গেছে ছেয়ে, প্রতিযোগিতার এই জামানায় পড়ি হোঁচট খেয়ে। কোনটা আসল কোনটা নকল চেনা ভীষণ দায়, মন মাতানো লেভেল থাকে জিনিস পত্রের গায়। চক চক করলেই হয়না সোনা জানি সবাই খাসা  বিজ্ঞাপন দেখে তবু কেন করি লাভের আশা । দাম বাড়িয়ে লেভেল বসায় বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রী, লোভে পড়ে কিনে সবাই  ওয়ান এর জায়গায় থ্রী। অনলাইনে অফার দেখে ক্রেতা হারায় হুঁস, কভু দেখি অর্ডার দিয়ে খায় আবার ঢুস। নামিদামি নায়ক নায়িকার বিজ্ঞাপনটা বেশ, ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়ে আম জনতা শেষ। ব্যবসার নামে জোচ্চুরিটা চলছে বারোমাস,  সরল মানুষ সব হারিয়ে ফেলে দীর্ঘশ্বাস।

বিদায়

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ১০/০৯/২০২২ বিদায় বেলার স্তব্ধ লগ্নে ভারাক্রান্ত মনে কোন ভাষাতে জানাই বিদায় ভাবছি ক্ষণে ক্ষণে। কণ্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে ছিন্ন হৃদয় বীণ কেমন করে বলবো প্রিয়  আজ বিদায়ের দিন। বিদায় মানে হাজার কষ্ট ভারাক্রান্ত মন দীর্ঘ দিনের স্মৃতি ঘেরা প্রেমের আলিঙ্গন। বিদায় মানে ছন্দ পতন চলার গতিপথে  আসলে ভবে যেতে হবে লেখা জীবন রথে। বিদায় মানে চোখের আড়াল ফেরা আপন নীড়ে হাজার স্মৃতি এক নিমেষেই শুধু ঘুরে ফিরে। শিক্ষাঙ্গনে হয় আগমন কোন রঙিন দিনে এক হয়ে যাই মেলামেশায় প্রেমের আলাপনে। সকল বাঁধন ছিন্ন হবে ব্যথায় বিভোর মন বিধির বিধান মানতে হবে এল বিদায়ের ক্ষণ। মন খারাপের সকল সুরই বেজে উঠে গানে থাকবে গাঁথা সকল কথা সবার হৃদয় প্রাণে। সুপ্রভাতের সূর্য যেমন রঙিন আভায় পাটে বয়ে চলা জীবন তরী তেমনি ভীড়ে ঘাটে। যদিও আজি বিদায় দিচ্ছি এই আঙিনা থেকে স্মৃতিগুলো মালা হয়ে থাকবে মাধুরী মেখে। জীবন পথে জুড়েছিলাম সবাই একই ফ্রেমে একে একে খসছে সবাই বিধির লিখা প্রেমে। আসা যাওয়া এইতো জীবন মাঝে শুধু বিরাম তবুও যেন হারানো ব্যথা কাঁদায় অবিরাম। এই জীবনে বিদায় দিলাম কতো হীরা পান্না এ...

গুরু ভাবনা

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ০৭/০৯/২০২২ আঁধার রাতের শেষে           বিনিদ্র আবেশে                          কত কথা মনে বাজে। উঠি বলে ভাবি                 মনে ভাসে ছবি                        তন্দ্রা জড়িমা মাঝে । গুরুজন স্মৃতি                ছিল কত প্রীতি                     শৈশবের সেই বিদ্যালয়। কে যেন বলিছে মোরে         ঘোর অন্ধকারে                       ডুবিছে যে শিক্ষালয়। আজিকার শিক্ষাঙ্গন     নীতি শিক্ষা অবিহন                       শিক্ষার কাঠামো তো তাই। পরীক্ষা পাশের তরে        জ্ঞান লয় বই পড়ে          ...

ইসলামের আলো

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ১০/০৩/২০২২ তোমারি কারণে সৃষ্টি এ ধরা,হে নবী হজরত! হাতে নিয়ে কোরান হলে আগুয়ান তরাইতে তব উম্মত। সঠিক পথের সন্ধান দিলে বিশ্ব মানব ভুবনে ইসলামের ছায়াতলে আসিল সবাই প্রেমের আহ্বানে। খোদার বাণী করিলে প্রচার বিশ্ব কালিমা ঘুচাতে মানুষে মানুষে বিভেদ প্রাচীর খুলে গেল সেই সাথে। আমির গরীব পাশাপাশি বসে জপিল খোদার নাম বিশ্ব ভুবন কাঁপিয়া উঠিল শুনি অভিনব পয়গাম। দিক দিগন্ত স্পন্দিত হল শুনি সাম্যের বাণী দুর্ভিক্ষের দিনে যেন পাওয়া গেল আলোর সে পথ খানি। এতিম অনাথ পাইল সাহারা কোরানের আইন মতে খুশির আলো লুটাইয়া পড়ে মরু গিরি পর্বতে। ধনীর সম্পদে ভাগ বসালো সর্বহারার দল খোদার আরশ খুশিতে নাচিল ঝরিল চোখের জল। উদিল আবার নতুন সূর্য বিশ্বের দরবারে বঞ্চিত নারী ভুষিত হল নর সম অধিকারে। যত ভেদাভেদ ধুলিস্যাৎ হল ইসলামের আলোতে হে আলোর বাহক নবী মোহাম্মদ ক্ষমা কর উম্মতে। শেষ বিচারের কাণ্ডারি তুমি ঘোষিয়াছে পরোয়ারে আমি শিশু কবি তুমি মহানবী ক্ষমা চাই বারে বারে।

আবারও ভাবতে হবে

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০১/০৫/২০২২ ১লা মে' আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিছে সবাই বেশ। শ্রমিক মজুর শোষণ নিপীড়ন আজ ও হয়নি শেষ। যত নির্মাণ কেমনে চলিছে দেখোনা একটু ভেবে শ্রমিক মজুর খেটে মরে সদা তবু কেন পিছে রবে? যে পথে হাঁটছো সবাই প্রতিটি ধুলিকণা জানে কত শ্রমিকের ঘাম ঝরেছে এ পথ নির্মাণে! বিলাস ভবনে কত সুখে আছ ভাবনিতো কভু মনে কত শ্রমিকের ঘাম ঝরেছে এ ভবন নির্মাণে! শ্রমিক যারা মাঠে করে কাজ নেই রোদবৃষ্টির ভয়, সবার মুখেতে অন্ন যোগায় কত যাতনা সয়! রঙমহলে শুয়ে বসে তুমি কর যে অহঙ্কার শ্রমের বিনিময়ে শ্রমিক কি কভু পায় তার অধিকার? সভ্যতার যত ইট পাথরে  খুদিত নেতার নাম, শ্রম দিল যারা ভেবে দেখ মনে কভূ কি পেয়েছে দাম? আজীবন তারা করে যায় শ্রম পায়তো শুধুই ব্যথা। বৃদ্ধ বয়সে না খেয়ে মরে জোটে না বৃদ্ধভাতা। আজি এ মহান মে' দিবসে আবারও ভাবতে হবে শ্রমিকের এ বঞ্চনার দিন কবে শেষ হবে?

পণটা দিতে হবে

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২৮/০৬/২০২২ বিদ্যার বালিশ বীরেন বাবু মেয়ের বিয়ে দেবেন, ঘটক এসে বসলো পাশে 'ঠাকুর পেন্নাম নেবেন।' মনের মতো পাত্র একটা ফুলঝুরির ঐ গ্রামে। 'মেয়ে আপনার সুখী হবে রাখবে সোনার দামে।' হেড অফিসের বড়বাবু সম্ভুনাথের ছেলে, উপরি কামাই ঘোষের টাকা মাসে লক্ষ মেলে। কথাশুনে বীরেন বাবু দিল খুশির লাফ, বলেন বাবু 'রাজি আমি, ডাকো ছেলের বাপ।' যেমন কথা তেমন কাজ শর্তে বন্দী হলো, বিয়ের তারিখ লগ্ন আছে কার্তিক মাসের ষোলো। বরের বাবা বললো হেসে দাবি কিছুই নাই, 'ছেলের সম্মান বাঁচার তরে গাড়ি একটা চাই।' অনেক ভেবে বীরেন বাবু রাজি হলো তাতে, মনে ভাবে শিক্ষা দেবে সমাজ বুঝে যাতে। ঘটা করে করলো বীরেন বিয়ের আয়োজন, এ তল্লাটের সবাই এলো পেয়ে নিমন্ত্রণ। গাড়ি একটা সাজিয়ে রাখলো আঙিনার ঐ পাশে, বরপণটা দিতে হবে বরের বাবার আশে। আদর যত্ন করলো বীরেন বরযাত্রীর তরে, চর্ব্য চুষ্য লেহ্য পেয় চললো দিবস ধরে। বিয়ের লগ্ন হলে বীরেন দেখিয়ে দিল গাড়ি, ' ঐ গাড়িকে মন্ত্র পড়িয়ে নিয়ে যাও বাড়ি।' মেয়ে বিয়ের মন্ত্র পড়লো অন্য সে এক ছেলে, ধন্য বীরেন বললো সবাই কেমন শাস্...

ভাষা শহীদদের নামে

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ১৯/০৫/২০২২ মায়ের ভাষার বোবা কান্নাতে যারা ছিল শোকাকুল তাঁদের স্মরণে ১৯শে মে বেদিতে চড়াই ফুল। রেল ষ্টেশন আর বরাকের জল হয়েছিল যাদের রক্তে লাল মায়ের ভাষার রক্ষক তারা রয়েছে হৃদয়ে চিরকাল। হে বীর বাঙ্গালী একাদশ শহীদ বাঙালির পুষ্প গাঁথা তোদের ঝরা রক্তের দাম যায়নি কখনো বৃথা। বছর বছর আসবে সে দিন জ্বলবে প্রদীপ শিখা তোরাই মোদের ভোরের সূর্য পরাবো জয়টীকা। ভিনভাষীর ষড়যন্ত্রের তরে প্রস্তুত মোরা প্রহরী বাউলের টানে ভাটিয়ালি গানে উঠাবো সুরের লহরী। আজিকার এ দিনে অঙ্গীকার মোদের ভাষা শহীদদের নামে রক্তে রাঙানো এ ভাষার মান রাখিব সোনার দামে।

প্রশ্ন

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১১/০৬/২০২২ ফেলে আসা শূন্য গৃহ খুঁজতে যবে যাই মনে আমার প্রশ্ন জাগে যদি কিছু পাই? সারারাত্রি খুঁজে বেড়াই কোথায় যে সেই ঘর ফেলে আসা দিনগুলো যে কেটেছিল মোর। আধো অন্ধকারে যবে ফ্ল্যাশ লাইটটা জ্বালি যেন কিছু যায়না দেখা আন্দাজে যাই চলি। মরচাপড়া ভুতের হাঁড়ি খাঁ খাঁ করে ডাকে হাঁ করা সব দুয়ার গুলো শুধুই তাকিয়ে থাকে। উইপোকা আর আরশোলাতে করছে হাঁকাহাঁকি বলে আমায় আর কি চাওয়ার রইল তোমার বাকী? টিকটিকিটা লাফিয়ে উঠে যেন আমায় চিনে বললো হেঁসে কেন এলে দাওনা কিছু কিনে। ছিলো মশা যত চৌদিক থেকে ঘিরলো আমায়  পাগলা হাওয়ার মতো। শুধাই ওদের শোষণ ছাড়া ক্যামনে বসত কর? তারপর যা হলো--- পড়ি-মরি পালিয়ে বাঁচি,বাজে সোয়া বারো। মনে ভাবি কেন এলাম অন্ধকার এই ঘরে আলোছাড়া সবাই ওরা খাবার তরে মরে। ফুঁটো টিনের চালা হতে জ্যোস্নার আলো পড়ে ফেলে আসা দিনগুলো মোর আধো আধো জ্বলে। সবার প্রশ্ন কিসের কাজে এসেছ এইখানে কেনই বা খুঁজছো তুমি অন্ধকারের মানে? যুগে যুগে এমনি সবাই ছুটে আলোর পানে তবু কেন আঁধার টানে কেহই নাহি জানে। প্রশ্নটা মোর থেকেই গেল কেমন আছো সবাই এমন সময় ঘুমটা ভাঙলো দেখি কিছ...

সভ্যতার ঝড়ে

রচনা-  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ২২/০৬/২০২২ পোস্ট অফিসের ডাকবাক্সটা পড়ে আছে ঠাঁয় পিওন এসে খুলবে তাকে আছে অপেক্ষায়। চিঠিপত্রের আদানপ্রদান ইতিহাস আজ তাইতো কেউ খোলেনা এ ডাকবাক্সটার রাজ। এ যুগের ছেলেমেয়ে অবাক এ নামে চোখের জলে ভেজা চিঠি আসতো যে খামে। অধির আগ্রহে স্বজন থাকতো অপেক্ষায় প্রেমের পরশ পেতো সে চিঠির গায়। টেলিগ্রাম ও ইনল্যাণ্ড লেটার আজও মনে পড়ে সবই যেন উড়ে গেল সভ্যতার ঝড়ে। যোগাযোগের মাধ্যম ছিল শুধু ডাকঘর মৃতজনের খবর পৌঁছতো শ্রাদ্ধের পর। তবুও সুখের ছিল সাধের সে পত্রালাপ জঙ্গধরা লালবাক্সে বন্দী সে আবেগ সে সংলাপ। মোবাইলের আগমনে বিলীন সে দিন সুকান্তের রানার আজ হয়েছে অচিন।

কে দিবে তাদের আলো

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ০২/০৭/২০২২ বানের জলে ভাসছে গ্রাম  ভাঙছে নদীর কূল মাথায় হাত দিয়ে কৃষক  ভবিষ্যতের চিন্তায় ব্যাকুল। কেমন করে খাবে বাঁচবে  সে ভাবনা অতল ভাবতে ভাবতে আক্কেল আলীর  চোখে আসে জল। বন্যার জলে ভাসিয়ে নিল  হালের বলদ জোড়া ফসল সব জলের তলে  হায়রে কপাল পোড়া। উদ্ধার ও ত্রাণ বণ্টন  চলছে শহর জুড়ে আক্কেলদের আর্তনাদ শুধু  পূবালী হাওয়ায় উড়ে। প্রকৃতিও আজ রুষ্ট হয়েছে  নীলাকাশ তাই কালো আক্কেল আলীরা অসহায় আজি  কে দিবে তাদের আলো?

সমাজ সেবার নামে

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -০১/০৭/২০২২ সমাজ সেবা করে যারা তারাই নাকি চোর পড়লে ধরা ঘাটের মড়া দেখার গায়ের জোর। বিশ্বজুড়ে বন্যার থাবা ভাসছে মানুষ জলে বানভাসিদের ত্রাণ সামগ্রী লোটছে নেতা কলে। তারাই নাকি জন নেতা তারাই কর্ণধার গরীব দুঃখীর খাবার কেড়ে নিচ্ছে বার বার। মানব সেবার নামে এসব চলছে ধান্দা বাজি পড়লে ধরা ফন্দি আঁটে হয়ে যায় কাজী। সব নেতারা এমন নয় করছে যারা রাজ মুখোশ ধারী নেতার তরে পাচ্ছে ওরা লাজ। গণদেবতা বানায় নেতা সেটা স্মরণ করো স্রষ্টা তোমায় জ্ঞান দিয়েছে ন্যায়ের দণ্ড ধরো।

মলিনতা ত্রাতা

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ০৩/০৯/২০২২ শিক্ষাগুরু জ্ঞান বাহক বিশ্বজুড়া খ্যাতি, শিক্ষকের শিক্ষা দান অমূল্য রতন, আজীবন করে যান জ্ঞান বিতরণ , তাইতো তাঁর অবহেলা নিজের অখ্যাতি। জ্ঞানের ভান্ডার হয়েও থাকে জ্ঞানান্বেষণে, শিষ্যের সুচিন্তায় তাঁরা আজীবন খাটে, নিজ কাজে সফল হতে থাকে তাঁরা পাঠে, বিনিময়ে কিবা পায় ভেবে দেখো মনে। মানুষ গড়ার কাজ যার কাঁধে থাকে, বড়ো হয়ে তার কথা কেবা মনে রাখে। শিক্ষকের ভাবনায় সভ্যতার প্রসার, বৈজ্ঞানিক দার্শনিক যত গুণী নেতা, সবারই জীবনে শিক্ষক মলিনতা ত্রাতা, শিক্ষক ভাবনা ছাড়া সকলই অসার। শিক্ষক দিবসে তাই করি এই আশা, গুরু ভক্তি গুরু আজ্ঞা অটুট যেন থাকে, বিধি যেন সব গুরু চিরসুখী রাখে, যে যেথা আছে জানাই শ্রদ্ধা ভালোবাসা।

সর্ব কালের শ্রেষ্ঠ বীর

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -১৫/০৭/২০২২ মানুষের মুখে বাঘের গর্জন শুনেছি শিশুকালে বীর পরিচয় মুজিব তোমায় স্মরিছি অন্তরালে। বীর সৈনিক দাবানল তুমি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা বাংলা মায়ের মুক্তির তরে রূপ ধরেছিলে বিভীষিকা। হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলে তুমি আত্মশক্তি নিয়ে " এই জাতিকে মুক্ত করবো হলেও রক্ত দিয়ে।" স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে হয় এই ছিল তব দীক্ষা পাক হানাদার হায়েনাদেরে দিয়েছ উচিত শিক্ষা। বুকেতে ছিল অগ্নি স্ফুলিঙ্গ মুখে মানবতার বাণী তোমার নেতৃত্বে মুক্ত হয়েছে সোনার এ দেশ খানি। মুজিব তুমি বাংলার জনক বাঙালির পরিচয় শক্তি বীণায় ছিনিয়ে এনেছো বাংলাদেশের জয়। সদা চঞ্চল স্বপ্ন দুচোখে গড়িতে সোনার বাংলাদেশ তাইতো চির অম্লান তুমি বাঙালির হৃদয়ে অনিমেষ স্বার্থক নেতা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বীর তোমার কারণে আজিও বিশ্বে উঁচু মোদের শির। বিশ্বজুড়া খ্যাতি তোমার সাম্যবাদী নেতা  শ্রমিক মজদুর মেহনতি মানুষ কেমনে ভুলিবে তা। বঙ্গ জননীর বীর সন্তান তুমি আছো সবার অন্তরে জাতি কখনও ভুলেনি তোমায় স্মরিছে প্রেমের জোরে।

অসমের স্বাভিমান লাচিত

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ১১/০৮/২০২২ নদী ঘাটে মাঝি বসে গুনগুন গায় ছোট ছেলে পাশে বসে পড়ে ভাবনায়। এত বড় ব্রম্মপুত্র অসম সীমায় মোঘলেরা কেমন করে প্রবেশিল তায়। দিন যায় মাস যায় বছর ঘুরে আসে ভাবনাও বাড়ে তার কেমনে বিনাশে। স্থির করে সেনা হয়ে মোঘলেরে লড়ে শুরু করে অস্ত্র শিক্ষা ঘোড়া 'পরে চড়ে। নিজেতো বীরের জাতি ভাবনাটা তার তাড়াবে মোঘল সেনা মানিবে না হার। খুশি হয়ে রাজা দেয় স্বর্ণ তলোয়ার ফুকন উপাধি সহ সেনাপতি ভার। নির্ভীক বীর সেনা কঠোর সে কাজে সাজালো অসম সেনা অপরূপ সাজে। মোঘলেরে তাড়া করে নিল সে বিরাম স্বস্থির নিঃশ্বাস পেল স্বাধীন আসাম। কর্তব্যে অনড় বীর সাক্ষী ইতিহাস শরাইঘাটে ফেলেছিল নিজ মামার লাশ। আজি তার জন্মদিন করছি স্মরণ ধন্য অসমের স্বাভিমান লাচিত বড়ফুকন।

এক কাপ চা

রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২২/০৭/২০২২ দিনের শুরুতে রোজ সকালে সবারই চাই এক কাপ চা। বিশ্ব জুড়ে শ্রেষ্ঠ পাণীয়  সকলেই জানি তা। কাজের ফাঁকে একটু রিল্যাক্সে  চাই যে চায়ের ছোঁয়া। দিনটা কাটে মনের আবেশে পেলে সুগন্ধি চায়ের ধোঁয়া। সন্ধ্যার আড্ডায় দোকানে বসে চা' টাই সবার প্রিয়। জ্বর মাথা ব্যাথা যে কোন রোগে গরম চা' টা অতুলনীয়। অতিথি আপ্যায়নে বাঙালি মাত্রেই চাই এক কাপ চা। বিস্কিট চানাচুর সাথে থাকলে আরো ভালোই জমে যে তা। পরখ করো যদি সূযোগ পাও  মন জুড়ানো যা, মিষ্টি আবেশে মনোরম বেশে মাটির কাপের এক কাপ চা।

জ্ঞানের খোঁজে

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২৬/০৭/২০২২ শিক্ষার ঝড় উঠুক         মানুষের মনে, শিক্ষা ছাড়া নরনারী       পশুতুল্য হয়, অল্প শিক্ষা হীন শিক্ষা     এনে দেয় ভয়, প্রণিধান কর সবে            সময়ের ক্ষণে। সার্থক সমাজ হয়            শিক্ষা জ্ঞান লাভে, পড়ে শিখে জ্ঞানী হও       গুণী সাথে থাকো, পিতৃমাতৃ গুরুজনে          ভাব ভক্তি রাখো, জাতিটা ধ্বংস হয়           শিক্ষার অভাবে। স্বচ্ছ শিক্ষা নীতি জ্ঞান     নেই ভবে যার, ভ্রান্ত পথে চলে তবু          মানে নাতো হার। অজ্ঞ জন অন্ধ ভবে         সেটা বুঝে নাও, জ্ঞানী সদা পূজ্য হয়         শক্ত এই ভবে, খুঁজে ফেরো বিশ্ব জুড়ে     জ্ঞান যেথা পাও, জাতি ধর্ম ভুলে করো        জ্ঞান লাভ সবে।

কর্ম মাঝে মুক্তি

রচনা- হিফজুর রহমান লস্কর  তারিখ -২১/০৮/২০২২ নদী ঘাটে মাঝি বসে         গুণ গুণ গায়, ষোলো আনা দাম নিয়ে      পার করে নদী, বিধি কিবা পার করে           ভব নদী যদি, রোজ রোজ কত লোক        পার করে যায়। সাধু এসে বসে পাশে            হতে নদী পার  বলে মাঝি পার করো          কড়ি নেই হাতে, সাধু সন্ত পার করো          মুক্তি পাবে তাতে, ত্বরা করে পার করো       ভেবো নাতো আর। রোজ কত যাত্রী মাঝি         করে দেয় পার, ভব নদী পার করে               হেন সাধ্য কার। মাঝি হাতে কড়ি দাও           নদী পার হতে, ভব নদী ভয় করো               লও বিধি নাম, নিজ কর্মে ধ্যান দাও           থাকো সৎ পথে, কর্ম মাঝে মুক্তি আছে           ...

ইলশেগুঁড়ি

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -৩০/০৮/২০২২ পড়ছে খোকা বইয়ের মাঝে ইলশেগুঁড়ির দিন, ইলিশ নাকি নাচে জলে তা ধিন ধিন ধিন। সকাল থেকে ঝরছে বৃষ্টি গুড়ি গুড়ি ধারা, মাছ ধরতে যাবে খোকা যেন পাগল পারা। ছিপ হাতে চললো খোকা ধরতে ইলিশ মাছ, শরীর খারাপ করবে খোকার মা করেছে আঁচ। তাইতো মা ডেকে বলে, যাসনে নদীর ধার, ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির মাঝে পিছল নদীর পার। মৃদু হেসে বলে খোকা ভেবো নাকো তুমি ছেলে তোমার অনেক বড় চিনে সকল ভুমি। সামলে নিয়ে চলবো মাগো হবে না মোর ভুল, ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির দিন খাবো ইলিশ ঝোল।