পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নবীর আগমনে (গজল)

: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ২৮/০৪/২০২২ মা আমেনার কোলটা জুড়ে  ফুটলো দ্বীনের ফুল সে ফুল আমার প্রিয় নবী  মোহাম্মদ রাসুল।। দয়াল নবীর আগমনে  আলোকিত ত্রিভুবনে ফেরেশতারা গান ধরিলো  আঁধার হলো দূর। মোহাম্মদ রাসুল। মা আমেনার কোলটা জুড়ে ফুটলো দ্বীনের ফুল সে ফুল আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ রাসুল।। মা আমেনার নয়ন মনি,   দুজাহানের বাদশা তুমি তোমার নামে দরুদ পড়ি,  নাই যে তোমার তুল। মোহাম্মদ রাসুল। মা আমেনার কোলটা জুড়ে ফুটলো দ্বীনের ফুল সে ফুল আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ রাসুল।। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু  জপো মুমিন গনে শান্তি ফিরে এলো ধরায়  নবীর আগমনে ফেরেশতারা খুশি হয়ে  গাইলো তোমার গুণ। মোহাম্মদ রাসুল। মা আমেনার কোলটা জুড়ে ফুটলো দ্বীনের ফুল সে ফুল আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ রাসুল।।

মহিমান্বিত রাত

  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৪/০৪/২০২২ হুকুম খোদার সৃষ্টিতে তাঁর বিশ্ব নবীর শানে হে রাসূল পড়ুন আপনার স্রষ্টা প্রভুর নামে। ঘোষিত হলো রব যে মহান তিনিই মেহেরবান আপন মহিমায় মহিমান্বিত তিনি সবারে করেন ত্রাণ। পড়িলেন নবী স্রষ্টার নামে হইলেন মহাজ্ঞানী অকৃপণ হাতে দানিলেন খোদা পবিত্র কোরআন খানি। মহিমান্বিত রাতে বাড়ালেন হাত সকল বান্দার তরে ঘোষণা করলেন মুক্তির পথ পবিত্র কোরআন 'পরে। সিয়াম সাধনা করো হে মোমিন খুঁজতে শবে কদর রাত হাজার ফেরেশতা পাঠান প্রভু করতে কবুল পাপ নাজাত দানের ভাণ্ডার খুলে দেন খোদা কোরআন নাযিলের এ রাতে যার যাহা চাই খুঁজে নাও সবে গভীর ধ্যান আর ইবাদতে।

এসো হে বৈশাখ

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ১৫/০৪/২০২২ স্মৃতির অতলে মুছে যাক সব দুঃখের দিন নববর্ষের আগমনে সবার জীবনে বাজুক সুখের বীণ। গাছে গাছে ফুটুক আবার নতুন কুঁড়ি ভ্রমর উড়ুক সেথা নব কলতানে পৃথিবী সাজুক আবার নতুন সাজে হে নব বৈশাখ! তব আগমনে। হে রুদ্র বৈশাখ! তব ঝঞ্ঝার বাঁয়ে সব ভেদাভেদ যাক ভেসে তব রুদ্র রূপ মুছে দিক সব মলিনতা এসো হে বৈশাখ! এসো হেসে। নতুন বছরের নতুন আলোকে উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন জাগ্রত হোক মানবিক মূল্যবোধ আলোকিত হোক এ ভুবন। পুরাতন মর্মব্যথা ধুয়ে মুছে যাক হে রুদ্র বৈশাখ! তব আগমনে। সব দুঃখ ভুলে গিয়ে নতুন স্বপ্ন আঁকি নববর্ষের এ শুভ ক্ষণে। হে নব বৈশাখ! সব বাঙালির আহ্বান তব অপেক্ষার হোক অবসান নব প্রভাতের রবির কিরণে আলোকিত করে, পুলকিত কর মার্জিত কর সবারে।

জীবন যুদ্ধ

: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০৬/০৪/২০২২ চৌমাথার ওই পাশেই আছে আক্কেল আলীর ঘর বৃষ্টি বাদল আসলেই তা করে নড়বড়। আক্কেল আলী গরীব অতি দুঃখের নেই শেষ ভাঙ্গা ঠেলা ই সম্বল তার চালায় অনিমেষ। মা হারা এক ছেলে বিনে আর কেউ নেই ঘরে দিবানিশি একই চিন্তা ক্যামনে মানুষ করে। কার কাছে রেখে যাবে কে দেখিবে হায় তাইতো তাকে সদাই সে সঙ্গে নিয়ে যায়। বাবার স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া  ছেলেটাকে নিয়ে প্রাইভেট স্কুলে ভর্তি করে  অনেক টাকা দিয়ে। শ্রমের মাঝে চিন্তার ভাঁজ  ঝরে মাথার ঘাম বুক বাঁধে এই সান্ত্বনাতে  ছেলে রাখবে নাম। নিজের জীবন এমনি গেল  ঠেলা চালিয়ে ভাই ছেলে একদিন চাকরি পাবে  মনের আশা তাই। আক্কেল আলী ঠেলায় করে  ছেলেকে দেয় স্কুল দিনের শেষে ফেরৎ নিতে  হয়না কভু ভুল। ঠেলায় বসেই ছেলেটি তার  হোম ওয়ার্ক করে ঘরে পৌঁছে বাবার কাজে  হাত বাড়িয়ে ধরে। দিন যায় মাস যায় বছর ঘুরে আসে প্রতিবার ই সোনা ছেলে টপার হয় ক্লাসে। অবশেষে আক্কেল আলীর স্বপ্ন হয় সাকার ঠেলাওয়ালার ছেলে হলো নাম করা এক ডাক্তার। জীবন যুদ্ধে এমনি করে লড়তে পারে যারা তারাই হয় সফল ভবে সার্থক হয় তারা।