পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রিয় লালা রুরেল কলেজ

শিরোনাম: প্রিয় লালা রুরেল কলেজ  রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর (প্রাক্তন জেনারেল সেক্রেটারি তথা সহ-সভাপতি, লালা রুরেল কলেজ) গ্রামীণ গরীব ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার আঁধার, এ যে সেই লালা রুরেল কলেজ, মনে পড়ে বারবার। শিক্ষা লাভের শ্রেষ্ঠ এ ক্যাম্পাস আপন কর্মে মহীয়ান, জন্ম লগ্ন থেকে আজো যার সেই ধারা বিরাজমান। স্মরণ করি তাঁহাদেরে আজি এ ডায়মন্ড জুবিলির দিনে, কলেজটি প্রতিষ্ঠা করলো যারা সেই মহৎ গুণীজনে। ত্রিদিপ ধর হারুছ উদ্দিন ভুপেশ দেব আরো যারা করেছেন সংস্থাপন, মনোরঞ্জন সিনহা জহরলাল সেন, এঁদেরে সবাই করছে স্মরণ। কলেজের প্রতিটি ধূলি কণাই সংস্থাপক শিক্ষকদের প্রাণ, যৎসামান্য প্রাপ্তির ৩৩ শতাংশ করতেন তাঁরা কলেজেই দান। এলাকাবাসীর অকৃপণ দান স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে ইতিহাসে, আজ তারা পুরানো বইয়ের ভাঁজে স্মরণ করি অবকাশে। প্রিয় ক্যাম্পাস, তুমি আমার ভালোবাসা, করেছি যে কত আনাগোনা, তোমার সবুজ মাঠ কাঁচা পাকা ঘরে করেছি কত পড়াশোনা। জেনারেল সেক্রেটারি হয়ে মিলেছি সব স্যারেদের সাথে, আবার সহসভাপতি হয়ে পেয়েছি বন্ধু সুলভ আচরণ তাতে। তোমার বুকে থেকে করেছি লড়াই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে, সে লড়াইয়ের সফল ...

রক্তে রাঙানো একুশে

 বাংলা মায়ের গগন কাঁপানো চিৎকারে জেগে ওঠে বাঙালির দল, মুখের বুলি কেড়ে নেবে ওরা, কারা,  কার আছে হেন বাহুবল? সাজিয়ে প্রহরী বাজিয়ে রণডঙ্কা এগিয়ে চলে বীর সেনানী, রক্ষিতে হবে বাংলা মায়ের গর্বের সে ভাষা খানি । মায়ের আশীষে লড়লো বাঙালি ছিনিয়ে আনতে বাংলার অধিকার , ভিন ভাষীর খঞ্জরে তাই খুন হলো রফিক বরকত সালাম জব্বার। চোখেতে অশ্রু মুখে ফুটে তবু হাঁসি ফিরে পেয়ে নিজ ভাষা, গর্বিত মা গর্বিত বাঙ্গালী ছেলেরা অমর খাসা। বিশ্ব বাঙালি স্মরিছে আজিও তাদের সে বলিদান, রক্তে রাঙানো একুশে তাইতো করজোড়ে করি শহীদের সম্মান।

মাটিই হবে ঠিকানা

 মাটির মানুষ হয়েও মোমিন সেই মাটিরে চিনলা না আজকে মরলে কালকে তোমার মাটিই হবে ঠিকানা রে, মাটিই হবে ঠিকানা।। মাটির মানুষ হয়েও-----------------------------।। সুখের স্বপ্নে আছ বিভোর করছো ঘরবাড়ি, কখন জানি ডাক আসিবে যাইতে হবে সব ছাড়ি।২ মোহ মায়ায় মত্ত রইলা স্রষ্টা কভু চিনলা না, কড়ির খোঁজে জীবন গেল পারের কড়ি কিনলা না। মাটিই হবে ঠিকানা রে মাটিই হবে ঠিকানা। মাটির মানুষ ------------------------------------------।। যাদের নিয়ে করছো বড়াই মরলে তারা চিনবে না চোখের সামনে জ্বলবে তবু কেউ কখনো কাঁদবে না।২ মিছে মায়ায় বন্দী রইলায় খোদার কালাম দেখলায় না সকল পাপের হিসাব নিবেন একদিন দয়াল রাব্বানা। মাটিই হবে ঠিকানা রে মাটিই হবে ঠিকানা।। মাটির মানুষ ---------------------------------------------।। জন্মের পরে আজান শুনলে ঘুরলে সারা দুনিয়ায়, সে আজানের নামাজ হবে তোমার লাশের জানাজায়।।২ ক্ষণিকের এই জীবন তোমার বেঁধে দিল রাব্বানা মাটির দেহ মাটি পাবে মাটিই হবে বিছানা।। মাটিই হবে ঠিকানা রে মাটিই হবে ঠিকানা। মাটির মানুষ --------------------------------------------।।২

প্রেম কি সর্বনাশে?

 অবুঝ মনে প্রেম জাগাতে তুললি প্রেমের ঢেউ, মনটা আমার কেড়ে নিলি দেখলোনা তা কেউ। নিজ প্রেম সব বিলিয়ে দিয়ে শূন্য হৃদয় খাঁচা, এতদিন তো ভাবতাম শুধু তোমার তরে বাঁচা। তুমিই যখন হারিয়ে গেলে চাওয়াটা আর কিসের, ক্ষণে ক্ষণে ভাবছি শুধু হাসিটাই যে বিষের। যতই ভাবি ভাববো না আর পোড়ামুখীর হাসি, ভালোবেসে চলে গেল দুঃখ রাশি রাশি। ঘুমের ঘোরে আঁধার রাতে কেনইবা সে আসে, জেগে ওঠে তাইতো ভাবি প্রেম কি সর্বনাশে?

অটুট বন্ধন

 দুটি প্রাণ এক হয়                বিবাহ বন্ধনে, সুখে দুখে পাশে থেকে         হয় ভালোবাসা, দুয়ে মিলে গড়ে তুলে          কাঁচা ঘর খাসা। অনন্ত অসীম তাহা             জানে সর্বজনে। তেমতি মোদের প্রেম             অসীম অনন্ত, ঘর ভাঙা ঝড় কত               এলো আর গেলো, আজো তবু আছ প্রিয়          দিয়ে মোরে আলো। হৃদয়ে অটুট আজো             সেই সে বসন্ত। বাকিটা জীবন যেন              থাকি পাশাপাশি, দুই দেহ এক হয়ে                  নিয়ে মুখে হাসি। তুমি আছো বলে রাজে          হৃদয়ে বসন্ত, জীবনে সার্থক মোরা              আমার বিশ্বাস, পেয়েছি যে প্রেম তার             নে...

মুক্তির সওগাত

 বিশাল বিত্ত ভাণ্ডার তবু উপবাস থেকো, দীন বেশে চলো বোঝো জীবনের মান , এর ই নাম রমজান। বছর জুড়ে জমকালো ভোজ করছো এখানে সেখানে, কত লোক আছে খাবার জুটে না সে কথা কি আছে জ্ঞানে? বিধির বিধান খুলে দেখ রাজ আমা সবাকার 'পরে, অনাহারী হয়ে থেকে দেখ ভাই কেমন জঠরে ধরে! বোঝাতে সে কথা হুকুম খোদার ফিরে এলো রমজান, আত্মশুদ্ধি কর, সংযমে থেকো ত্যাগ তিতিক্ষাই ইসলামের শান। বৎসর শেষে আসে তাই রোজা নিয়ে মুক্তির সওগাত, সকল বিধান মেনে চল ভাই খুঁজে ফের মাগফিরাত।

আশায় আশায় ( সঙ্গীত)

ফুলের হাসি ভ্রমর বুঝে     তাইতো তারা সে ফুল খোঁজে                 গুনগুনিয়ে ফুলের পানে ধায়। আমায় তুমি বুঝবে কবে     সেই অপেক্ষায় আছি তবে                আশায় আশায় দিন কেটে যায়। সূর্য উঠার রঙিন প্রাতে         বৃষ্টি ছাড়া জোছনা রাতে                 মনটা কেন তোমায় পেতে চায়। মনটা তোমার বড়ই সরস      তাইতো চাই একটু পরশ               সেই আশাতে মনটা থেকে যায়। তোমার ফুলের বাগান মাঝে      কত নাগর ভ্রমর সাজে              পাবো কি আর তোমার বুকে ঠাই। তোমার মুখে হাসির কালে       যেন ফুলের সৌরভ ঢালে            কবে যে পাব তোমায় তাও জানা নাই। রোজ নিশিথে স্বপ্ন মাঝে        তোমায় দেখি রঙিন সাজে            সারা নিশি থাক আমার প...

বন্দী জীবন

খাঁচায় বন্দী বনের পাখি বন্দী তাহার মন, খোলা আকাশ হাতছানি দেয় উড়তে সারাক্ষণ। সবুজ বন আর গাছ গাছালি মুক্ত যেথা প্রাণ, বন্দী জীবন কেড়ে নেয় তার চিত্ত সুখের গান। সোনার বেড়ি লোহার খাঁচায় বন্দী করে খ্যাতি, মিথ্যা প্রীতি ভালোবাসা দেখায় মানব জাতি। প্রাণী মাত্রেই মুক্তি চায় চায় যে স্বাধীনতা, খাঁচায় বন্দী করে কেন বাড়াও ব্যাকুলতা। বনের পাখি বনেই সুন্দর বনেই শোভা পায়, যেমন সুন্দর মানব শিশু মায়ের আঁচল ছায়।

তুচ্ছ যেথায় কর্ম

অলস অবোধ নেই ভাবনা চায়না কোন সৃষ্টি, পরের সম্পদে সদাই থাকে স্বার্থ লোলুপ দৃষ্টি। জন্ম থেকেই কর্ম বিমুখ ফাঁকি দেওয়া যার স্বভাব, যতই পায় আরো বেশি চায় যায়না তাহার অভাব। লোভ লালসা হীনমন্যতা কুরে কুরে তারে খায়, বিবেকের বাণী কেঁদে যায় পথে সমাদর নাহি পায়। ভিক্ষা বৃত্তি সে তো অপরাধ ঘোষিত সকল ধর্মে, সুখটা কোথায় খুঁজে দেখ ভাই শ্রম দিয়ে গড়া কর্মে। তাইতো বলি হও সচেতন পরজীবী থেকো না আর, জাগাও বিবেক বাঁচাও সভ্যতা জয় হোক মানবতার। ভিক্ষা যেথায় সহজ লভ্য তুচ্ছ যেথায় কর্ম, শিক্ষা সেথায় যায় রসাতলে লাঞ্ছিত হয় ধর্ম।

মাতৃ দিবস

বিয়ের পর থেকেই রেহানা ঘর সংসার নিয়ে এতই ব্যস্ত যে কোথাও বেড়াতে যাওয়া তো দূরের কথা বাবার বাড়িতে যাওয়ারও সময় সে পায় না। শ্বশুর বাড়িতে দেবর ননদদের নিয়ে সাত আট জনের পরিবার। এতবড় সংসারে সবার খাবার রান্না করতেই তার দিন শেষ হয়ে যেতো। তার উপর যখন যার যা কিছুর প্রয়োজন রেহানারই ডাক পড়তো। সেও মুখবুজে সব সহ্য করে চালিয়ে যেত। প্রথম প্রথম তার খুব কষ্ট হতো তাই মাকে গিয়ে বলতো, ' মা, আমি আর পারছি না। সারাদিন রান্নাবান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তিন তিনটা ননদ। কিন্তু কেউ কোন কাজে হাত দেয় না। বরং তাদেরও কাপড় চোপড় আমাকে ধৌত করতে হয়।' সব শুনে মা বলতেন,' নারীর জীবনটাই এরকম। একটু মানিয়ে নিতে হবে।' স্বামী সাজেদুর খুব সহজ সরল। সে জানে এতবড় সংসারের সমস্ত কাজ রেহানাকে একা সামলাতে হয়। তবু কিছু করার নেই। বোন গুলো তাদের নিজেদের পড়া নিয়েই ব্যস্ত থাকে। সে সবসময় রেহানাকে বলতো একটু কষ্ট করে কোন রকম কয়েকটা বছর চালিয়ে যাও। মা-বাবা আর কদিন আছেন। তাঁদের সেবা তো করতেই হবে। বোন তিনটির তো বিয়ে হয়ে যাবে, এরপর তো সংসারের ঝামেলা অনেক কমে যাবে।  দিন গড়িয়ে যায়। সারাদিন রান্নাবান্না ...

তুমিই মহান ( সঙ্গীত)

ও--আ--ও--ও মোর শিক্ষা গুরু, তোমার দ্বারা জীবন শুরু।২ তোমার স্নেহের পরশ পেয়ে ধন্য হলাম।   তোমায় আজি জানাই প্রণাম।।২ এ জগতে তুমিই মহান।। তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম। জ্ঞান সাগরের রত্ন তুমি, তাইতো তোমার চরণ চুমি।২, তোমার দেওয়া আশীর্বাদে মানুষ হলাম,  তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম। এ জগতে তুমিই মহান।। তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম। শিক্ষক মানে জ্ঞানের আলো-- যার পরশে দূর হয় সব মনের কালো।২ শিক্ষা লাভে হয় যে সবার অজ্ঞতার অবসান।। তুমিই মহান,  তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম।।২ শিক্ষক কভু নয় বিবাদী, সদাই তারা সাম্যবাদী, নেই ভেদাভেদ নেই যে তফাৎ , তোমার কাছে সবাই সমান  তাইতো এ বিশ্ব মাঝে তুমিই মহান।  তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম।।২ তুমি যুগযুগ ধরে মানুষ গড়, জ্ঞান গরিমায় ঋদ্ধ কর সমাজটাকে মসৃণ কর, চাও না প্রতিদান। তুমিই মহান। তাইতো তোমায় জানাই প্রণাম।।২ জানাই প্রণাম।

দূষণ হাওয়ায় ( সঙ্গীত)

ও--ও---প্রকৃতিতে বিষছে বায়ু,     কমছে  সবার আয়ু  দূষণ হাওয়ায়, দূষণ হাওয়ায়।।২ মন তাই উড়ু উড়ু --      বুকটা দুরুদুরু ক্যামনে বেঁচে থাকা যায়।।২    মরছি দূষণ হাওয়ায় মরছি দূষণ হাওয়ায়, মরছি দূষণ হাওয়ায়।। মানুষে গাছ কাটিয়ে,     চলছে ঘর সাজিয়ে ভাবেনা ভবিষ্যত উপায়।।২    মরছি দূষণ হাওয়ায়।। ও--ও--প্রকৃতিতে বিষছে বায়ু      কমছে সবার আয়ু দূষণ হাওয়ায়।। মানুষের এমন কাজে,     ধ্বংসের বাজনা বাজে প্রকৃতি কেঁদে কেঁদে যায়।।২   বিষাক্ত হাওয়ায়।। ও--ও--প্রকৃতিতে বিষছে বায়ু    কমছে সবার আয়ু দূষণ হাওয়ায়।। পলিথিনের রঙের খেলা।২     বিষছে সারা বেলা।।২ প্লাস্টিকের কালো ধোঁয়া২    বিষিয়ে দেয় হাওয়া।২ ব্যথা ভরা প্রকৃতি তা,        পারে না বয়ে নিতে তাইতো ব্যথা সবে পায়।২   দূষণের হাওয়ায়।২ মরে দূষণের হাওয়ায়।২  ও--ও--প্রকৃতিতে বিষছে বায়ু  কমছে সবার আয়ু দূষণ হাওয়ায়।।২