পোস্টগুলি

2021 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হেপ্পি নিউ ইয়ার

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-৩১/১২/২০২১ বর্ষ আসে বর্ষ যায়, তবু মোরা ফিরে চাই পুরাতন স্মৃতি ঘিরে যদি কোন সুখ পাই। সুখ দুঃখ হাসি কান্না, নিত্যই তো সহচর এমনি করে কেটে যায় জীবনের সারাটি বছর। তবু ফিরে দেখি, দুই হাজার একুশ সাল হিসেব নিকেষ শেষে হই যে বেহাল। কতো হাসি কতো ব্যথা, কতো দুঃখ কতো কথা কতো না পাওয়া, কতো হারানো বিষাদ ব্যথা দূর্যোগ মহামারীতে পুরোটা বছর ছিল বিষাদেই ভরা। মনে হয় যেন হারিয়ে ফেলেছি অতীত পরম্পরা। তবু মনে জাগে আশা, আসছে নতুন সাল হয়তো এবার ঘুচিতে পারে, বিশ্বের সে আকাল। হয়তো আবার নতুন ভাবে জাগিবে পুরো বিশ্ব সবার পরশে সবাই হাসিবে, রবেনা কেউ নিঃস্ব। রচিব আবার নতুন স্বপ্ন নতুন দিনের তরে সকলে মিলে কাজ করে যাবো, রবেনা কেউ পড়ে। রচিব আবার নতুন করিয়া উদয়ের জয়গান সবার পরশে সুন্দর হবো, মিলাব সুরের তান। পুরানো দিনের দুঃখকে ভুলে বাজাবো খুশির বীণ সকল ব্যথার হোক অবসান আসুক সে সুদিন। সৃষ্টি তো তার নিয়মেই চলে, তবু মনে থাকে আশা নতুন বছরে পাই যেন সবে, স্রষ্টার ভালোবাসা। যেখানে যত বন্ধু আছো গো, শুন মাই ডিয়ার শুভেচ্ছা জানাই প্রাণ খুলে আজি হেপ্পি নিউ ইয়ার।

চা বাগান

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৭/১২/২০২১ দিগন্ত জুড়ে ছেয়ে আছে চিরসবুজের পাহাড় তারি মাঝে উঁচুনিচু অপরূপ রূপের বাহার। আঁকাবাঁকা পথ ধরে সারি সারি গাছ শত শ্রমিকের সমারোহ তায় দূর থেকে করি আঁচ। কাঁধে ঝুড়ি হাতে শান রমনীরা ধরে তান গানের সুরে সুরে তুলে নেয় পাতা এতো বাগানের শান। দৃষ্টি নন্দন চাবাগান। চিরসবুজ বাগানের মাঝে মাঝে ঝরনা ও জলাধার নানা রঙের পশু পক্ষীর বিচরণ সে আধার। বিশ্ব নন্দিত আসামের চাবাগান চাপাতাও বিশ্বের সেরা যার গন্ধে মেতে উঠে মন সবার স্বপ্ন ঘেরা। আসাম ভূমির সম্পদ যেন বিধাতার অকৃপণ দান নয়নাভিরাম দৃশ্য বাহার জুড়ায় সবার প্রাণ। দৃষ্টি নন্দন চাবাগান।

বড়দিন

শিরোনামঃ বড়দিন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৫/১২/২০২১ ২৫শে ডিসেম্বর বিশ্ব মাঝে পবিত্র এক দিন চার্চ সেজেছে নতুন সাজে এলো যে বড়দিন। পবিত্র এ দিনটি আসে  একটি বছর পরে প্রভু যীশু কে স্মরণ করি বিশ্ব শান্তির তরে। আলোর রোশনা ঝরিয়ে পড়ুক হৃদয়ে হোক আলো প্রভু যেন দূর করে দেন সবার মনের কালো। এই দিবসে সবার প্রতি রইলো ভালোবাসা যীশুর দেখানো পথটাই হোক মোদের চলার ভরসা।

আহ্বান

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৫/১২/২০২১ জাগো হে নবীন জাগো হে প্রবীণ জাগো হে নওজোয়ান হিন্দু চাইনা মুসলিম চাইনা চাই এক ইনসান। বিশ্ব মাঝে রিক্ত আমরা পতিত মোদের জ্ঞাতি বিশ্ব জুড়ে হোক আমাদের একতার বলে খ্যাতি। বর্ণ চাইনা ভাষা চাইনা চাই শান্তির নীড় একতার তরে জড়ো হই যেন উঁচু করে নিজ শির। ধন চাইনা মান চাইনা চাই যে দেশের শান স্বদেশের তরে এক হই মোরা স্বার্থকে দিই কুরবান। হারাতে বসেছি দেশের সংস্কৃতি যা ছিল বিশ্বের সেরা জেগে ওঠো বীর দেশের সৈনিক দেশ যে অপশক্তিতে ঘেরা। জাগো হে সেনা জাগো হে ভক্ত জাগো হে অতন্দ্র প্রহরী দেশকে সবাই এগিয়ে নিয়ে যেতে উঠাই সুরের লহরী। ঘুচাই জড়তা ঘুচাই অন্ধত্ব ঘুচাই অন্ধ বিশ্বাস মন্দির চাইনা মসজিদ চাইনা চাই আত্ম বিশ্বাস। ফিরবে কবে জ্ঞানটা মোদের ফিরবে কবে চেতনা অন্ধ মনের বদ্ধ বিদ্বেষ  কভুও কি ঘুচবে না? জাগাও বিবেক বাঁচাও সংস্কৃতি বাঁচাও দেশের সভ্যতা। দূর হোক যত অপসংস্কৃতি দূর হোক স্বার্থান্ধতা।

টাকার আত্মকাহিনী

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৩/১২/২০২১ কাগজ থেকে জন্ম আমার বিরাট অট্টালিকায় সুখেই আমার জীবন চলে চলি নিরালায়। সবাই আমায় আদর করে আপন করার তরে এসব কথা ভেবে আমার গর্বে হৃদয় ভরে। আদর যত্নে জীবনটা যায় ঘুরি দেশ-বিদেশ কত বাবুর পকেট দেখি থাকার জায়গা বেশ। আলমিরাতে গোদরেজেতে সিন্দুকেতে ঠাঁই কভু আবার হাতে হাতে স্নেহের পরশ পাই। কেউবা আমায় রাখে বেঁধে দেহের গামছার আগায় দলিয়ে-মুচড়িয়ে শ্বাসরুদ্ধ হই কারো শাড়ির ডগায়। আদর সোহাগ পেয়ে ভাবি ধন্য আমার জীবন কথাটা তো ভুলেই গেলাম আছে আমার মরণ। এহাত সেহাত হতে হতে ক্লান্ত আমার জীবন দিনে দিনে কুৎসিত হলাম হারালাম যতন। নতুন টাকার ভিড়ে আদর কমলো দিনে দিনে সবাই আমায় সরাতে চায় কোনকিছু কিনে। এমনি করে জীবনটা মোর হলো বিভীষিকা তখন আমি বুঝতে পারি জীবনটা এক মরিচিকা। অবশেষে হলো আমার গর্বের অবসান ছেঁড়া নোংরা হয়ে ফেরৎ গেলাম জন্মস্থান। সারাজীবন টাকা হয়ে করলাম কত উপকার সেখানেই জ্বালিয়ে আমার করিল সৎকার।

সফলতার অন্তরালে

শিরোনামঃ সফলতার অন্তরালে রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০২/১১/২০২১ জীবন এক সংঘর্ষ,জয় করতে চাও? লড়াই করা শেখো, সামনে এগিয়ে যাও। হারজিত তো থাকবেই,উদাস হয়োনা বিফল হয়েছো?নিরাশ হয়ো না। ধৈর্য ধারণ করো, শক্তি সঞ্চয় করো বিফলতার কারণ খুঁজে বের করো। লক্ষ্যে স্থির থেকো, কলাকৌশল বদলে দেখো বিফল হলেও অনেক শিক্ষা পাবে, সেটা মনে রেখো বিফলতাকে ধরে নাও সফলতার প্রথম ধাপ যা দিয়ে করতে পারো নিজের পরিমাপ। পরের ধাপের জন্য প্রস্তুত হও অভীষ্ট লক্ষ্য তোমার অপেক্ষায়, এগিয়ে যাও। শুধু শক্তি দিয়ে হবে না, সহনশীল হও ভেঙ্গে পড়ো না, নিজের বিশ্বাসে যত্ন নাও। সমস্যায় তো তারাই পড়ে,যারা কাজ করে যারা কর্ম বিমুখ, তাদের স্থান নেই অবনী পরে। খারাপ সময় তো সবারই জীবনে আসে আত্ম বিশ্বাসে সময়টা কেটে যায় অনায়াসে। খারাপ সময় তো ভালোর ই সূচক দিন ও রাত্রি যেমন একে অপরের পরিপূরক। অন্ধকার না থাকলে আলোর মূল্য নেই দুঃখের পরেই তো সুখের দেখা পাই। বাস্তবকে বুঝো, নব রূপে স্বপ্ন দেখো সফলতা হাতের মুঠোয়,এ কথাটি মনে রেখো।

অশ্রু ঝরা কান্না

অশ্রু ঝরা কান্না হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৪/০৯/২০২১ একটি অনাথ পথ শিশু ক্ষুধায় কাতর দু চোখে অশ্রু। দিন শেষে রাত্রির অন্ধকার আপন মনেই বলছে, মাগো বড়ো বিচিত্র এই দুনিয়া ওরা আমায় খেতে দেয়না। বললাম আমি ক্ষুধার্ত তিনদিন হলো পেট ভরে খেতে পাইনা কেউ শুনলোই না।  অথচ আমার সামনে কুকুর কে দিয়ে এলো এক থালি ভাত। ওরা কুকুরের ক্ষুধা বুঝতে পারে। অথচ আমার মুখে কী বিষণ্ণতার ছাপ। ক্ষুধা তৃষ্ণায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। ওরা বিরক্তি বোধ করলো পাশ কেটে চলে গেল। দুচোখ বেয়ে অশ্রুধারা গড়িয়ে পড়লো কেউ তা দেখালো না। কি বিচিত্র তাইনা? ওরা সব দেখে। এদের দৃষ্টি শক্তি খুবই প্রখর। ওরা মানুষের পেটের ভিতরে কি আছে তা দেখতে পারে, মাটির নিচে কি আছে  তা দেখতে পারে। গ্রহ নক্ষত্রের ভিতর কি আছে,  তাও খুঁজে বের করতে পারে। শুধু দেখে না আমরা কি চাই,  দেখে না আমাদের অশ্রু ঝরা কান্না। ওরা জীবের অনুসন্ধানে গ্রহ গ্রহান্তরে খুঁজে বেড়াতে পারে। অথচ আশেপাশে কত অসহায় জীব না খেয়ে মরছে তা দেখে না। ওদের কাছে আমরা তো কোন জীবই না। ওরা মন্দির মসজিদ নিয়ে লড়াই করে ওখানে কোটি টাকা খরচ করতে পারে। অথচ আমার মতো হাজার হাজার মানুষ...

হয়তো আরো জ্ঞানী

হয়তো আরো জ্ঞানী হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৯/২০২১ জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ মানুষ এ ধরার নাচায় প্রাণীজগত পুতুল বানিয়ে রোবট বানিয়ে নাচায় ইচ্ছামতো। হাতী নাচায় বানর নাচায় আরো কতো কি নাচায় জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ বলেই তো মানুষ এত সব করে যায়। মানুষের মতো মানুষ হয়তো অন্য গ্রহেতে আছে মানুষও হয়তো পুতুলের মতো নাচছে তাদের কাছে। আমি নাচছি তুমি নাচছো নাচছে সারা দুনিয়া কেন নাচছি জীবন মরণ ভাবছো কি কেউ তা নিয়া? এমন কোন শক্তি হয়তো তাদের কাছে আছে যা দিয়ে তারা মানবকুলকে ইচ্ছা মতো নাচাচ্ছে। হেসোনা বন্ধু সত্যি বলছি হয়তো তারা আরো জ্ঞানী কোন সুদূরে বসে হয়তো নাচাচ্ছে এ পৃথিবী খানি।

পরিচয়

পরিচয় হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১২/০৯/২০২১ আসলে ভবে যেতে হবে সবই পড়ে রবে কঠিন এ ধরার রীতি জানা আছে সবে। তবু দেখি হিংসা বিদ্বেষ মনের মাঝে পুষে নিজ স্বার্থ আদায় করতে কত অঙ্ক কষে। ছল চাতুরী কুটিল বুদ্ধি শুধুই নিজের তরে মানবতা লুণ্ঠিত হয় সারাজীবন ধরে। মানবতার ধার ধারি না নিজের স্বার্থ চাই নিয়তি যে মারবে ছোবল সে ভাবনা নাই। কে কখন হারিয়ে যাবে বুঝা বড় ভার একটু সময় মিলবে না ভাই শমন আসবে যার। কেন তুমি করছো ভবে লুটোপুটির খেলা কেনইবা হানছো মাথায় বিচ্ছিন্নতার জ্বালা। খুঁজে ফির ধর্মের বিভেদ জাতির বিভেদ হেথা সকল নদীর জল বয়ে যায় সমুদ্র আছে যেথা। কত রক্ত নদীর বুকে নালার মত বয় পবিত্র অপবিত্র সকল জলই সমুদ্র তো সয়! মনটাকে বড়ো কর সমুদ্রের মতো উদার সকল মানুষ আপন করো পাইতে দিদার। উঁচুনিচু ধনী গরীব সবই খোদার দান একই সবার রক্ত মাংস একই সবার প্রাণ। তাপ চাপ সবার দেহে সমান অনুভব বিভেদ কেন সৃষ্টি করো সবার একই রব। মানুষ রূপে জনম মোদের কেউ আলাদা নয় সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ আমরা এই তো পরিচয়। সব মানুষকে সমান ভেবে সেবা করো যদি রহমতেরই বারিধারা ঝরবে নিরবধি।

সোনালী শরৎ

সোনালী শরৎ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৮/০৯/২০২১ শরতের আগমনে মাতোয়ারা মনটা শিউলি ও কাশফুলে অপরূপ রূপটা। প্রভাতে শিশির কণা ফুল থেকে ঝরে রবির কিরণ পড়ে চিক চিক করে। ফুলের সুবাস ভাসে হিমেল হাওয়ায় ফুলে ফুলে মৌমাছি গুনগুন গায়। ফুল কুড়াতে ছেলে মেয়ে যায় সারি সারি হিমের পরশ পেয়ে খুশি হয় ভারি। পদ্ম ফুল ফোটে থাকে জলের ডোবায় ফাঁকে ফাঁকে হাঁসগুলি ভাসিয়া বেড়ায়। কাদা নেই ধূলা নেই সোনালী সকাল তাইতো সকলে বলে ঋতুর রাণী শরৎকাল। কভু রোদ কভু মেঘ লুকোচুরি খেলা দেখিতে দেখিতে রূপ কেটে যায় বেলা। প্রখর রোদের তাপ কভু মেঘে ঢাকে কভুবা ধানের ক্ষেতে হাওয়া দোলা দেয় তাকে। নীলাকাশে সাদা বক ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে মাছরাঙা মাছ ধরে ঝাপ দিয়ে পড়ে। কৃষকের খুশি মন বরষার কাজ শেষ কুলবধূ জল তুলে মনোরম এ পরিবেশ। দূরে বসে রাখালিয়া বাঁশরীতে ধরে তান সোনালী শরৎ ঋতুর গেয়ে যায় জয়গান। আগমনী সুর উঠে মহালয়ার গানে সর্বত্র খুশির সাড়া জাগে প্রাণে প্রাণে। অপরূপ রূপ হেরি বাংলার মাঠে তাইতো আসিতে চাই ফিরে এই হাটে।

ভুলে যায় কেন?

ভুলে যায় কেন? হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৬/০৯/২০২১ শিক্ষক মানে জ্ঞানের প্রদীপ আলোর মশাল হাতে অন্ধ জনে পথ দেখানোর গুরু দায়িত্ব কাঁধে। শিক্ষক মানে সবসময়ই শুদ্ধ পথের দিশা যার পরশে সব মানুষের কাটে অমানিশা। শিক্ষক হলেন স্নেহের পরশ জীবন গড়ার সাথী যার শাসন আশীর্বাদ সম নেবো আঁচল পাঁতি। শিক্ষক হলেন জ্ঞান সমুদ্র অগাধ জ্ঞানের খনি যার পরশে হয় সকলে জ্ঞান বিজ্ঞানে ধনি। শিক্ষক মানে পথের দিশা নয়তো কোন পেশা জ্ঞান বিতরণ ধর্ম যে তার জ্ঞান পিপাসাই নেশা। আদর্শ এক শিক্ষক হলেন ছাত্রের পরম বন্ধু ন্যায় নীতির শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলেন সিন্ধু। শিক্ষকের শিক্ষা দানে কেউ হয় ডাক্তার কেউবা হয় ইন্জিনিয়ার কেউবা আবার দেশের চালক দেশের কর্ণধার। ভুলে যায় কেন মানুষ পাঠশালার সেই দিন শিক্ষক নামে অপবাদ দেয় ভুলে যায় তার ঋণ।

ভাগ্য রেখা

ভাগ্য রেখা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০২/০৯/২০২১ জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ মানুষ এ ধরার সভ্যতার চূঁড়ায় এসে গ্রহ নক্ষত্রের সম্পর্ক রেখে জ্যোতিষ শাস্ত্রে ভাসে। এ শাস্ত্রে পাথর ধাতুতে ভাগ্য নির্ণয় হয়। ফাড়া কাটার ফর্দ ও নাকি নিহিত আছে তায়। ভাগ্যরেখার বিশ্বাস এখনও শক্ত পুক্ত আছে ভাগ্যের উপর ভরসা রেখে হারতেও হয় পাছে। কঠিন রোগে এখনও অনেকে মুল্লা সাধু খুঁজে শেষ সময়ে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতালে যুঝে। কর্মফলই নিজের ভাগ্য কর্মই ভাগ্য রেখা শঠিক পথে শ্রম করে পাইযে সুখের দেখা।

ফিরে এসো নজরুল

ফিরে এসো নজরুল রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৮/২০২১ হে বিদ্রোহী বীর সৈনিক!  তোমার স্মরণে প্রদীপ জ্বালিয়ে খুঁজে ফিরি বার বার বকুলের মালা গেঁথে অশ্রুসিক্ত নয়নে ডাকি ফিরে এসো আবার। হে বাঙালির গণদেবতা! আজি এ দিবসে স্মরণ করি তব গান তব বাণী ,তব বলিষ্ঠ লেখনী যা নিয়ে বাঙালি গর্বিত মোরা কেমনে ভুলিব তা! হে বীর সৈনিক ধুমকেতু! তুমি নিপীড়িত মানুষের দেবতা নজরুল মোরা ভুলি নাই তব বিদ্রোহী রণডঙ্কা ভুলি নাই তব উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে তব সংগ্রাম দুহাতে মুক্তি বীণার ঝঙ্কার। আজও জাগিয়ে তোলে বাঙালির মনে চেতনা ও মৈত্রীর হুঙ্কার। হে মানবতার কবি! ধরায় আজ মানবতা লুণ্ঠিত হিংসা বিদ্বেষে জর্জরিত মানব কুল কে দেখাবে মুক্তির পথ? কে বাজাবে মুক্তি বীণার সুর! হে নিগৃহীত মানুষের কবি! দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে ওঠো শাণিত করে নিয়ে আসো তব খঞ্জর তোমার অভাবে আজ সব নিস্তব্ধ মোরা সব বন্দী আছি যেন পিঞ্জর। দেখে যাও মোদের ক্রন্দন রোল ফিরে এসো নজরুল।

প্রতিহিংসা

প্রতিহিংসা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৬/০৮/২০২১ ঝাপটে ধরে চিমটি কাটে এমন একটি প্রাণী সেই প্রাণীটি সবাই মোরা কাঁকড়া বলেই জানি। কভু যদি এই প্রাণীটির  একতা দেখতে চাও কয়েকটিকে একত্র করে  খাঁচায় পুরে নাও। দেখবে তুমি কেমন প্রীতি এদের মধ্যে আছে ঠিক যেমনটি আছে মোদের কিছু লোকের কাছে। যখন একটি বাঁচার তরে উঠে উপর পানে অন্যটি তখন জড়িয়ে ধরে নীচের দিকে টানে। এমন কিছু মানুষ আছে আমাদের এই সমাজে অন্যের ভালো চায়না তারা বলতে মরি লাজে। একজন যদি এগিয়ে যায় ভালো কাজ করে সঙ্গী সাথী কিছু মানুষ প্রতিহিংসায় মরে। লাভ কি ভাই এমন করে বুঝতে পারি নাই ভালো কাজে এগিয়ে যেতে সাহায্যের হাত বাড়াই। কেউ যদি এগিয়ে যায় সেতো আমার গর্ব প্রদীপ হাতে পথটি দেখাই মানব সেবাই স্বর্গ।

রাখি বন্ধন

রাখি বন্ধন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২২/০৮/২০২১ শ্রাবণী পূর্ণিমা তিথি       রাখি বন্ধন উদযাপন রীতি                 এ যে পৌরাণিক ও সামাজিক ডোর। ভাইবোনের অটুট বন্ধন     যেন দুই হৃদয়ের স্পন্দন                         নিয়ে আসে একতার সুর। আছে পৌরাণিক তত্ত্ব         আছে ঐতিহাসিক সত্য                             রাখি বন্ধনের তরে। বন্ধনের রাখি ভাই             রক্ষা করে বোন তাই                       এ চির সত্য অবনী 'পরে। জাতিধর্মের উর্ধে উঠে       ভাই বোনকে রক্ষায় ছুটে                             হায়রে প্রীতির বন্ধন। সে বন্ধন অটুট হোক              বি...

নৌকা বাইচ

নৌকা বাইচ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২০/০৮/২০২১ কত শত খেলা দেখি বাংলার হাটে মাঠে মনজুড়ানো খেলা যাহা দেখি নদীর ঘাটে। বর্ষা কালে নদীর জল ফুলেফেঁপে উঠে এসময়ের শ্রেষ্ঠ খেলা দেখতে সবাই ছুটে। নদীর জলে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ঢল দর্শনার্থী উভয় তীরে খেলা দেখার ছল। ভিন্ন ভিন্ন গ্রাম থেকে নৌকা নিয়ে আসে একেক দলের একেক নাম ঝান্ডা বসায় পাশে। সব দলই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সাথে খেলার সূযোগ পায় লিগ খেলার নিয়ম এটা এভাবেই খেলে যায়। ক্রমান্বয়ে চলে আসে ফাইন্যাল খেলার দিন তিন দলেতে ফাইন্যাল খেলা তা ধিন্ ধিন্ ধিন্। বৈঠা হাতে মাঝি মাল্লা টান মারে হেঁইয়ো এক সুরে হাঁকে সবাই আরো জোরে হেঁইয়ো। খেলা শেষে বিজয়ী দল আনন্দেতে নাচে খুশির তালে সমর্থকদের ঢাক ঢোল ও বাজে।

মহররম

মহররম হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৮/০৮/২০২১ মহররম চাঁদের দশ তারিখ  রক্তে বহে নদী নালা হাসান হুসেন শহীদ হন  স্মরণ করি কারবালা। বিশ্ব জুড়ে এ দিবসে শোকের হাওয়া বয় সত্য ও ন্যায়ের পতন এদিন বিধির নির্দেশেতেই হয়। হজরত মুহাম্মদ বিশ্ব নবী খোদার দোস্ত তাই কখন কি হবে জানতেন নবী খণ্ডানোর সাধ্য নাই। নবীর দৌহিত্র হাসান হুসেন কলিজার টুকরা তাঁর জানতেন নবী দুজনের মৃত্যু রহস্য বড়ই করুন বাহার। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির বিধান কে খণ্ডাতে পারে? সৃষ্টিকর্তা নিজেই জানেন মানুষ তা বুঝতে নারে। ষষ্টীসহস্র লোক নিয়ে হুসেন যাত্রা করেন কূফায় চেনা পথটি হারিয়ে সবাই পৌঁছেন কারবালায়। অপেক্ষাতেই ছিল সেথায় এজিদ-সীমারের দল সূযোগ নিয়ে করলো কাতেল হুসেনের দলবল। জল পিপাসায় কাতর শিশু জল নাহি পায় ফুরাত নদীর দখলদারি ছিল এজিদ সেনায়। নিষ্ঠুর বেইমান এজিদ সেদিন মানবতা হারায় কোলের শিশু সহ বাহাত্তর জন  শহীদ হন কারবালায়। নব বধূ স্বামী হারিয়ে  মাটিতে লুটায় আকাশ বাতাস পশু পক্ষী করে হায় হায়। সে আঘাতকে স্মরণ করতে কাঁদে মুসলমান দশই মহররম পালন করে নাশিতে শয়তান। দুঃখের সাথে সুখও এদিন সবাই স্মরণ করে এই দিবসেই সক...

সাম্যের গান

সাম্যের গান রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৫/০৮/২০২১ এসো সাম্যের গান গাই মানুষকে ভালবেসে যাই মানুষে মানুষে কোন ভেদ নাই মানুষকে ভালবাসি তাই। এসো সাম্যের গান গাই। এসো হিন্দু মুসলিম খৃষ্টান এসো বৌদ্ধ জৈন পার্শীয়ান মোরা রাখিব দেশের মান একতাই হোক মোদের শান। মোরা গাহি সাম্যের গান। মোরা ধার্মিক দেশের লোকজন মোদের ধর্মে বিশ্বাসী মন তাই আপন করে নিতে চাই মোরা মানুষের গান গাই। মোরা সাম্যের গান গাই। মোরা একতার বীজ বুনবো মোরা শান্তির পথে চলবো শান্তি বিনাশকারীর স্থান নাই মোরা শান্তি খুঁজি ভাই মোরা সাম্যের গান গাই। সকল ধর্মের এই দেশখানি মোরা ধর্ম যার যার মানি ধর্মের নামে মোরা লড়িনা অশান্তির পথে কভু চলিনা দেশের স্বার্থে মোরা কাজ করে যাই এসো সাম্যের গান গাই। মোরা শান্তির তরে পাতি হাত সব অশান্তি হোক ধুলিস্যাৎ তাই হাত জোড়ে ডাকি মোরা প্রভু কোন বিভেদ না করি যেন কভু মঙ্গলদীপ জ্বেলে যাই মোরা সাম্যের গান গাই এসো সাম্যের গান গাই। মানুষকে ভালবেসে যাই মানুষে মানুষে কোন ভেদ নাই মানুষকে ভালবাসি তাই মোরা সাম্যের গান গাই এসো সাম্যের গান গাই।

সোপান যদি পেতো

সোপান যদি পেতো হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১২/০৮/২০২১ নাচছি মোরা পদক পেয়ে করছি বিজয়োল্লাস দেড়শ কোটি লোকের দেশে নিচ্ছি মোরা খুশির শ্বাস। চাতক সম চোখটি নিয়ে  পথ পানে চাই আরও একটি সোনা যদি জিততে পারি তাই। খুশির মাঝে দুখের হাওয়া ঝাপটা দিয়ে যায় কতশত খেলা আছে সূযোগই না পায়। ভারত মাতার কত রতন পথে পথে ভাসে এরাও তো আনতে পারতো বিজয় মুকুট দেশে। জন্মের পরই শুরু হয় স্কুল শিক্ষার লড়াই খেলা ধুলা ব্যায়াম চর্চা এ সবেতে নাই। ক্রীড়ানুরাগ ছেলে মেয়ে গ্রামে গঞ্জে যত বিজয় মুকুট আনতো কেড়ে সোপান যদি পেতো। ক্রীড়ানুরাগ রত্ন গুলো সবাই মিলে খুঁজি দেশ নেতারা এগিয়ে আসুন সাথে নিয়ে পুঁজি। যোগ্যদেরে সোপান দিয়ে একটু তুলে ধরি সোনা রূপার পদক দেশে আসবে ভুরি ভুরি।

ভুলি নাই তব ছবি

ভুলি নাই তব ছবি হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৭/০৮/২০২১ বাইশে শ্রাবণ ঝরে আঁখি জল বাঙালির ঘরে ঘরে বিশ্বের কবি বাংলার রবি জাগ্রত সবার অন্তরে। এসেছিলে এ ধরনীর বুকে জ্ঞানের ভান্ডার নিয়ে দানিলে সবারে অকৃপণ হাতে প্রকাশিব কি দিয়ে? বাংলার সাহিত্যাকাশে তব বিপ্লব কাব্য-সঙ্গীত সম্ভারে সমৃদ্ধ থাকবে আজীবন বিশ্বের দরবারে। নহ শুধু কবি,হে দার্শনিক ঋষি তুমি বলেছিলে কবে "মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।" সত্যিই তুমি মানবের মাঝে  বেঁচে আছো এবং থাকবে। আষাঢ়ের মেঘে ছেয়েছে আকাশ অঝোরে ঝরছে বৃষ্টি ধারা এ বৃষ্টি তো বৃষ্টি নয় এ যেন বাঙ্গালীর অশ্রু ধারা। আজি এ দিনে প্রণমি তোমায় হে বিশ্বের কবি মোরা ভুলি নাই ভুলি নাই, ভুলি নাই তব ছবি।

নামের গুণে

নামের গুণে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০৭/০৮/২০২১ নবীর নামে দরুদ পড়ো পাইতে মনে শান্তি দরুদ পাঠে দুঃখ ভুলায় দূর হয় মনের ভ্রান্তি। ঐ নামের সাথে জড়িয়ে আছে পবিত্রতার ফুল ঐ নামের গুণে শুধরে যাবে নিজের যত ভুল। ঐ নাম জপলে দুঃখ ভুলায় কথা গুলো স্পষ্ট ঐ নামের গুণে শান্তি পাবো হইবনা তো নষ্ট। ঐ নামের গুণে আল্লাহ্ পাবো তাইতো তাঁকে স্মরি ঐ নামের গুণে সাজবে আমার পুলসিরাতের তরী। নবীর উম্মত ভালোবাসি মুখে ফুটাই হাসি যে হাসিতে আরস হাসে পূণ্য রাশি রাশি।

ব্যর্থ মানব

ব্যর্থ মানব হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৪/০৮/২০২১ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ আমরা তাইতো মোদের গর্ব। নিজ স্বার্থে ব্যস্ত থেকে অন্যকে করি খর্ব। নিজে যা করি ভালই করি তাতে কোন দোষ নাই অন্যেরা যা করে তাতেই ভুল সদাই দেখতে পাই। সকল প্রাণীর শ্রেষ্ঠ আমরা প্রাণীকেই মেরে খাই যদি নাই খাই তাতে আমরা পায়েতে দলিয়ে যাই। ইচ্ছায় অনিচ্ছায় কত যে প্রাণী ধ্বংসিছ জীবনে হায় একটি প্রাণীর প্রাণ কি কখনো দিতে পার তুমি তায়? ব্যর্থ মানব করোনা গৌরব সৃষ্টিতে তুমি দীন সকল প্রাণীকে ভালবেসে যাও শোধিতে প্রভুর ঋণ।

ভাবো গড়ার বেলা

ভাবো গড়ার বেলা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ৩১/০৭/২০২১ যা খুশি তা বানায় কুমার কাঁচা মাটি দিয়ে কলস বানায় মূর্তি বানায় মনের রূপটি নিয়ে। কাঁচা মাটি থাকতে তাহার মনে থাকে আশা গড়বে সে মনের মতো রূপটি হবে খাসা। শক্ত হলে মাটিতে আর তেমন লয়না জোড়া ফেটে গেলে নিজেই বলবে হায়রে কপাল পোড়া। মানবশিশু তেমনি এক কাঁচা মাটির ঢেলা যেমন করে গড়বে তুমি ভাবো গড়ার বেলা। সযতনে গড়ো তারে মানব রূপটি দিয়ে বড়ো হয়ে থাকে যেন মানব মনটি নিয়ে। দিন গেলে আর আসবে না দিন করোনা ভাই হেলা নিজের শিশু মানুষ করতে যায়না যেন বেলা।

আলোর খোঁজে

আলোর খোঁজে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৩/০৭/২০২১ এক ফালি বাঁকা চাঁদ আলো করে হাসে ছোট ছেলে কেঁদে কেঁদে অন্ধকারে ভাসে। দূর থেকে তারা বলে আমি দেবো আলো কেঁদোনা কেঁদোনা খোকা রবেনা তো কালো। হেনকালে জোনাকিরা আলো করে আসে বলে মোরা আলো দেবো আছি তব পাশে। মাটির প্রদীপ ছিল সেও এসে বলে আমিতো দিচ্ছি আলো কেন ভাব তাহলে? এদের এ কথা শুনে ছেলে শুধু হাসে মনে ভাবে আঁধারটা কেমনে বিনাশে। বলে খোকা আলো দেবে তোমরা কি ছাই দেখি আমি চেষ্টা করে যদি কিছু পাই। দিন যায় মাস যায় সাল ঘুরে আসে উদাস মনটি যেন সমুদ্রেতে ভাসে। পড়াশুনা চলে তার ভাবনার ফাঁকে এতই ভাবনা মনে কে পড়াবে তাকে? গাধা বলে স্কুল থেকে তাড়ালো যে তারে অবাধ্য শিশুর শিক্ষা মা'ই দিতে পারে। বয়সের সাথে সাথে ভাবনাটা বাড়ে দিবানিশি গবেষণা ঘুম নিদ্রা কাড়ে। অবশেষে সফল সে নিজ ভাবনায় চন্দ্র তারা হার মানে যার প্রচেষ্টায়। দূর হলো অন্ধকার জ্বালালো সে আলো সে ছেলেটি এডিশন জেনে রাখা ভালো।

আসছে খুশির ঈদ

আসছে খুশির ঈদ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২০/০৭/২০২১ বাঁকা চাঁদটা জানিয়ে দিল আসছে খুশির ঈদ নব উল্লাসে মিলবে সবাই ইসলামী তাগিদ। ঈদুল আযহা কোরবানির ঈদ জানে সর্বজন ত্যাগ মহিমাই আসল কথা ত্যাগই পূণ্যার্জণ। খোদার নামে পশু কোরবান বড়ো কথা নয় তার সাথে মনের শয়তান কোরবান করতে হয়। মনের পশু কোরবান হলে আত্ম শুদ্ধি হয় আত্ম শুদ্ধি হলেই ভবে মনে শান্তি রয়। কোরবানির আলো পৌঁছে দাও সবার ঘরে ঘরে কোরবানির ঈদ হাসি ফুটাক গরীব দুঃখীর অন্তরে। ভুলিয়ে দাও দুঃখ সবার  ইসলামী তাগিদ সবাই মিলে খুশি মানাই আসছে খুশির ঈদ।

সবই হবে মাটি

সবই হবে মাটি হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৬/০৭/২০২১ ধনসম্পদ জায়গা জমি নিরর্থক এই ভুবনে তবু মানুষ ছুটে কেন টাকাপয়সার পিছনে। আজ রাজা কাল ভিখারী এটাইতো রীতি কালের স্রোতে সব হেরে যায় থাকে শুধু প্রীতি। কতশত রাজা বাদশাহ এলেন আর গেলেন কেউ কি কোন সম্পদ কভু সঙ্গে নিতে পেলেন? জ্ঞানপিপাসুর জ্ঞানই ভবে অমর হয়ে থাকে আর থাকে ভাই মানবপ্রেম প্রীতি বলে যাকে। ডাক আসলে তো যেতেই হবে দুদিন আগে পরে মিছে কেন ছুটছি মোরা মোহ মায়ায় পড়ে। বিদ্যাশিক্ষা মানব প্রীতি এ দুটিই খাঁটি ধনসম্পত্তি সোনাদানা সবই হবে মাটি।

আলোর গুণে

আলোর গুণে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৩/০৭/২০২১ যা খুশি তা লিখলেই এখন হয়ে যায় কবিতা গল্প লিখে মধ্যে ভাগ সেটাও হয় আধুনিকতা। না পড়েও কমেন্ট করুন সেরা পাঠক হতে বাহবা বেশ ভালো লিখেছেন সন্দেহ নেই তাতে। সুখ-দুঃখ হাসি কান্না কবিতাতে থাকে একি রকম কমেন্ট থাকলে কেমন কেমন লাগে। লিখছেন যারা সবাই কবি সত্যিই লিখছেন ভালো পাঠক যারা কমেন্ট করেন লিখককে দেন আলো। আলোর গুণে লিখেন কবি রোজ ই কত কবিতা কমেন্টের আলো আছে বলেই সুন্দর লিখা হচ্ছে তা। ধন্যবাদ তাই সকল গ্রোপের সকল কবি পাঠককে সঙ্গে একটা অনুরোধ করি ভুল ত্রুটি টা ধরেন যে। পাঠক কবি ভুল না ধরলে সংশোধনটা হবে না সনদ পাবো লিখে যাবো কবিতো আর হবোনা।

এ কেমন ছলনা

এ কেমন ছলনা রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১১/০৭/২০২১ আষাঢ় মাসে রথের মেলা শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে দেশ-বিদেশে রথের মেলা নাচে সবাই আনন্দেতে। ছোট শিশু বায়না ধরে রথের মেলায় যাবে শহরেতে মেলা বসে কতো কিছুই পাবে। আকাশ জুড়ে কালো ছায়া মেঘ ভাসে ঐ গগনে দাদু বলছে যাবো মোরা বিকেল বেলার লগনে। দাদুর সাঁড়া পেয়ে খোকার খুশিতো আর ধরে না কতো কিছুই কিনবে সেথায় হিসেবে তো আর মিলেনা। রথের মেলায় শহরেতে সারি সারি দোকান বসে খেলনা পুতুল বেলুন বাঁশী কতো কিছুই কিনবে সে। যেইনা তারা উঠলো গিয়ে রথের গাড়ির পাশেতে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ল পড়লো শিশু ভাবনাতে। শুরু হল দৌড় ঝাঁপ বৃষ্টিতে যেন অন্ধ এক নিমিষেই হয়ে গেল দোকান পাট সব বন্ধ। মনের আশা মনেই রইল খেলনা কিনা হলোনা ভাবছে খোকা বরুণ দেব এ কেমন ছলনা।

অভাবের সংসার

অভাবের সংসার হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৯/০৭/২০২১ বেলা আট বাজে তখনও দিব্যি ঘুমে কোন চিন্তা ভাবনা নেই। স্বামীর এ রূপ দেখে গিন্নি হারিয়ে ফেলে কথার খেই। বলে, শোন গো মিনির বাপ তোমায় নিয়ে ভাবি যে দিবারাত্র কোন কাজ নেই ঘরে বসে আছ দেখেছো নিজের গাত্র? নাদুস নুদুস চেহারা হয়েছে কি আরামে আছ সেই এমন করে কতদিন চলে ঘরে যে খাবার নেই? অভাবের সংসার না খেয়ে থাকি আমার তো অভ্যেস আছে দুধের শিশু, কাল থেকে উপুস একথা বলি কার কাছে? কথাটা শুনে জ্বলে উঠে স্বামী যেন তেলে ভাজা কই মনে ভাবে, লকডাউনে ঘরে আছি বলে এত কথা কেমনে সই? হুঙ্কার দিয়ে বলে স্বামী, যা তোর বাপের বাড়ি আনগে হাজার দশেক টাকা। নচেৎ ফিরে আসবিনা আর আমিও হলেম বাঁকা। গিন্নির রাগে সপ্তমে চড়ে গলা বলে চললাম তবে,থাকো মেয়েকে নিয়ে আসবোনা আর ফিরে,তব জীর্ণ কুটিরে। যদি পারো করে নাও আবার বিয়ে। বেচারি চলে যায় কাঁদতে কাঁদতে কুলের শিশুকে রেখে পুরোটা রাস্তা হেঁটে চলে সে স্মৃতির দর্পনে দেখে। পাঁচটা বছর হয়ে গেল বিয়ের সুখের মুখ দেখেনি কভু এমনি করে আরো তিন বার টাকা এনেছে তবু! এত নির্যাতন স্বামীর ঘরে না খেয়ে ও থাকলো কতো পদে পদে খোঁটা, বৃথা আস্ফালন নির্যাতন কতশ...

ছোট বেলার সাথী

ছোট বেলার সাথী হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৩/০৭/২০২১ শুয়ে শুয়ে ঝিমুচ্ছিলাম বৃষ্টিমুখর দিনে রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে স্মৃতি ভাসে মনে। ঝিমুচ্ছিলাম নয়ন বুজে দেখি, মেঘবালিকা পাশে বললো আমায় যাবে নাকি অচিন মেঘের দেশে? বললাম আমি নিশ্চয়ই যাবো অনেক ইচ্ছা আছে তুমি আমায় সঙ্গে নেবে ফেলবে নাতো পাছে? ভয় কেন ভাই আমি তো সেই ছোট বেলার সাথী মনে আছে সবুজ মাঠে খেলতাম দিবারাতি? আবার সে হেসে বলে আমি তোমার সেই বৃষ্টি যার কারণে করেছিলে নতুন কাব্যের সৃষ্টি। দুজন মিলে ঘুরতে যাবো সেই রাস্তার বাঁকে এমন সময় ঘুম ভাঙ্গলো গুড়ুম গুড়ুম ডাকে।

কেউ মরেনা ভুখে

কেউ মরেনা ভুখে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০৫/০৭/২০২১ পথের ধারে জীর্ণ কুটির এক বৃদ্ধার বাস একা একা থাকে সেথায় কষ্টের বারো মাস। জিজ্ঞেস করলাম ক্যামনে খাও এই যে বুড়ি মা বললো হেসে দাঁত দেখিয়ে কষ্ট শুনিস না। দুটি ছেলে একটি মেয়ে কেউ নেই মোর পাশে নিজের নিজের সংসার নিয়ে সবাই দূরাবাসে। বয়স এখন আশির কোঠায় কাজও পারি না যাকে পাই তাকেই বলি সাহায্য করে যা। ছেলে মেয়ে হারিয়েও আমি অনেক কিছু পেলাম তাদের কোন দোষ দেইনা সবই বৌ'দের গোলাম। তবু বাবা দোয়া করি থাকুক ওরা সুখে খোদার সৃষ্ট এ সংসারে কেউ মরে না ভুখে। খোদা তালা জীবের আহার দুনিয়া জুড়ে দিছে কার খাবার কোথায় আছে খুঁজতে হবে নিজে।