পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দাও ফিরে সে উদ্যান

 হিফজুর রহমান লস্কর প্রকৃতির কোলে            শৈশব খেলে                  যেন মুক্ত বিহঙ্গ। কতনা সাধন                মানেনা বাঁধন                 দিনভর শুধু রঙ্গ। মনে খোলা মাঠ           ছেড়ে যায় পাঠ              দুরন্ত দূর্বার শৈশব। দিনভর খেলা            সাথী আছে মেলা               নেই কোন অনুভব। ধূলো কাঁদা মাটি         তাই যেন খাঁটি               সাধের সে খেলাঘর। করে লুটোপুটি           ছেলেমেয়ে জুটি               খেলে যায় বরাবর। যত সব ঝগড়াঝাঁটি     নিমেষেই হতো মাটি                ছিলনা হিংসা বিদ্বেষ। কাজেরও নেই তাড়া...

সত্যের সন্ধানে

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর পৃথিবীটা পূর্ণ আছে কতশত জ্ঞানে তবুও রয়েছি মোরা এখনও অজ্ঞানে। খুঁজে ফেরো বিশ্বমাঝে ঐসকল তত্ত্ব এখনও নিগূঢ় আছে যে সকল সত্য। অতি ক্ষুদ্র প্রাণী বলে যারে কর হেলা তার মাঝে খুঁজে দেখ জ্ঞান আছে মেলা। কভুও লড়েনা তারা নিজেদের মাঝে দিবানিশি ব্যস্ত থাকে নিজ নিজ কাজে। শাসন শোষণ নেই, নেই কোন যন্ত্র পিঁপড়াও দিয়ে যায় একতার মন্ত্র। প্রকৃতি উদার সদা মানবের 'পরে তাইতো সকল সৃষ্টি ভোগ করে নরে। গাছপালা তরুলতা ফলমূল শাঁখে খাবার যোগান সহ ছায়া দিয়ে রাখে। দিঘি জল টলমল নদী ধারা বহে মানব কল্যাণে থেকে দূষণটা সহে। বায়ু সদা দিয়ে যায় বাঁচার মন্ত্রনা  প্রতিদানে দেই মোরা দূষণ যন্ত্রনা। বাগানে ফুলের কলি সুগন্ধ ছড়ায় নিঠুর মানব তারে পায়ে দলে যায়। কাকের কর্কশ রব ঘৃণা কর তারে নোংরা ময়লা যত সে-ই সাফ করে। প্রকৃতি সুন্দর রূপ ভরে মন প্রাণ আমরা পারিনা দিতে ইহার সম্মান।

মুক্তিযুদ্ধ

হিফজুর রহমান লস্কর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ          বর্ণনে কণ্ঠ রুদ্ধ                   আজও মনে ভাসে ছবি। স্বার্থাণ্বেষীর আক্রমণে   হিংস্র পশু হার মানে                   দূর থেকে অনুভবি। ঘুমে অচেতন                  মানিক রতন                  রমণীরা এলোকেশে। রাতের আঁধার               পাক হানাদার                 হামলা চালায় দেশে। সম্ভ্রম বাঁচাতে নারী   করে শুধু আহাজারি                কত যায় মূর্ছনায়। কোলে নিতে বাছাধন    তুলে নেয় উপাধান                হায়রে নারী সমুদায়। তবুও বাঁচেনি ওরা        হয়ে যায় সর্বহারা                 পাক হায়েনা...

কুমির ও কাঁকড়া

রচনা হিফজুর রহমান লস্কর কুমির ও কাঁকড়া মিলে নিত্য খেলা করে নদীর ঘাটে মেলা মেশা থাকে বালুচরে। সেই ঘাটেতে বসত করে আরও একটি প্রাণী আড় চোখেতে দেখে ওদের নয়তো বেশি জ্ঞানী। নিঃশব্দে সে হেঁটে চলে গুটি গুটি পায়ে শত্রু দেখলে মুখটি লুকায় নিজের কঠিন গায়ে। কুমির আর কাঁকড়া যখন রোদ পোহাতে যায় সেই প্রাণীটি উঁকি দিয়ে ওদের দেখতে পায়। নদীর ঘাটে কাঠের নীচে লুকিয়ে বসে ভাবে একলা পেলে কাঁকড়াটাকে মনের সুখে খাবে। হেনকালে  এক শিকারী মাছ ধরতে আসে কুমিরের পিঠে কাঁকড়া উঠে পালায় অনায়াসে। যাবার সময় ডুব দিল ঐ কাঠের আঙিনায় শিকারীটি দৌড়ে গিয়ে জাল ফেললো তায়। মাঝ নদীতে ভেসে ওরা খিলখিলিয়ে‌ হাঁসে চেয়ে দেখে চারপায়ীটা কেমন করে ফাঁসে। শিকারীটি শিকার নিয়ে চলে আপন ধাম বলতে পারো জালে পড়া সেই প্রাণীটির নাম।

জ্ঞানের আঁধার

হিফজুর রহমান লস্কর প্রকৃতির কোলে            শৈশব খেলে                  যেন মুক্ত বিহঙ্গ। কতনা সাধন                মানেনা বাঁধন                 দিনভর শুধু রঙ্গ। মনে খোলা মাঠ           ছেড়ে যায় পাঠ              দুরন্ত দূর্বার শৈশব। দিনভর খেলা            সাথী আছে মেলা               নেই কোন অনুভব। ধূলো কাঁদা মাটি         তাই যেন খাঁটি               সাধের সে খেলাঘর। করে লুটোপুটি           ছেলেমেয়ে জুটি               খেলে যায় বরাবর। যত সব ঝগড়াঝাঁটি     নিমেষেই হতো মাটি                ছিলনা হিংসা বিদ্বেষ। কাজেরও নেই তাড়া  ...

স্মার্টফোন

 হিফজুর রহমান লস্কর স্মার্টফোন আর নেটওয়ার্কের বিশ্বজুড়ে যোগান নিঃসন্দেহে বলতে পারি সভ্যতার শ্রেষ্ঠ সোপান। স্মার্টফোনের আগমনটা ভালো কিবা মন্দ  সে কথাটি ভাবলে পরে মনে লাগে ধন্দ। যেদিন থেকে এ ফোনটি এলো সবার হাতে  বিশ্ব এলো হাতের মুঠোয় সন্দেহ নেই তাতে। অনলাইনে পড়াশোনা খেলাধুলা আদান প্রদান হয় আত্মীয়তা বন্ধুত্ব ভালোবাসা কিছুই বাকি নয়। অজানাকে জানার তরে স্মার্টফোনটা চাই দূরের মানুষ পাশে আসে তাও দেখতে পাই। স্মার্টফোনের গুণের কথা বলবো কত আর ভালো মন্দের মিশ্রণ নিয়েই সকল আবিষ্কার। ভালোর চেয়ে খারাপ দিকে থাকে সবার আকর্ষণ কত ছেলে বিপথে যায় কিনতে একটা স্মার্টফোন। স্মার্টফোনটা কেড়ে নিল সাধের ভালোবাসা আপন জনকে পাশে পাওয়া এ যেন এক দুরাশা। অনলাইনে ব্যস্ত সবাই কেউ নেই কারো পাশে আপন সবাই দূরে সরে তাইতো অনায়াসে। পড়াশোনায় বসে শিশু শুরু করে খেলা ভবিষ্যতটা নষ্ট হচ্ছে করোনা ভাই হেলা। নানা রকম কু দৃশ্য সব থাকে নেটের মাঝে কোমল মতি শিশু কিশোর তাতেই বিরাজে। সংযমী হও স্মার্টফোনে হয়োনা কভু অধীর হারিয়ে যাবে দৃষ্টি শক্তি হবে যে ভাই বধির। স্মার্টফোনের ব্যবহারটা সেদিন সার্থক হবে যেদিন সবাই ...

অমর

হিফজুর রহমান লস্কর জীবন নামক রথের যাত্রা শূন্য থেকে শুরু, গন্তব্য স্থল কোথায় আছে কেউ জানেনা পুরো। যোগ বিয়োগ আর হিসেব-নিকেষ চলে জীবন ভর, সে হিসেবের ফলটা ভারী হয় যে আপন পর। অধিক হিসেব করতে গিয়ে পায়না খুঁজে পথ, তবু সবাই অঙ্ক কষে চালায় জীবন রথ। সকল অঙ্কের হিসেব মিলবে হলে জীবন শেষ, ভাগফলটা থেকে যাবে থাকবে না ভাগশেষ। অবুঝ মনে বুঝে নাও তাই বেঁচে থাকার হাল, থাকবে ধরায় কর্মগুলোই অমর চিরকাল।