পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভাষার গভীরে

পাহাড় ঝর্ণা সাগর নদী চলে সে আপন বেগে, চলতে চলতে পথ হেরে যায় ঘনঘটা কালো মেঘে। রূপ দেখে তার সবাই বলে যৌবন নাকি এলো, নিজের রূপে নিজেই তারা বুঝে যে নিজের কালো। গুণগুণ স্বরে গান গায় অলি মৌমাছি ফুলে ধায়, বোঝেনা তো কেউ গোপন ব্যথা নিহিত আছে যে তায়। প্রেম করে ওরা লীন হতে চায়, হারাতে চায়না কভু! ঝরে যায় ফুল উদাস অলিকুল, সহে সে বেদন তবু। মনের আবেগে লিখে যায় কবি ভাবনার সব কথা, বোঝেনা তা কেউ কেমনে প্রকাশে আপন মনের ব্যথা। কবির সে কলম বুঝতে হলে ভাবার ক্ষমতা চাই, কোথাও সুখ কোথাও দুখ ভাষার গভীরে ঠাঁই। ভেবো না কেউ অলিক সে কথা শুধুই কথার ভীড়ে, মর্ম কথা খুঁজে দেখ ভাই কিবা আছে তার নীড়ে। প্রকৃতির রূপে কবির কলম দিশাহীন ভাবে চলে, ভাবনায় কবি তাইতো সবার মনের কথা বলে। সৃষ্টির আঁধারে খুঁজে চলে সদা খুলিতে রুদ্ধ দ্বার, কল্পনাতে পায় বাস্তব দিশা লিখে যায় সারা সার।

ভালোবাসাই পরম প্রাপ্তি

সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর বাড়িতে এসে আবার শাশুড়ির বকুনি খেতে খেতে নিজের জীবনের উপর বিতশ্রদ্ধ রিমি, কি করবে ভেবে উঠতে পারছিল না। একদিকে অফিসের হাড়ভাঙা খাটুনি তার উপর কোলের শিশু আর অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে সংসারের সমস্ত কাজকর্ম রান্নাবান্নায় অতিষ্ঠ হয়ে এক এক সময় মনে হয় আর বেঁচে থেকে লাভ কি?     সেদিন অফিস থেকে ঘরে ফিরতেই শাশুড়ির ঝাঁঝালো সুর কানে এলো," এই হাড় কাঁপানো শিশুকে নিয়ে আমি আর পারছি না। একে সঙ্গে নিয়ে অফিসে যেয়ো আর না হয় অন্য কোন ব্যবস্থা কর। আমাকে বরং একটা হাতি কিনে দিলে রাখতে পারব কিন্তু একে রাখা আমার দ্বারা সম্ভব না।" রিমি নিরবে সব সহ্য করে। রাতে ফোনে রোহনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলল। কিন্তু তাতে কোন লাভ হল না। সে বলল," তোমার বেতন আছে, টাকার তো অভাব নেই। তবে অসুবিধা হবে কেন?" স্বামী রোহনের কাছে টাকাই সব। নিজ ব্যবসা নিয়ে সে এতটাই ব্যস্ত যে ফোনে কথা বলার সময়ও সে পায় না। ব্যবসা নিয়ে কখন কোথায় যায় তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসলে কারণে অকারণে কথা কাটাকাটি আর অশান্তি। রিমি নিজের কোন কথারই মূল্য পায় না।  এদিকে অফিসের সব সহকর্মী জে...