পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অশ্রু ঝরা কান্না

অশ্রু ঝরা কান্না হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৪/০৯/২০২১ একটি অনাথ পথ শিশু ক্ষুধায় কাতর দু চোখে অশ্রু। দিন শেষে রাত্রির অন্ধকার আপন মনেই বলছে, মাগো বড়ো বিচিত্র এই দুনিয়া ওরা আমায় খেতে দেয়না। বললাম আমি ক্ষুধার্ত তিনদিন হলো পেট ভরে খেতে পাইনা কেউ শুনলোই না।  অথচ আমার সামনে কুকুর কে দিয়ে এলো এক থালি ভাত। ওরা কুকুরের ক্ষুধা বুঝতে পারে। অথচ আমার মুখে কী বিষণ্ণতার ছাপ। ক্ষুধা তৃষ্ণায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। ওরা বিরক্তি বোধ করলো পাশ কেটে চলে গেল। দুচোখ বেয়ে অশ্রুধারা গড়িয়ে পড়লো কেউ তা দেখালো না। কি বিচিত্র তাইনা? ওরা সব দেখে। এদের দৃষ্টি শক্তি খুবই প্রখর। ওরা মানুষের পেটের ভিতরে কি আছে তা দেখতে পারে, মাটির নিচে কি আছে  তা দেখতে পারে। গ্রহ নক্ষত্রের ভিতর কি আছে,  তাও খুঁজে বের করতে পারে। শুধু দেখে না আমরা কি চাই,  দেখে না আমাদের অশ্রু ঝরা কান্না। ওরা জীবের অনুসন্ধানে গ্রহ গ্রহান্তরে খুঁজে বেড়াতে পারে। অথচ আশেপাশে কত অসহায় জীব না খেয়ে মরছে তা দেখে না। ওদের কাছে আমরা তো কোন জীবই না। ওরা মন্দির মসজিদ নিয়ে লড়াই করে ওখানে কোটি টাকা খরচ করতে পারে। অথচ আমার মতো হাজার হাজার মানুষ...

হয়তো আরো জ্ঞানী

হয়তো আরো জ্ঞানী হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৯/২০২১ জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ মানুষ এ ধরার নাচায় প্রাণীজগত পুতুল বানিয়ে রোবট বানিয়ে নাচায় ইচ্ছামতো। হাতী নাচায় বানর নাচায় আরো কতো কি নাচায় জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ বলেই তো মানুষ এত সব করে যায়। মানুষের মতো মানুষ হয়তো অন্য গ্রহেতে আছে মানুষও হয়তো পুতুলের মতো নাচছে তাদের কাছে। আমি নাচছি তুমি নাচছো নাচছে সারা দুনিয়া কেন নাচছি জীবন মরণ ভাবছো কি কেউ তা নিয়া? এমন কোন শক্তি হয়তো তাদের কাছে আছে যা দিয়ে তারা মানবকুলকে ইচ্ছা মতো নাচাচ্ছে। হেসোনা বন্ধু সত্যি বলছি হয়তো তারা আরো জ্ঞানী কোন সুদূরে বসে হয়তো নাচাচ্ছে এ পৃথিবী খানি।

পরিচয়

পরিচয় হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১২/০৯/২০২১ আসলে ভবে যেতে হবে সবই পড়ে রবে কঠিন এ ধরার রীতি জানা আছে সবে। তবু দেখি হিংসা বিদ্বেষ মনের মাঝে পুষে নিজ স্বার্থ আদায় করতে কত অঙ্ক কষে। ছল চাতুরী কুটিল বুদ্ধি শুধুই নিজের তরে মানবতা লুণ্ঠিত হয় সারাজীবন ধরে। মানবতার ধার ধারি না নিজের স্বার্থ চাই নিয়তি যে মারবে ছোবল সে ভাবনা নাই। কে কখন হারিয়ে যাবে বুঝা বড় ভার একটু সময় মিলবে না ভাই শমন আসবে যার। কেন তুমি করছো ভবে লুটোপুটির খেলা কেনইবা হানছো মাথায় বিচ্ছিন্নতার জ্বালা। খুঁজে ফির ধর্মের বিভেদ জাতির বিভেদ হেথা সকল নদীর জল বয়ে যায় সমুদ্র আছে যেথা। কত রক্ত নদীর বুকে নালার মত বয় পবিত্র অপবিত্র সকল জলই সমুদ্র তো সয়! মনটাকে বড়ো কর সমুদ্রের মতো উদার সকল মানুষ আপন করো পাইতে দিদার। উঁচুনিচু ধনী গরীব সবই খোদার দান একই সবার রক্ত মাংস একই সবার প্রাণ। তাপ চাপ সবার দেহে সমান অনুভব বিভেদ কেন সৃষ্টি করো সবার একই রব। মানুষ রূপে জনম মোদের কেউ আলাদা নয় সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ আমরা এই তো পরিচয়। সব মানুষকে সমান ভেবে সেবা করো যদি রহমতেরই বারিধারা ঝরবে নিরবধি।

সোনালী শরৎ

সোনালী শরৎ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৮/০৯/২০২১ শরতের আগমনে মাতোয়ারা মনটা শিউলি ও কাশফুলে অপরূপ রূপটা। প্রভাতে শিশির কণা ফুল থেকে ঝরে রবির কিরণ পড়ে চিক চিক করে। ফুলের সুবাস ভাসে হিমেল হাওয়ায় ফুলে ফুলে মৌমাছি গুনগুন গায়। ফুল কুড়াতে ছেলে মেয়ে যায় সারি সারি হিমের পরশ পেয়ে খুশি হয় ভারি। পদ্ম ফুল ফোটে থাকে জলের ডোবায় ফাঁকে ফাঁকে হাঁসগুলি ভাসিয়া বেড়ায়। কাদা নেই ধূলা নেই সোনালী সকাল তাইতো সকলে বলে ঋতুর রাণী শরৎকাল। কভু রোদ কভু মেঘ লুকোচুরি খেলা দেখিতে দেখিতে রূপ কেটে যায় বেলা। প্রখর রোদের তাপ কভু মেঘে ঢাকে কভুবা ধানের ক্ষেতে হাওয়া দোলা দেয় তাকে। নীলাকাশে সাদা বক ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে মাছরাঙা মাছ ধরে ঝাপ দিয়ে পড়ে। কৃষকের খুশি মন বরষার কাজ শেষ কুলবধূ জল তুলে মনোরম এ পরিবেশ। দূরে বসে রাখালিয়া বাঁশরীতে ধরে তান সোনালী শরৎ ঋতুর গেয়ে যায় জয়গান। আগমনী সুর উঠে মহালয়ার গানে সর্বত্র খুশির সাড়া জাগে প্রাণে প্রাণে। অপরূপ রূপ হেরি বাংলার মাঠে তাইতো আসিতে চাই ফিরে এই হাটে।

ভুলে যায় কেন?

ভুলে যায় কেন? হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৬/০৯/২০২১ শিক্ষক মানে জ্ঞানের প্রদীপ আলোর মশাল হাতে অন্ধ জনে পথ দেখানোর গুরু দায়িত্ব কাঁধে। শিক্ষক মানে সবসময়ই শুদ্ধ পথের দিশা যার পরশে সব মানুষের কাটে অমানিশা। শিক্ষক হলেন স্নেহের পরশ জীবন গড়ার সাথী যার শাসন আশীর্বাদ সম নেবো আঁচল পাঁতি। শিক্ষক হলেন জ্ঞান সমুদ্র অগাধ জ্ঞানের খনি যার পরশে হয় সকলে জ্ঞান বিজ্ঞানে ধনি। শিক্ষক মানে পথের দিশা নয়তো কোন পেশা জ্ঞান বিতরণ ধর্ম যে তার জ্ঞান পিপাসাই নেশা। আদর্শ এক শিক্ষক হলেন ছাত্রের পরম বন্ধু ন্যায় নীতির শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলেন সিন্ধু। শিক্ষকের শিক্ষা দানে কেউ হয় ডাক্তার কেউবা হয় ইন্জিনিয়ার কেউবা আবার দেশের চালক দেশের কর্ণধার। ভুলে যায় কেন মানুষ পাঠশালার সেই দিন শিক্ষক নামে অপবাদ দেয় ভুলে যায় তার ঋণ।

ভাগ্য রেখা

ভাগ্য রেখা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০২/০৯/২০২১ জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ মানুষ এ ধরার সভ্যতার চূঁড়ায় এসে গ্রহ নক্ষত্রের সম্পর্ক রেখে জ্যোতিষ শাস্ত্রে ভাসে। এ শাস্ত্রে পাথর ধাতুতে ভাগ্য নির্ণয় হয়। ফাড়া কাটার ফর্দ ও নাকি নিহিত আছে তায়। ভাগ্যরেখার বিশ্বাস এখনও শক্ত পুক্ত আছে ভাগ্যের উপর ভরসা রেখে হারতেও হয় পাছে। কঠিন রোগে এখনও অনেকে মুল্লা সাধু খুঁজে শেষ সময়ে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতালে যুঝে। কর্মফলই নিজের ভাগ্য কর্মই ভাগ্য রেখা শঠিক পথে শ্রম করে পাইযে সুখের দেখা।

ফিরে এসো নজরুল

ফিরে এসো নজরুল রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৮/২০২১ হে বিদ্রোহী বীর সৈনিক!  তোমার স্মরণে প্রদীপ জ্বালিয়ে খুঁজে ফিরি বার বার বকুলের মালা গেঁথে অশ্রুসিক্ত নয়নে ডাকি ফিরে এসো আবার। হে বাঙালির গণদেবতা! আজি এ দিবসে স্মরণ করি তব গান তব বাণী ,তব বলিষ্ঠ লেখনী যা নিয়ে বাঙালি গর্বিত মোরা কেমনে ভুলিব তা! হে বীর সৈনিক ধুমকেতু! তুমি নিপীড়িত মানুষের দেবতা নজরুল মোরা ভুলি নাই তব বিদ্রোহী রণডঙ্কা ভুলি নাই তব উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে তব সংগ্রাম দুহাতে মুক্তি বীণার ঝঙ্কার। আজও জাগিয়ে তোলে বাঙালির মনে চেতনা ও মৈত্রীর হুঙ্কার। হে মানবতার কবি! ধরায় আজ মানবতা লুণ্ঠিত হিংসা বিদ্বেষে জর্জরিত মানব কুল কে দেখাবে মুক্তির পথ? কে বাজাবে মুক্তি বীণার সুর! হে নিগৃহীত মানুষের কবি! দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে ওঠো শাণিত করে নিয়ে আসো তব খঞ্জর তোমার অভাবে আজ সব নিস্তব্ধ মোরা সব বন্দী আছি যেন পিঞ্জর। দেখে যাও মোদের ক্রন্দন রোল ফিরে এসো নজরুল।

প্রতিহিংসা

প্রতিহিংসা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৬/০৮/২০২১ ঝাপটে ধরে চিমটি কাটে এমন একটি প্রাণী সেই প্রাণীটি সবাই মোরা কাঁকড়া বলেই জানি। কভু যদি এই প্রাণীটির  একতা দেখতে চাও কয়েকটিকে একত্র করে  খাঁচায় পুরে নাও। দেখবে তুমি কেমন প্রীতি এদের মধ্যে আছে ঠিক যেমনটি আছে মোদের কিছু লোকের কাছে। যখন একটি বাঁচার তরে উঠে উপর পানে অন্যটি তখন জড়িয়ে ধরে নীচের দিকে টানে। এমন কিছু মানুষ আছে আমাদের এই সমাজে অন্যের ভালো চায়না তারা বলতে মরি লাজে। একজন যদি এগিয়ে যায় ভালো কাজ করে সঙ্গী সাথী কিছু মানুষ প্রতিহিংসায় মরে। লাভ কি ভাই এমন করে বুঝতে পারি নাই ভালো কাজে এগিয়ে যেতে সাহায্যের হাত বাড়াই। কেউ যদি এগিয়ে যায় সেতো আমার গর্ব প্রদীপ হাতে পথটি দেখাই মানব সেবাই স্বর্গ।

রাখি বন্ধন

রাখি বন্ধন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২২/০৮/২০২১ শ্রাবণী পূর্ণিমা তিথি       রাখি বন্ধন উদযাপন রীতি                 এ যে পৌরাণিক ও সামাজিক ডোর। ভাইবোনের অটুট বন্ধন     যেন দুই হৃদয়ের স্পন্দন                         নিয়ে আসে একতার সুর। আছে পৌরাণিক তত্ত্ব         আছে ঐতিহাসিক সত্য                             রাখি বন্ধনের তরে। বন্ধনের রাখি ভাই             রক্ষা করে বোন তাই                       এ চির সত্য অবনী 'পরে। জাতিধর্মের উর্ধে উঠে       ভাই বোনকে রক্ষায় ছুটে                             হায়রে প্রীতির বন্ধন। সে বন্ধন অটুট হোক              বি...

নৌকা বাইচ

নৌকা বাইচ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২০/০৮/২০২১ কত শত খেলা দেখি বাংলার হাটে মাঠে মনজুড়ানো খেলা যাহা দেখি নদীর ঘাটে। বর্ষা কালে নদীর জল ফুলেফেঁপে উঠে এসময়ের শ্রেষ্ঠ খেলা দেখতে সবাই ছুটে। নদীর জলে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ঢল দর্শনার্থী উভয় তীরে খেলা দেখার ছল। ভিন্ন ভিন্ন গ্রাম থেকে নৌকা নিয়ে আসে একেক দলের একেক নাম ঝান্ডা বসায় পাশে। সব দলই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সাথে খেলার সূযোগ পায় লিগ খেলার নিয়ম এটা এভাবেই খেলে যায়। ক্রমান্বয়ে চলে আসে ফাইন্যাল খেলার দিন তিন দলেতে ফাইন্যাল খেলা তা ধিন্ ধিন্ ধিন্। বৈঠা হাতে মাঝি মাল্লা টান মারে হেঁইয়ো এক সুরে হাঁকে সবাই আরো জোরে হেঁইয়ো। খেলা শেষে বিজয়ী দল আনন্দেতে নাচে খুশির তালে সমর্থকদের ঢাক ঢোল ও বাজে।

মহররম

মহররম হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৮/০৮/২০২১ মহররম চাঁদের দশ তারিখ  রক্তে বহে নদী নালা হাসান হুসেন শহীদ হন  স্মরণ করি কারবালা। বিশ্ব জুড়ে এ দিবসে শোকের হাওয়া বয় সত্য ও ন্যায়ের পতন এদিন বিধির নির্দেশেতেই হয়। হজরত মুহাম্মদ বিশ্ব নবী খোদার দোস্ত তাই কখন কি হবে জানতেন নবী খণ্ডানোর সাধ্য নাই। নবীর দৌহিত্র হাসান হুসেন কলিজার টুকরা তাঁর জানতেন নবী দুজনের মৃত্যু রহস্য বড়ই করুন বাহার। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির বিধান কে খণ্ডাতে পারে? সৃষ্টিকর্তা নিজেই জানেন মানুষ তা বুঝতে নারে। ষষ্টীসহস্র লোক নিয়ে হুসেন যাত্রা করেন কূফায় চেনা পথটি হারিয়ে সবাই পৌঁছেন কারবালায়। অপেক্ষাতেই ছিল সেথায় এজিদ-সীমারের দল সূযোগ নিয়ে করলো কাতেল হুসেনের দলবল। জল পিপাসায় কাতর শিশু জল নাহি পায় ফুরাত নদীর দখলদারি ছিল এজিদ সেনায়। নিষ্ঠুর বেইমান এজিদ সেদিন মানবতা হারায় কোলের শিশু সহ বাহাত্তর জন  শহীদ হন কারবালায়। নব বধূ স্বামী হারিয়ে  মাটিতে লুটায় আকাশ বাতাস পশু পক্ষী করে হায় হায়। সে আঘাতকে স্মরণ করতে কাঁদে মুসলমান দশই মহররম পালন করে নাশিতে শয়তান। দুঃখের সাথে সুখও এদিন সবাই স্মরণ করে এই দিবসেই সক...

সাম্যের গান

সাম্যের গান রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৫/০৮/২০২১ এসো সাম্যের গান গাই মানুষকে ভালবেসে যাই মানুষে মানুষে কোন ভেদ নাই মানুষকে ভালবাসি তাই। এসো সাম্যের গান গাই। এসো হিন্দু মুসলিম খৃষ্টান এসো বৌদ্ধ জৈন পার্শীয়ান মোরা রাখিব দেশের মান একতাই হোক মোদের শান। মোরা গাহি সাম্যের গান। মোরা ধার্মিক দেশের লোকজন মোদের ধর্মে বিশ্বাসী মন তাই আপন করে নিতে চাই মোরা মানুষের গান গাই। মোরা সাম্যের গান গাই। মোরা একতার বীজ বুনবো মোরা শান্তির পথে চলবো শান্তি বিনাশকারীর স্থান নাই মোরা শান্তি খুঁজি ভাই মোরা সাম্যের গান গাই। সকল ধর্মের এই দেশখানি মোরা ধর্ম যার যার মানি ধর্মের নামে মোরা লড়িনা অশান্তির পথে কভু চলিনা দেশের স্বার্থে মোরা কাজ করে যাই এসো সাম্যের গান গাই। মোরা শান্তির তরে পাতি হাত সব অশান্তি হোক ধুলিস্যাৎ তাই হাত জোড়ে ডাকি মোরা প্রভু কোন বিভেদ না করি যেন কভু মঙ্গলদীপ জ্বেলে যাই মোরা সাম্যের গান গাই এসো সাম্যের গান গাই। মানুষকে ভালবেসে যাই মানুষে মানুষে কোন ভেদ নাই মানুষকে ভালবাসি তাই মোরা সাম্যের গান গাই এসো সাম্যের গান গাই।