পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সফল যারা হয়

পারবে কি মন শীত সকালে  বরফ জলে হাঁটতে, ফুটপাতের ওই শিশুর মতো খালি গায়ে থাকতে। পারবে কি তুই মোমের মতো  পরের তরে জ্বলতে, পারবে কি তুই সারা জীবন  সত্য পথে চলতে। পারবে কি তুই পাহাড় সম  মনটা বড়ো করতে, পরের তরে জীবন দিয়ে  পরের তরে লড়তে। এসব কথায় ভয় পেয়ে তুই  পালাস কেন দূরে, হেরে যাওয়ার হতাশা তো  থাকবে হৃদয় জুড়ে। ঝেড়ে ফেল ওই হতাশাটা  ভয় তো সবার থাকে, সফল যারা হয় এ ধরায় জীবন বাজি রাখে।

দাদুর কাণ্ড

রসের হাঁড়ি ফোকলা দাদুর  অভাবের সংসার, তবু থাকে সর্বক্ষণ হাসি মুখটি তার। কষ্টেসৃষ্টে চলে জীবন  চায়না বেশি কিছু, পেশির গরম দেখায়না সে থাকে মাথা নিচু। শোকের মাঝে সুখের হাসি  শিশিরে টলমল, দাদুর গল্পে মিশে থাকে  মিষ্টি রসের ছল। দিবালোকে স্বপ্ন দেখে  পরীর দেশে যায়, মন খুশিতে কাজের ফাঁকে  গুনগুন গান গায়। শীত গ্রীষ্ম সমান চলে  বারান্দাতে বসে, ফাঁকা দাঁতে পান চিবোতে  গাল বেয়ে যায় রসে। হাসতে হাসতে নাতি নাতনি  দেখে দাদুর কাণ্ড, পানের রসে দাদুর ধুতি  হয় যে লণ্ডভণ্ড।

হাঁটতে পথে

খোকন সোনা স্কুল যাবে  রাস্তায় ভিড় ভারি, কখন জানি কি হয়ে যায়  ক্যামনে দেবে পাড়ি। এপাশ থেকে ওপাশ যেতে  গাড়ি চাপার ভয়, নিয়ম কানুন না জানলে  হবে জীবন লয়। তাইতো বলি এসো খোকা  থাম একটুখানি, রাস্তা ঘাটে চলাফেরার  নিয়ম নীতি জানি।  হেডফোনে গান বাজালে  শুনবে না তো হর্ণ, একটু ভুলেই থেমে যাবে  হৃদয়ের স্পন্দন। হাঁটার সময় বাঁয়ে হাঁটো  ফুটপাত টা খুঁজো, নিয়ম মানলে বাঁচবে জীবন  সেই কথাটা বোঝো। ট্রাফিক সিগন্যাল দেখে চলো এদের অর্থ বোঝো, ডানে বাঁয়ে তাকিয়ে দেখো জেব্রা ক্রসিং খুঁজো। লাল বাতিতে থামতে হবে  হলুদে প্রস্তুত হও, সবুজ বাতি জ্বাললে পরে  রাস্তা পার হও।

খুঁজি মাগফিরাত

পাপী উম্মত উদ্ধারিতে কাঁদে নবীর প্রাণ, তাইতো ধরায় নাযিল হয় পবিত্র কোরআন। যাহার মাঝে নিহিত আছে মুক্তি পাওয়ার দিশা, তওবা কর ইবাদত কর দূর কর অমানিশা। ত্যাগ ও সংযমের মাস পবিত্র এ রমজান,  শেষ দশে তার নাযিল হয় পবিত্র কোরআন। নবী বলেন ' খুঁজো সে রাত মুক্তি পাওয়ার তরে, তাইতো মুমিন শুদ্ধ চিত্তে কদর তালাশ করে। হাজার রাতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ কদরের এক রাত, এসো সবে হাত জোড় করে খুঁজি মাগফিরাত। পাপে তাপে ডুবে গেছি ওহে মালেক সাঁই, তোমার করুণা ছাড়া মুক্তি পাবার নাই। রহমতের দরজা খুলে পবিত্র এই রাতে, দোয়া কবুলের রাত এ যে সন্দেহ নেই তাতে। নসিব হোক কদরের রাত দূর হোক যত ভ্রান্তি, নিয়ে আসুক সবার জীবনে শান্তি ও মুক্তি।

কদরের রাত

পাপী উম্মত উদ্ধারিতে কাঁদে নবীর প্রাণ, তাইতো নাজেল হয় পবিত্র কোরআন। যাহাতে নিহিত আছে মুক্তির দিশা, তওবা কর ইবাদত কর কাটাও অমানিশা। ত্যাগ ও সংযমের মাস পবিত্র রমজান, তার শেষ দশে নাজেল পবিত্র কোরআন। হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কদরের এক রাত, হাত জোড় করে সবে খুঁজি মাগফিরাত। পাপে তাপে ডুবে গেছি ওহে মালেক সাঁই, তোমার করুণা ছাড়া মুক্তি তো নাই। রহমতের দরজা খুলে পবিত্র এ রাতে, দোয়া কবুলের রাত এ যে সন্দেহ নেই তাতে। নসিব হোক কদরের রাত দূর হোক যত ভ্রান্তি, নিয়ে আসুক সবার জীবনে শান্তি ও মুক্তি।

নবীর শানে ( ইসলামী সংগীত)

সারা জীবন গেল আমার দিন দুনিয়ার টানে, কি নিয়ে দাঁড়াব আমি হাশরে মিজানে।।২ মত্ত হইয়া ভবের হাটে, ভুলে রইলাম আখেরাতে, পারের কড়ি কিছুই কিনলাম না । পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে, পার হইব কেমনে। কি নিয়ে দাঁড়াব আমি হাশরে মিজানে। সারা জীবন -------------------------------------।। ধন দৌলত আত্মীয় স্বজন, সঙ্গে কিছুই যাবে না , পাপ পুণ্যের সঙ্গের সঙ্গী, কেউ তো আমার হবে না, এখন ভাবি কেন রইলাম,  মিছে মায়ার বন্ধনে। কি নিয়ে দাঁড়াব আমি হাশরে মিজানে। সারা জীবন ------------------------------------।। শাফায়াতের কাণ্ডারি নবী, দু জাহানের বাদশা যিনি,  দিবেন কাউসারের পানি, তাঁহার নামে দরুদ পড়ি, মাফ চাইলে মাফ করিবেন, বলছেন কোরানে। কি নিয়ে দাঁড়াব আমি হাশরে মিজানে।। সারা জীবন -------------------------------------।।

ক্ষমা করো হযরত

অশান্ত পৃথিবীর শান্তির দূত  হে নবী হযরত! তোমার কারণে সৃষ্টি এ ধরা  খুঁজি তব রহমত, ক্ষমা করো হযরত। সংসার মোহে ডুবেছি আঁধারে  দেখিনি সঠিক পথ, লোভে লোভাতুর বাসনা কামনায়  ভুলে গেছি তব মত, ক্ষমা করো হযরত। মুক্তির বার্তা এনেছিলে তুমি  দীর্ঘ সাধনা করে, স্রষ্টার সে আরাধনা সৃষ্টির সেবা  মম অধরা অবনী পরে। ভাবনাতে মরি কে ধরিবে তরী তুমি বিনে নাহি পথ, ক্ষমা করো হযরত। জীবন সায়াহ্নে কেঁদে মরি হায়  যেতে হবে পরপার, দাঁড়াবো কেমনে প্রভুর সামনে  আমি পাপী গোনাহগার। শেষ বিচারের কাণ্ডারি তুমি  চাই তব রহমত, ক্ষমা করো হযরত।

হোলি

প্রকৃতিতে রং লেগেছে  কী অপরূপ সাজ, চারিদিকে রঙের খেলা  শুভ হোলি আজ। শিমুল পলাশ রঙে রাঙা  রঙিন অলিগলি, ছেলে মেয়ে নারী পুরুষ  খেলছে সবাই হোলি। লাল আবিরে আকাশ বাতাস  মুখরিত পাড়া, উঁচু নিচু ধনী গরিব  পাই যে সবার সাড়া। সব জড়তা কাটবে এবার  রঙের নেশার ঘোরে, একে অন্যে আপন করে  বাঁধবে প্রেমের ডোরে। রঙের উৎসব নয়তো শুধু  আবির নিয়ে খেলা, সম্প্রীতি আর ভালোবাসার এ যেন এক মিলন মেলা। প্রীতি প্রেমের রঙে যদি  সাজাতে পারি মন, সবাই মিলে গড়বো আবার  সুন্দর এ ভুবন।

বাংলার হাটে

বসন্তের আগমনে পাখিকুল গায়, নীলাকাশে সাদা মেঘ ভাসিয়া বেড়ায়। পাতা ঝরা গাছপালা কুঁড়ি নিয়ে জাগে, তাই দেখে কবিগন পড়ে অনুরাগে। মড়মড় ধ্বনি দিয়ে পাতা উড়ে যায়, গাছপালা তরুলতা মেঘের আশায়। ফুল ফোটে শাখে শাখে মন ভরে দেখি, জ্যোৎস্নায় বালুচর করে ঝিকিমিকি। প্রকৃতি সুন্দর রূপ সুশোভিত লাগে, তাইতো সবার মনে প্রেম প্রীতি জাগে। সমীরণে ভেসে থাকে ফুলের সুবাস, তারি ঘ্রাণে দোলা দেয় মনের আবাস। রাখালিয়া আনমনে বাঁশরী বাজায়, রমণীরা নদী ঘাটে জল ছলে যায়। পথ পাশে উড়ে যায় ধূলা রাশি রাশি, ফোটা ফুলে মাছি করে গুঞ্জন হাসি। কোকিলের কুহু রবে মুখরিত পাড়া, কৃষকের কাজ নেই নেই কোন তাড়া। পাঠ শেষে শিশুগণ খেলা করে মাঠে, অপরূপ রূপ দেখি বাংলার হাটে।