পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আশা

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২০/০১/২০২২ চঞ্চল মানব মন            ভয়ে ভীত সারাক্ষণ                কাঁটা হেরি পদে পদে। জরা মৃত্যু সঙ্গী হায়           শুধুই যাতনা ময়                  হায়রে জীবন নদে! যত চায় সুখ               তত পায় দুখ                 নিজ বাসনার তরে। এ কেমন বিধি            রচিছ যে নিয়ম নিধি                 বুঝেনা অবুঝ নরে! রচিছ যে মায়া জাল        চমৎকার ইন্দ্রজাল                  বিস্তারিছ দয়াহীন ভবে। জন্ম থেকে মৃত্যুবধি      খুঁজে থাকে নিরবধি                তব তত্ত্ব কভু কে পায় কবে? সংসারের মোহমায়া        লোভ লালসা নিত্য কায়া  ...

যেদিন আমি হারিয়ে যাব

যেদিন আমি হারিয়ে যাবো হিফজুর রহমান লস্কর ২৮/০১/২০২২ চোয়ান্নটা বসন্ত পেরিয়ে পঞ্চান্নতে পা। সকল বন্ধুর Wish পেয়ে মনে পড়লো তা। ভালোবাসার বন্ধনে আজ বিশ্বের সবাই আপন জন। সবার কাছে তাইতো খুঁজি মানবিক এক বন্ধন। যেদিন আমি হারিয়ে যাবো এই পৃথিবীর বুকে খুঁজবে কি কেউ সেদিন আমায় থাকবে আপন সুখে। যদিও কারো মনে পড়ে ছিলাম মনের কোণে এক নিমিষেই হারিয়ে যাবো নতুন প্রেমের টানে। বন্ধু বান্ধব কবিতা সব এমনি পড়ে রবে। যদিও যেতে চাইনা আমি তবুও যেতেই হবে। শুধু আমায় মনে রেখো জীবন নদীর বাঁকে। অল্পদিনের দেখা যেন অমর হয়ে থাকে।

আশার আলো

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৬/০১/২০২২ ২৬ শে জানুয়ারী উনিশশো পঞ্চাশ স্বাধীন ভারতের সে এক দিন জনতাই দেশ নির্মাতা জনতাই মহান ঘোষিত হলো সেই দিন। তিন বৎসরের বিরল প্রচেষ্টায় প্রকাশ পেল সংবিধান মোরা ভারতবাসী তা গ্রহণ করলাম পথ চলার আদর্শ সোপান। আকাশে বাতাসে উড়লো তেরঙ্গা নিয়ে এলো আশার আলো বিভেদ ঘুচিল সমতা আসিল জনগণ সব ক্ষমতা পেলো। শত শহীদের রক্ত বলিদান সার্থক করেছে স্বাধীনতা। তাদের স্মরণে প্রতিজ্ঞা করি হতে দেবোনা আতঙ্কি দাঙ্গা। এ দেশের বুকে বয়ে চলে সদা গঙ্গা যমুনার পবিত্র ধারা। শান্তি সম্প্রীতির অটুট বন্ধন মন্দির মসজিদ গির্জা গুরুদ্বারা। সবারে নিয়ে সবার পরশে রক্ষা করিব দেশের স্বাতন্ত্র। সদা উঁচু থাক মোদের তেরঙ্গা স্বার্থক হোক দেশের গণতন্ত্র।

শিশু দিবস

  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৪/১১/২০২১ অশান্ত এই পৃথিবীর দুষিত বাতাস শিশুর নিঃশ্বাসকে করছে অবরুদ্ধ। জরাজীর্ণতায় আবদ্ধ শিশু, বিপন্ন ওর জীবন। ওর জন্য চাই একমুঠো নির্মল বায়ু চাই আত্মতৃপ্তিতে একটু নিঃশ্বাস। শিশুর তো কোন জাত নেই, নেই কোন ভেদাভেদ স্বার্থমগ্ন সমাজটা বিষিয়ে দেয় ওর মন। মনুষ্যত্ব হীন মানুষের ভিড়ে দগ্ধ শিশু, অন্ধকারে নিমজ্জিত, ক্ষতবিক্ষত অনাদরে অবহেলায় জর্জরিত। প্রতিটি মানুষের ই তো আছে সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার। কেন শিশু বঞ্চিত হবে সে অধিকারে? আমরা কি পারিনা ওর জন্যে  একটু সুস্থ পরিবেশ তৈরি করতে? আমরা কি পারিনা, ওকে তার মতো সহজ সরল নিষ্পাপ বড়ো হতে দিতে? শিশুর নিরাপত্তা তো জাতির কর্তব্য! হায়রে মানবতা!  আজও বন্ধ হয়নি শিশুশ্রম, শিশু নির্যাতন।  আজ ১৪ই নভেম্বর  পালন করছি মোরা ' শিশু দিবস'  বেশ এদের কথা কি একটু ভাববো সবিশেষ? আজকের দিনের অঙ্গীকার হোক তাই সবার হৃদয়ে যেন হয় শিশুদের বেদনার ঠাঁই।

ছলনা

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১২/১১/২০২১ ছোট ছেলে মা'কে বলে যাবে নিমন্ত্রণ পাশের বাড়ির উৎসবেতে বিশাল আয়োজন। জিলিপি আর মন্ডা মিঠাই, কার্টুন ভরা সন্দেশ সকাল থেকে আসছে মানুষ, দেখছি আমি বেশ। দেরি হলে পাবো কি আর প্রিয় কোরমা পোলাও চলোনা মা খেয়ে আসি দই মিষ্টি তাও! বড়ো ঘরের আলোক সজ্জা মন মাতানো দৃশ্য মায়ের বুকে আঘাত করে হায়রে অদৃশ্য। গরীব বলে অবহেলা পেলো না নিমন্ত্রণ কেমন করে রাখবে সে যে ছোট্ট শিশুর মন। অশ্রু ভরা নয়ন যুগল আঁচল টেনে ঢেকে বলে মায়ে মনের দুঃখ বুকের মাঝে রেখে। এত বড়ো উৎসব বাবা মোদের জন্য নয় বেশি ভালো খাবার খেয়ে যদি কিছু হয়? মায়ের রূপ দেখে ছেলে সবই বুঝলো এবে বলে আলোর ঝিলমিলিতে চোখের ক্ষতি হবে। মা ও ছেলের এই ছলনা কেউ দেখলো না ভবে অদৃশ্যেতে থেকে সবই দেখলো শুধু রবে।

করো জ্ঞান অন্বেষণ

হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১১/১১/২০২১ জ্ঞান পিপাসুর জ্ঞান                 হয়না কভু ম্লান                       সকল শাস্ত্রে পাই। জ্ঞানীর কলমের কালির মূল্য     শহীদের রক্ত তুল্য                        জ্ঞানের ক্ষয় নাই। ভালো মন্দ বুঝার তরে        শিক্ষা নাও অবনী পরে               ‌‌       শিক্ষা ই দেয় সফলতা। জ্ঞান ই হলো নীরব অস্ত্র     খুঁজে দেখো সকল শাস্ত্র                      জ্ঞান ই জাগায় মানবতা। বই পুস্তকে বিনোদন          সদাই যেন কাড়ে মন                      পড়ো তাই করিয়া যতন। জ্ঞানের কভু হয়না ক্ষয়      জ্ঞান ই চির অক্ষয়             ...

ভাই ফোঁটা

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৫/১১/২০২১ হাতে নিয়ে পুষ্প সহ ধান দূর্বা তার মাঝে চন্দন ফোঁটা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় বোন ভাইকে দেবে ফোঁটা আজ যে ভাইফোঁটা। অতন্দ্র প্রহরী সীমান্তে দাদা অনেক সিপাহী সাথে কথা ছিল আসবে সে যে ভাইফোঁটারই প্রাতে। প্রতি বৎসর ভাইফোঁটার দিনে ছুটে আসে ভাই। মন উচাটন পথপানে চায় দেরি করে কেন তাই! হেনকালে তার ফোন বেজে উঠে চেয়ে দেখে, দাদা! বলছে গো বোন আসতে পারিনি সীমান্তে শত্রু গাদা। ক্রন্দন রোলে ফোন মাঝে বলে দিলাম কপালে ফোঁটা শত্রুরে তুমি জয় করে এসো যমের দুয়ারে দিলাম কাঁটা। আজ যে ভাইফোঁটা!

জ্বালাও মনের আলো

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৪/১১/২০২১ আলোর উৎসব বিশ্বাসের উৎসব আলোকময় দিওয়ালি সাত রঙে রঙিন হোক সবার জীবন খানি। অমানিশার কালো ঘুচাতে এসো দীপ জ্বালি অশুভ শক্তির বিদায় জানাতে সাজাই প্রেমের ডালি। দূর করে যত রাগ অভিমান খুশীর দিওয়ালি মানাই সব নিরাশা দূর করি এসো আশার আলো জ্বালাই। অন্তরের সব ময়লা ধুয়ে সবারে গলে লাগাই অশুভ শক্তি নাশ করি এসো মানবতার গান গাই। নতুন পোশাক মিষ্টি মুখ হোক দিওয়ালির উপহার নতুন সাজে সাজুক এ ধরা হোক সুন্দর সারা সংসার। এসো হে ভক্ত এসো হে পথিক জ্বালাও মনের আলো মনো মন্দির পরিষ্কার করো ঘুচাও মনের কালো। ঝিলমিল রওশনীতে পূর্ণ হয়ে ধরা নাচুক এই বাসনা বিশ্বাসের আলোকে সকলে জানাই দীপাবলির শুভ কামনা।

স্মৃতির অতলে

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৯/১০/২০২১ শৈশব সোনালী দিন কোথা গেল হায়! কি মজা কি আনন্দ ছিল সে বেলায়। মেঠো পথ হাট ঘাট হাতছানি দেয় সকল শিশুরা মিলে খেলতাম তায়। সারাদিন খেলাধুলা এবাড়ি সেবাড়ি ছিলনা মোদের মাঝে কোন আড়াআড়ি। একসাথে পড়াশুনা চলাফেরা সব মনে পড়ে সেকালের যত কলরব। ফেলে আসা পাঠশালা মনে রেখা টানে দলবেঁধে হেসে খেলে যেতাম সেখানে। বিভেদ ছিল না কোন নিজ পর বলে বড়োদেরে গুরুজন মানিত সকলে। শাসন যতন নিত পুরবাসী গনে কত যে আপন ছিল ভাবি মনে মনে। বিপদে আপদে সব থাকতো যে পাশে সম্প্রীতির নিদর্শন ছিল অনায়াসে। জাত পাত উঁচু নিচু ছিল না সে কালে সোনালী সে দিন গুলো স্মৃতির অতলে।

আনন্দ ভিখারী

 হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৩/১০/২০২১ আনন্দটা পাওয়ার তরে চঞ্চল মানবজাতি ধনী গরীব সব মানুষই থাকে আঁচল পাতি। আনন্দ হচ্ছে মনের খোরাক মনটা সতেজ রাখে তাইতো সবাই আনন্দ খুঁজে সকল কষ্টের ফাঁকে। কেউবা খায় কর্ম করে কেউবা লুটেপুটে ভবের মাঝে এসেই সবাই সুখের পিছে ছুটে। যে যা করে সকল কাজই আনন্দের তরে কাজের শেষে ফলটা পেলে আনন্দ ভোগ করে। ধনী যারা ধন ভিখারি আরো পেতে চায় ধনটা একটু বাড়াতে পারলে আনন্দে গান গায়। গরীব যারা খেটে মরে অর্থ পাওয়ার তরে একটু বেশি পেলেই তাদের আনন্দে মন ভরে। ব্যবসাজীবি ব্যবসায় লাভে আনন্দ ভোগ করে সত্য মিথ্যার ধার ধারে না অর্থের পাহাড় গড়ে। চাকরি জীবির মুখে হাসি যখন বেতন বাড়ে পণ্য দ্রব্যের দাম বাড়লে তাদের হাঁসি কাড়ে। নেতা যারা লুটেপুটে আনন্দটা পায় তাদের কাছে ন্যায় নীতি হার যে মানায়। দিন ভিখারী দিবস শেষে আনন্দের গান গায় তাইনা দেখে কিছু মানুষ মনে শান্তি পায়। কেউবা খুশি মিথ্যা প্রচারে সত্য করিয়া নাশ কেউবা আবার আনন্দ পায় দেখে অন্যের সর্বনাশ। মানুষ মাত্রেই দুঃখ কষ্ট লাগে বড়ো ভারী চিরসত্য সব মানুষই আনন্দের ভিখারী

হের ফের

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৭/১০/২০২১ কাঠফাটা রোদ্দুরে মনে ভয় জাগে এমন হেমন্ত ঋতু দেখিনি তো আগে। ঘর থেকে বেরোনোর উপায় তো নাই মাথার উপরে যেন সবিতার ঠাঁই। যে সময়ে শীতবস্ত্র পরিধান করে সে সময়ে কেন নর গরমেতে মরে। হিমপ্রবাহের স্থলে, এ কেমন তাপ মনে হয় এটা যেন বিধাতার শাপ। হেমন্তে এমন তাপ ইতিহাসে নাই প্রকৃতির হেরফের দেখিতে যে পাই। প্রখর তাপের দাহে জ্বলিছে ফসল কেমনে বাঁচিবে প্রাণী ভাবনা অতল। কেন বিধি ভবে তব এমন ছলনা শীতের ঋতুতে গরম, কেন বলোনা? কেন এ হেরফের খুঁজে দেখি সার মানুষের ভুল তাতে নয় বিধাতার। গাছপালা কেটে মোরা করছি উজাড় তাইতো করেনা বিধি উচিত বিচার।

সঠিক শিক্ষা

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৩/১০/২০২১ জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সব মানুষের মাঝে সবাই মোরা এগিয়ে আসি সকাল বিকাল সাঁঝে। হিংসা বিদ্বেষ দূর করতে জ্ঞানের আলো চাই মনুষ্যত্ব জ্ঞান না থাকলে ভাই শিক্ষার মূল্য নাই। পড়াশুনা করলেই শুধু জ্ঞানী বলো তারে? শাস্ত্র শিক্ষা নীতি শিক্ষা নেই যে একেবারে! পাঠ্য শিক্ষার মধ্যে এখন নীতি শিক্ষা নাই দূর্ণীতি তাই বাড়ছে দেশে সদাই দেখতে পাই। চরিত্র পাঠ আর নীতি শিক্ষা উঠে গেছে লাঠে তাইতো এখন সঠিক শিক্ষা পায়না শিশু পাঠে। আজকের শিশু কালকের সুনাগরিক স্মরণ রেখে তাই জ্ঞানী গুণী এগিয়ে আসুন শিশুর পাঠ্য সাজাই। সঠিক শিক্ষা ও প্রেম ভালোবাসায় হবে অপশক্তির পরাজয় নব প্রেরণায় হবে আবার মানবিকতার জয়।

সুখ

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ১৩/০৯/২০২১ আছে বাড়ি গাড়ি        আছে টাকা কড়ি                    নেই বাসনার শেষ আরো পেতে চায়            রূপ ধরে যায়                যেন কাঙাল অনিমেষ। স্বার্থ মগ্ন জন                ভাবে না কখন                 ন্যায় অন্যায়ের কথা লুটে যায় ধন            শুষে গরীবের তন                  ভাবতেও লাগে ব্যথা। করে লুটোপুটি          গরীবের ধন চাটি                  অশিক্ষার সূযোগ নিয়ে যত বেশি পায়            আরো বেশি চায়                   সুখ যায় ফাঁকি দিয়ে। চিরদিন ভবে                ...

স্বপ্নপুরী আসাম

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ৩১/০৮/২০২১ নীল সবুজের পাহাড় ঘেরা আমার রাজ্যখানি সুজলা সুফলা শস্য ঘেরা দেয় যে হাতছানি। উঁচুনিচু ঢালু পাহাড় এঁকেবেঁকে চলে নয়নাভিরাম দৃশ্য বাহার হৃদয় কথা বলে। সকল ধর্মের সকল জাতির মিলন ভুমি আসাম একই সূত্রে গাঁথা আছে মোদের সবার নাম। উদার পাহাড় ঝর্ণা বুকে শাল সেগুনে ঘেরা ফুল ফলাদি চা পাতাতে বিশ্বের মাঝে সেরা। ব্রহ্মপুত্র বরাক নদী রাজ্যের দুটি প্রাণ। শঙ্কর দেব ও আজান ফকির একতার নিশান। পেখম তুলে ময়ূর নাচে দেখি নয়ন ভরি সব মিলিয়ে আসাম রাজ্য যেন স্বপ্নপুরী।

শ্রমিকের অবদান

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৭/২০২১ সকাল থেকে সন্ধ্যাবধি            খেটে যায় নিরবধি                          দেশের শ্রমিক মজদুর সব। রোদে পুড়ে মেঘে ভিজে      সবার তরে খাটে সে যে                           নেই কোন কলরব। শ্রমজীবী মানুষ গুলো     মেখেই থাকে ময়লা ধূলো                             চলছে জীবন ভর। মাঠের কাজে ঘরের কাজে   স্বতঃস্ফূর্ত বিনা লাজে                             কেউ নয় তাদের পর। সহজ সরল মানুষ এরা     নিজের সুখ চায়না তারা                                এমনি জীবন রচে। অনাহারে যদিও থাকে     অন্যের কিছু নেয়না হাতে ...

সংগ্রামী বীর নেতাজী

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৩/০১/২০২২ ফিরে এসো নেতাজী সুভাষ উঁচু করে তব শির। তুমি যে সর্বকালের ভারত নেতা তুমিই শ্রেষ্ঠ বীর। ছোটবেলা থেকেই সইতে পারোনি পরাধীনতার গ্লানি। তাইতো তুমি গঠন করিলে বিদ্রোহী ফৌজ বাহিনী। সদা চঞ্চল মনটি তোমার নাশিতে বৃটিশ শাসন। অল্প বয়সে জয় করে নিলে পুরো ভারতের হৃদয়াসন। স্বদেশী ভাষা, স্বদেশী বসনে দেখায়েছ স্বাদেশিকতা। পরাধীন ভারতের সংগ্রামী বীর করেছো সুগম স্বাধীনতা। মোরা কেমনে ভুলিব তা? তুমি জানতে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে হয়। তাইতো বাজালে রণডঙ্কা। তব বাণী, তব হুঙ্কার ধ্বনি বৃটিশ শাসনে আনে শঙ্কা। তোমার আপোষ হীন সংগ্রাম এনে দিয়েছে স্বাধীনতা। মোরা কেমনে ভুলিব তা! শৈশবে জ্ঞান পেয়েছো তুমি ' মানব সেবাই ধর্ম।' বসন্ত রোগীর সেবা করে তাই দেখায়েছ আপন কর্ম। জাতপাতের ভেদাভেদ ঘুচাতে কাঁদিত তোমার প্রাণ। অন্নহীনে অন্ন যোগানোয় সীমাহীন অবদান। ' দেশ সেবা কর, মানুষকে ভালোবাসো ' ----- এই ছিল তব বাণী। মোরা ভুলে গেছি তব আদর্শ তাইতো আজ এ হানাহানি। আজকের ভারতে হিংসার ভিড়ে তাইতো তোমাকে চাই। সেকুলার ভারতের মহান নেতা তোমাকেই খুঁজে পাই। বাংলা মায়ের বীর সন্তান বাঙা...

বিদ্যার বালিশ বীরেন

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৭/০১/২০২২ গ্রামের মোড়ল বীরেন বাবু ভাবেন বিদ্যার বালিশ। গ্রামে কিছু হলেই আসে তাহার কাছে নালিশ। সবার মতে বীরেন বাবু লোকটি বড়ো ভালো। তিনি গ্রামের স্কুল সভাপতি স্কুলকেও দেন আলো। একদিন মোড়ল স্কুলে গিয়ে ছাত্রদেরকে শুধায়, আচ্ছা বাবারা বলো দেখি করোনা ক্যামনে হয়? ছাত্রছাত্রী অবাক হয়ে বাবুর পানে চায়। বলেন বাবু কি সব পড়ছো এই টুকু জ্ঞান নয়? ছাত্রছাত্রী স্কুলে গেলে তবেই করোনা হয়। একটু পরে আবার বলেন করোনা কখন পায়? ক'দিন পরে আবার কেন কোথাও চলে যায়? ছাত্রছাত্রী অবাক হয়ে  বাবুর পানে চায়। বলেন বাবু সবাই বুদ্ধু কিচ্ছু জানো না। রাত্তিরে তে বাইরে গেলে তবেই পায় করোনা। ক'দিন পরে যায় সে চলে বদলাতে তার নমুনা। আবার তিনি হেসে বলেন মিথ্যে এসব ছাই। তোদের তো লাভ হলো ভাই পাশ তো করবে সব্বাই। ছাত্র এবার ধরলো জেঁকে বলেন বাবু এবে ভেক্সিনটা নিলেন কেন মিথ্যে যদি তবে? বাবু বলেন নেইনি ভেক্সিন জানি এসব ছল। ভেক্সিন নিয়েও মরছে মানুষ বুকে রাখো বল।

পৌষ সংক্রান্তি

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ১৪/০১/২০২২ বিশ্ব জুড়ে আছে যে বাঙালি এক জাতি বর্ষ জুড়ে থাকে শুধু উৎসবেতে মাতি। আমিষ ও নিরামিষ ভরা থাকে থালি খাবার বাহানা যত করে যে বাঙালি। সকল উৎসবে থাকে নানা আয়োজন খাবার প্রস্তুত করে মনের মতন। এমনি এক উৎসবে পৌষের শেষে বাজারে পসরা সাজে নব নব বেশে। পৌষের শেষ রাতের টুসু জাগরণ আনন্দ উল্লাসে থাকে হরষিত মন। প্রভাতে মকর স্নান শীতের বিদায় জ্বালিয়ে সুন্দর মেজি আগুন পোহায়। ক্ষীর ননী চুঙ্গা পিঠা গুড়ের সন্দেশ নারিকেল তিল দিয়ে লাড্ডু সবিশেষ। সব্জী ও মাছ মাংস সীমা নেই যার ঘরে ঘরে আয়োজন অপূর্ব খাবার। রকমারি খাবার সব জানে সারাসার সার্থক বাঙালি মোরা বুদ্ধিতে অপার। সর্বত্রই সংক্রান্তির শুভ এই দিনে উৎসব সার্থক হয় সবার মিলনে।

বিবেকানন্দ স্মরণে

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১২/০১/২০২২ অন্তরে যার মানবতার বল মুখেতে ছিল হাসি সৌম্য কান্তি মানব প্রেমিক হে বীর সন্যাসী! তোমার স্মরণে প্রদীপ জ্বালিয়ে স্মরণ করি হে বীর আজিও বিশ্বে তোমার গরবে গর্বিত দেশের শির। মনুষ্যত্বের প্রদীপ হাতে নিয়ে এলে করিতে ধন্য ভারত ভুমি ' কর্ম ই ধর্ম ' এই ছিল তব বাণী হৃদয়ে আজও সবার স্বামী। হে দার্শনিক বীর! তুমি জানতে মুক্তির ঠিকানা শিক্ষা তাইতো তুমি মানুষকে দিলে জ্ঞানের আলোর দীক্ষা। শোষিত নিপীড়িত ক্ষুধাতুর জনের করিলে এত করুণা বিশ্ব মানবতা জাগিয়ে তুলাটা আজও সবার প্রেরনা। জগত সভায় প্রচারিলে তুমি মানব প্রেমেই মুক্তি "জীবে প্রেম করে------ সেবিছে ঈশ্বর" এই ই ছিল তব উক্তি। মৈত্রীর বাণী করিলে প্রচার দ্বন্দ্ব বিভেদ ঘুচাতে মানব জনম সার্থক তব স্মরিছে সবাই প্রভাতে।

বিরহীনির কান্না

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২১/০৮/২০২১ শ্রাবণের বারিধারা ঝর ঝর ঝরে একা শুধু ঘরে বসে আঁখি জল পড়ে। বরষার নদী জল বুক ফেঁপে উঠে ফাঁপিয়া প্লাবিয়া জল চারিদিকে ছুটে। রোধিবে কাহার সাধ্য প্লাবনের জল তেমনি আমার দশা কে দেখিবে বল? কুলু কুলু রবে জল নদীতীর বায় খড়কুটো যত পায় সাথে নিয়ে যায়। বরষার নদী স্রোত যে দেখে সে বুঝে ঘরবাড়ি গাছপালা জল মাঝে যুঝে। আর কত রবো প্রিয় পথপানে চেয়ে বিরহ ব্যথার গান শুধু যাই গেয়ে। কোন দোষে দোষী আমি ছিনু তব আগে কাউকে বলতে নারি কোন অনুরাগে। কতদিন হল তুমি সেই পরবাসে বিরহিনী কাঁদে হেথা যেন কারাবাসে। ভেবেছ অবলা নারী ছুটিতে না পারে কার হেন সাধ্য আছে মোরে রোধিবারে। স্রোতস্বিনী নদী যেমন মিলে মোহনায় তীব্র বেগে যাব আমি তব আঙিনায়। ত্বরা করি আস তুমি এই নিবেদন নচেৎ ছুটিব আমি কাঁপায়ে ভুবন।

সুখ

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৪/১১/২০২১ অপরের দোষ অপরের সুখ খুঁজে ফেরো কেন বৃথা? নিজের মাঝেই খুঁজে দেখো ভাই সুখটা যে আছে কোথা! বিষাদে পূর্ণ বিষাদ ই জীবন নর ভাগ্যে সুখ নাই দুঃখী মানব দুঃখ ই জীবন সুখের ঠিকানা নাই। সহায় সম্বল শক্তি ও বল সে তো বালির বাঁধ অল্প দিনেই হারায় যেমন আঁধার রাতের চাঁদ। নিভে যায় যদি আশার প্রদীপ হেরোনা নিজের কাছে ভগ্ন হৃদয়ে খুঁজে দেখো ভাই দুরাশা মনের মাঝে। ভাবনাটা যদি করিতে পার পরহিত মনে নিয়া সুখ পাখিটা এসে যাবে হাতে ভরিবে বিরাট হিয়া। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থেকো না এটাই জীবন নয় অপরের ভালো করিতে পারিলে সংসার সুখের হয়। পরের দোষটা না খুঁজে তাই পরের গুণটা খোঁজ পরের জন্য হাতটি বাড়াও তাহার জন্য যুঝো। নিজের কর্মের ফলটা যে ভবে সদাই ফেরত আসে সৃষ্টির সেবা করে যায় যারা সুখের সাগরে ভাসে। পৃথিবীটা মোর আপন ঘর এখানে ই মোর ঠাঁই সকলের তরে কাজ করে যাই দেখি সুখ পাই কি না পাই।

নবান্ন উৎসব

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০১/১২/২০২১ হেমন্তের আগমনে মাঠ ভরা ধানে অলিকুল ছুটে চলে আকুল সে ঘ্রাণে। ভোরবেলা চারিদিক কুয়াশাতে ঢাকে শীতের পদধ্বনি পাই এর ফাঁকে। চড়ুই-ধানশালিক দেখি উড়ে যায় খাদ্য সংগ্রহ করে ধানেতে লুটায়। গাছের ডালেতে বসে হলুদিয়া পাখি সুর করে গান গায় মেলে দুটি আঁখি। পরিযায়ী পাখি দল ঝাঁকে ঝাঁকে আসে ডালিয়া ও গাঁদা ফুল দূর থেকে ভাসে। হেমন্তে সুন্দর রূপ বাংলার হাট হলুদ রঙেতে সাজে ফসলের মাঠ। সে শোভায় বিমোহিত কৃষকের মন তাইতো ঘরেতে করে নানা আয়োজন। নবান্ন উৎসব শুরু ধান কাটা দিয়ে বাঙালির কি আনন্দ উৎসব ঘিরে। দলবেঁধে কৃষকেরা ধান কেটে যায় কভু দেখি ধান মাড়ে নিজ আঙিনায়। নতুন ধানেরে হবে নবান্ন উৎসব বাংলার ঘরে ঘরে সাজ সাজ রব। পিঠা পুলি ক্ষীর ননী সুস্বাদু খাবার নতুন ধানের চাল আসিছে আবার। উৎসবের আগমন শুরু হলো যেই কবিদের আগ্রহের যেন শেষ নেই। সবাই কবিতা লিখে উৎসব ঘিরে আমিও লিখছি বসে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে।  নবান্নের উৎসব চলে গ্রাম জুড়ে কুলবধূ নিষ্ঠা ভরে লক্ষ্মীপূজা করে। রূপসী বাংলার এ নবান্নের ক্ষণে একাত্ম হই আমি প্রকৃতির সনে।

বাটারফ্লাই এফেক্ট

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০১/১২/২০২১ অতি ক্ষুদ্র অণু টাকে ভেবোনা কেউ মেকি হতে পারে ধ্বংসের কারণ যেটা মোরা দেখি। জ্ঞান বিজ্ঞানে শ্রেষ্ঠ মানব তার সৃষ্টি মারাত্মক সামান্য ভুলের কারণে হতে পারে ধ্বংসাত্মক। বিশ্ব মাঝে হিটলার ছিল পরিচিত এক নাম সৈরাচারী শাসক বলে বিশ্ব জুড়ে বদনাম। ফাইন আর্টে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার প্রত্যাখাত হয়েছিল দু দুবার। হিটলার ছিল অত্যাচারী কথাটা ছিল ফ্যাক্ট আসলে তো এটা ছিল বাটারফ্লাই এফেক্ট। ভেবে দেখ জাপানের সেই নাগাসাকির কথা কী ভয়াবহ বিস্ফোরণ কে না জানে তা! জাপানের কুরোকোতে লক্ষ্য ছিল খাঁটি মেঘেরা আড়াল করে রেখে ছিল ঘাঁটি। ভুল করে নাগাসাকিতে হল বোমা বর্ষণ ধ্বংস হল নাগাসাকি মেঘেরই কারণ। পরে সবাই বুঝতে পারে কথাটা ছিল ফ্যাক্ট বিজ্ঞানীদের মতে এটা ছিল বাটারফ্লাই এফেক্ট। ধ্বংসাত্মক কোভিদ নাইনটিন বিশ্বের একটা ত্রাস মনে হলে সবাই শুধু ফেলে দীর্ঘশ্বাস। বিশ্ব জুড়ে তার কারণে এলো কত এ্যাক্ট মনে ভাবি এটাও নাকি বাটারফ্লাই এফেক্ট। তাইতো বলি কোন অণু ভেবোনা কেউ মেকি  ক্ষুদ্র ঘটনাও ধ্বংসের কারণ  সেটা জেনে রাখি।

কেঁচোর মাটি

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৪/০১/২০২২ যাত্রা শেষে ফিরছে বাড়ি দুই বন্ধু একসাথে রাত তখন তিনটা বাজে টর্চটাও নেই হাতে। শিববাড়িটার পাশে গিয়ে দেখে একী কাণ্ড রাস্তার পাশে বিয়ে বাড়ী গেট টাও প্রকাণ্ড। এমন আলোর ঝিলিমিলানি নির্জন এ পথে! যাবার সময় দেখে নাইতো এলো কি বিপথে? উৎসুক হয়ে ঢুকে পড়ে কি হয় দেখার আশে অভ্যর্থনায় বসলো গিয়ে খাবার টেবিল পাশে। ভালো ভালো খাবার যত প্লেট ভরা এ কী! মিষ্টি মণ্ডা দৈ পায়েস কিছুই নেই যে বাকি! দুই বন্ধু মিলে তথায় শুরু করলো খাবার এমন সময় লাইট টা নিভলো কি করবে এবার! হাতে কিছু খাবার নিয়ে ছুটলো দু জন বাড়ি বড় গাছটায় ধাক্কা খেয়ে ছুটলো ছাট্টার আড়ি। মনে পড়লো এই জাগাতে এমনি ভূতে পায় ভু--ভু-- বলে চিৎকার শুরু কে কার আগে যায়। অন্ধের মত দৌড়ে দুজন পৌঁছলো গিয়ে বাটী আলোর পাশে গিয়ে দেখে এ সব কেঁচোর মাটি।

সোনা ব্যাঙের বিয়ে

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৯/১২/২০২১ সোনা ব্যাঙের বিয়ে হবে চলছে আয়োজন একে একে সকল ব্যাঙ পেলো নিমন্ত্রণ। সানাই বাজছে মাদল বাজছে বাজছে মোহন বাঁশি বাজনা শুনে আসছে সবাই চলছে হাঁসি খুশি। কুয়োর ব্যাঙ লাফায় বেশি ভাবে এইতো দুনিয়া বিয়েবাড়ি যাবে এখন ভাবছে যাবে কি নিয়া। কুনোব্যাঙ কুঁড়ে অতি থাকে ঘরের কোনে তে ছাতা একটা হাতে নিয়ে আসলো একটু দেরীতে। নীল ব্যাঙ বিষাক্ত বলে নিমন্ত্রণটা পেলো না। রাগে ক্ষোভে ফন্দি আঁটলো বিয়ে হতে দেবে না। যেইনা কনে বসলো গিয়ে বিয়ের পাতা সিঁড়িতে বরের বাবা বলে উঠলো হাত বুলিয়ে দাঁড়িতে। কোথায় গেলে কনের বাবা কিছু মনে নিও না বরপণটা হাত না হলে বর সভাস্থ হবে না। সূযোগ বুঝে নীল ব্যাঙ জলের ব্যাঙকে বলে বাজাও না ভাই প্রণয় সুর সবাই হেলেদুলে। কথা শুনে প্রণয় সুরে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাকে ব্যাঙ অমনি এলো বৃষ্টি নেমে জলের ব্যাঙরা দিল লেঙ। শুরু হলো কান্নাকাটি বিয়ে বাড়ী জুড়ে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত বর রেগে আসলো তেড়ে। বললো ওসব লেনাদেনা কিচ্ছু বুঝি না বিয়ে যখন করতে এসেছি বিয়ে না করে যাবো না। অবাক হয়ে দেখলো সবাই আধুনিক শিক্ষার ফল মা-বাবা ও কনে শুধু মুছে আঁখিজল।

মানুষ মানুষের জন্য

রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৮/১২/২০২১ লোকটার হাতে মুখে রক্ত ঝরছে। কোন ক্রমে কাতরাতে কাতরাতে  দাড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে। উঠতে গিয়ে আবার পড়ে গেল। বোধকরি কোমরেও আঘাত পেয়েছে। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছে। কে কার চিৎকার শুনবে?  দুএকজন পথচারী দেখলো, গাড়িটি ধাক্কা মেরে ফেলে চলে গেল। থামলোই না। একজন দৌড়ে পাশে এগিয়ে এলো। কিন্তু না, কোন সাহায্যের জন্য হাত বাড়াতে নয়। ও মোবাইল দিয়ে ফটো উঠাচ্ছে। নেটে ছাড়বে, ফেইসবুকে ছাড়বে। সাংবাদিক ও আসলো, ফটো শট নিলো। কিন্তু কেউ ওর প্রাণ বাঁচানোর চিন্তা ই করলো না। কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে এলো না। হায়রে মানবতা! হায়রে সভ্যতা! চিৎকার চেঁচামেচিতে আরও কিছু মানুষ  জড়ো হল, কিন্তু না। সবাই দেখছে আর চলে যাচ্ছে। কেউ ফটো শট নিচ্ছে আর কেউ ভিডিও করছে। চলে যাচ্ছে! হ্যাঁ যাবেই তো। কারো সময় নেই।  একবিংশ শতাব্দীর দ্রুতগতির যুগে সবাই ব্যস্ত। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। একটা ছোট্ট ছেলে, বাবার সাথে গাড়িতে  স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। বাবাকে গাড়ি থামাতে বললো, এগিয়ে আসলো। বাবাকে সাহায্যের অনুরোধ করল। বাবাতো বলেই ফেললো সাহায্যে এগিয়ে য...