পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আলোর খোঁজে

আলোর খোঁজে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৩/০৭/২০২১ এক ফালি বাঁকা চাঁদ আলো করে হাসে ছোট ছেলে কেঁদে কেঁদে অন্ধকারে ভাসে। দূর থেকে তারা বলে আমি দেবো আলো কেঁদোনা কেঁদোনা খোকা রবেনা তো কালো। হেনকালে জোনাকিরা আলো করে আসে বলে মোরা আলো দেবো আছি তব পাশে। মাটির প্রদীপ ছিল সেও এসে বলে আমিতো দিচ্ছি আলো কেন ভাব তাহলে? এদের এ কথা শুনে ছেলে শুধু হাসে মনে ভাবে আঁধারটা কেমনে বিনাশে। বলে খোকা আলো দেবে তোমরা কি ছাই দেখি আমি চেষ্টা করে যদি কিছু পাই। দিন যায় মাস যায় সাল ঘুরে আসে উদাস মনটি যেন সমুদ্রেতে ভাসে। পড়াশুনা চলে তার ভাবনার ফাঁকে এতই ভাবনা মনে কে পড়াবে তাকে? গাধা বলে স্কুল থেকে তাড়ালো যে তারে অবাধ্য শিশুর শিক্ষা মা'ই দিতে পারে। বয়সের সাথে সাথে ভাবনাটা বাড়ে দিবানিশি গবেষণা ঘুম নিদ্রা কাড়ে। অবশেষে সফল সে নিজ ভাবনায় চন্দ্র তারা হার মানে যার প্রচেষ্টায়। দূর হলো অন্ধকার জ্বালালো সে আলো সে ছেলেটি এডিশন জেনে রাখা ভালো।

আসছে খুশির ঈদ

আসছে খুশির ঈদ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২০/০৭/২০২১ বাঁকা চাঁদটা জানিয়ে দিল আসছে খুশির ঈদ নব উল্লাসে মিলবে সবাই ইসলামী তাগিদ। ঈদুল আযহা কোরবানির ঈদ জানে সর্বজন ত্যাগ মহিমাই আসল কথা ত্যাগই পূণ্যার্জণ। খোদার নামে পশু কোরবান বড়ো কথা নয় তার সাথে মনের শয়তান কোরবান করতে হয়। মনের পশু কোরবান হলে আত্ম শুদ্ধি হয় আত্ম শুদ্ধি হলেই ভবে মনে শান্তি রয়। কোরবানির আলো পৌঁছে দাও সবার ঘরে ঘরে কোরবানির ঈদ হাসি ফুটাক গরীব দুঃখীর অন্তরে। ভুলিয়ে দাও দুঃখ সবার  ইসলামী তাগিদ সবাই মিলে খুশি মানাই আসছে খুশির ঈদ।

সবই হবে মাটি

সবই হবে মাটি হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৬/০৭/২০২১ ধনসম্পদ জায়গা জমি নিরর্থক এই ভুবনে তবু মানুষ ছুটে কেন টাকাপয়সার পিছনে। আজ রাজা কাল ভিখারী এটাইতো রীতি কালের স্রোতে সব হেরে যায় থাকে শুধু প্রীতি। কতশত রাজা বাদশাহ এলেন আর গেলেন কেউ কি কোন সম্পদ কভু সঙ্গে নিতে পেলেন? জ্ঞানপিপাসুর জ্ঞানই ভবে অমর হয়ে থাকে আর থাকে ভাই মানবপ্রেম প্রীতি বলে যাকে। ডাক আসলে তো যেতেই হবে দুদিন আগে পরে মিছে কেন ছুটছি মোরা মোহ মায়ায় পড়ে। বিদ্যাশিক্ষা মানব প্রীতি এ দুটিই খাঁটি ধনসম্পত্তি সোনাদানা সবই হবে মাটি।

আলোর গুণে

আলোর গুণে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১৩/০৭/২০২১ যা খুশি তা লিখলেই এখন হয়ে যায় কবিতা গল্প লিখে মধ্যে ভাগ সেটাও হয় আধুনিকতা। না পড়েও কমেন্ট করুন সেরা পাঠক হতে বাহবা বেশ ভালো লিখেছেন সন্দেহ নেই তাতে। সুখ-দুঃখ হাসি কান্না কবিতাতে থাকে একি রকম কমেন্ট থাকলে কেমন কেমন লাগে। লিখছেন যারা সবাই কবি সত্যিই লিখছেন ভালো পাঠক যারা কমেন্ট করেন লিখককে দেন আলো। আলোর গুণে লিখেন কবি রোজ ই কত কবিতা কমেন্টের আলো আছে বলেই সুন্দর লিখা হচ্ছে তা। ধন্যবাদ তাই সকল গ্রোপের সকল কবি পাঠককে সঙ্গে একটা অনুরোধ করি ভুল ত্রুটি টা ধরেন যে। পাঠক কবি ভুল না ধরলে সংশোধনটা হবে না সনদ পাবো লিখে যাবো কবিতো আর হবোনা।

এ কেমন ছলনা

এ কেমন ছলনা রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-১১/০৭/২০২১ আষাঢ় মাসে রথের মেলা শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে দেশ-বিদেশে রথের মেলা নাচে সবাই আনন্দেতে। ছোট শিশু বায়না ধরে রথের মেলায় যাবে শহরেতে মেলা বসে কতো কিছুই পাবে। আকাশ জুড়ে কালো ছায়া মেঘ ভাসে ঐ গগনে দাদু বলছে যাবো মোরা বিকেল বেলার লগনে। দাদুর সাঁড়া পেয়ে খোকার খুশিতো আর ধরে না কতো কিছুই কিনবে সেথায় হিসেবে তো আর মিলেনা। রথের মেলায় শহরেতে সারি সারি দোকান বসে খেলনা পুতুল বেলুন বাঁশী কতো কিছুই কিনবে সে। যেইনা তারা উঠলো গিয়ে রথের গাড়ির পাশেতে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ল পড়লো শিশু ভাবনাতে। শুরু হল দৌড় ঝাঁপ বৃষ্টিতে যেন অন্ধ এক নিমিষেই হয়ে গেল দোকান পাট সব বন্ধ। মনের আশা মনেই রইল খেলনা কিনা হলোনা ভাবছে খোকা বরুণ দেব এ কেমন ছলনা।

অভাবের সংসার

অভাবের সংসার হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৯/০৭/২০২১ বেলা আট বাজে তখনও দিব্যি ঘুমে কোন চিন্তা ভাবনা নেই। স্বামীর এ রূপ দেখে গিন্নি হারিয়ে ফেলে কথার খেই। বলে, শোন গো মিনির বাপ তোমায় নিয়ে ভাবি যে দিবারাত্র কোন কাজ নেই ঘরে বসে আছ দেখেছো নিজের গাত্র? নাদুস নুদুস চেহারা হয়েছে কি আরামে আছ সেই এমন করে কতদিন চলে ঘরে যে খাবার নেই? অভাবের সংসার না খেয়ে থাকি আমার তো অভ্যেস আছে দুধের শিশু, কাল থেকে উপুস একথা বলি কার কাছে? কথাটা শুনে জ্বলে উঠে স্বামী যেন তেলে ভাজা কই মনে ভাবে, লকডাউনে ঘরে আছি বলে এত কথা কেমনে সই? হুঙ্কার দিয়ে বলে স্বামী, যা তোর বাপের বাড়ি আনগে হাজার দশেক টাকা। নচেৎ ফিরে আসবিনা আর আমিও হলেম বাঁকা। গিন্নির রাগে সপ্তমে চড়ে গলা বলে চললাম তবে,থাকো মেয়েকে নিয়ে আসবোনা আর ফিরে,তব জীর্ণ কুটিরে। যদি পারো করে নাও আবার বিয়ে। বেচারি চলে যায় কাঁদতে কাঁদতে কুলের শিশুকে রেখে পুরোটা রাস্তা হেঁটে চলে সে স্মৃতির দর্পনে দেখে। পাঁচটা বছর হয়ে গেল বিয়ের সুখের মুখ দেখেনি কভু এমনি করে আরো তিন বার টাকা এনেছে তবু! এত নির্যাতন স্বামীর ঘরে না খেয়ে ও থাকলো কতো পদে পদে খোঁটা, বৃথা আস্ফালন নির্যাতন কতশ...

ছোট বেলার সাথী

ছোট বেলার সাথী হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-০৩/০৭/২০২১ শুয়ে শুয়ে ঝিমুচ্ছিলাম বৃষ্টিমুখর দিনে রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে স্মৃতি ভাসে মনে। ঝিমুচ্ছিলাম নয়ন বুজে দেখি, মেঘবালিকা পাশে বললো আমায় যাবে নাকি অচিন মেঘের দেশে? বললাম আমি নিশ্চয়ই যাবো অনেক ইচ্ছা আছে তুমি আমায় সঙ্গে নেবে ফেলবে নাতো পাছে? ভয় কেন ভাই আমি তো সেই ছোট বেলার সাথী মনে আছে সবুজ মাঠে খেলতাম দিবারাতি? আবার সে হেসে বলে আমি তোমার সেই বৃষ্টি যার কারণে করেছিলে নতুন কাব্যের সৃষ্টি। দুজন মিলে ঘুরতে যাবো সেই রাস্তার বাঁকে এমন সময় ঘুম ভাঙ্গলো গুড়ুম গুড়ুম ডাকে।

কেউ মরেনা ভুখে

কেউ মরেনা ভুখে হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ০৫/০৭/২০২১ পথের ধারে জীর্ণ কুটির এক বৃদ্ধার বাস একা একা থাকে সেথায় কষ্টের বারো মাস। জিজ্ঞেস করলাম ক্যামনে খাও এই যে বুড়ি মা বললো হেসে দাঁত দেখিয়ে কষ্ট শুনিস না। দুটি ছেলে একটি মেয়ে কেউ নেই মোর পাশে নিজের নিজের সংসার নিয়ে সবাই দূরাবাসে। বয়স এখন আশির কোঠায় কাজও পারি না যাকে পাই তাকেই বলি সাহায্য করে যা। ছেলে মেয়ে হারিয়েও আমি অনেক কিছু পেলাম তাদের কোন দোষ দেইনা সবই বৌ'দের গোলাম। তবু বাবা দোয়া করি থাকুক ওরা সুখে খোদার সৃষ্ট এ সংসারে কেউ মরে না ভুখে। খোদা তালা জীবের আহার দুনিয়া জুড়ে দিছে কার খাবার কোথায় আছে খুঁজতে হবে নিজে।

সার্থক লেখক

সার্থক লেখক হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-৩০/০৫/২০২১ সার্থক এক লেখক একদিন লিখলেন গল্প বেশ মদ্যপানের কুফল নিয়ে দারুণ মনোনিবেশ। ধন্য ধন্য করছে সবাই লেখাটা দারুণ সত্য মদ্য পান যে ছাড়লো সবাই এটাই গল্পের মাহাত্ম। দৈনিকের এ খবর নিয়ে দারুণ চর্চা চলে ছবি সহ মদ্য পানের কুফলটা ছাপা আছে বলে। যেদিন থেকে এই লিখাটা প্রকাশ পেল হাটে সব মানুষই ছেড়ে দিল মদ্যপান এ তল্লাটে। এমন সময় নর্দমায় এক মদ্যপ দেখা গেল মদ্যপানে বিভুর হয়ে নর্দমাতেই খেলে। উঠিয়ে এনে মদ্যপটাকে দেখায় লোকজন কি বৃত্তান্ত লিখা আছে দৈনিকের অঙ্গন। এ লিখাটি ছবিসহ মদ্যপ যখন দেখে মনে পড়ে তারই লেখা সে যে কাদা মেখে। লাফিয়ে উঠে অমনি বলে গেলাম রসাতলে এটাতো আমারই লেখা সবাই পড়ছে তাহলে?

ওরাই প্রকৃত বন্ধু

ওরাই প্রকৃত বন্ধু হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ-২৮/০৬/২০২১ এসেছে বরষা ছুটেছে কৃষক আপন গতিবেগে ফলাবে ফসল নিয়ে কৌতুহল কাজেতে থাকবে লেগে। কড়কড় ডাক বিজলী চমক কানে তালা প্রাণে ভয় তবু ম্রিয়মাণ কাজ করে যায় হায়রে কৃষক সমুদয়। রোপন করে ফসলের চারা নেই রোদ বৃষ্টির ভয় ফলাবে ফসল ভরবে গোলা এটাই তাদের জয়। দেশের সেবায় নিয়োজিত এরা সবার খাদ্য যোগায় এদের কথা কেউতো ভাবেনা সদাই থাকে অবহেলায়। জীর্ণ বস্ত্র শীর্ণ গাত্র ক্ষুধায় কাতর কৃষক তবু ওরা কাজ করে যায় নেই কোন পৃষ্ঠপোষক। বাদলের ধারা বয়ে যায় উপর ভিজিয়ে গোমড় হয় হেসোনা বন্ধু, ওরা শিক্ষিত মূর্খ মোটেও নয়। পারিনি আমরা দাম দিতে এদের ওরাই প্রকৃত বন্ধু ওরা কৃষিজীবী ওরা বৈজ্ঞানিক ওরাই চলার সিন্ধু। ফলায় ফসল পায়না তো দাম লুণ্ঠিত হয় তবু। কেউ কি এগিয়ে আসিবে কখনো এরা কি দাম পাবে কভু?

হে নবী রাসুল

হে নবী রাসুল রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ- ২৭/০৬/২০২১ হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম। তিমির আঁধারে ডুবেছিল যবে বিশ্ব মানবকুল পাঠালেন খোদা সৃষ্টি বাঁচাতে হাতে দিয়ে দুই কুল। হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম! আরবের বুকে হেরা গুহাতে ধ্যানে ছিলে তুমি খুঁজিতে মানব মুক্তির পথ সেটাই ছিল পূণ্যভূমি। পাঠালেন খোদা জিব্রাইল তথা হাতে দিয়ে নিজ বাণী। করিলে গ্রহণ সহিলে নির্যাতন সবই ছিল নির্ভুল। হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম। বর্বর জাতি হিংসায় রত ভুলেছিল সব পথ সর্বশিক্ষায় জ্ঞানী হয়ে এলে দেখাতে নতুন পথ। ভাই ভাইয়ের রক্তে রাঙাতো মরুর বালুকা রাশি। দ্বীনের পথে আনিলে সবারে ফুটালে যে মুখে হাসি। বিশ্ব ভুবন নাচিয়া উঠিল মুখে নিয়ে কলরোল। হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম। কর্ম বিমূখ অলস জীবন শয়তান সমতুল। তাইতো দেখালে শ্রমের মর্যাদা চরালে মেষ মরুর কুল। হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম। কাতর বান্দা জোড়হাত করে ডাকিছে তোমায় প্রভু তব আদর্শ মানিয়া চলিতে ভুল হয়ে যায় কভু। ক্ষমা চাই বারে বারে স্মরিয়া সকল ভুল। শেষ বিচারের কান্ডারী নবী তরাইতে দুই কুল। হে নবী রাসুল, তোমায় আস সালাম।

শিখব সবিশেষ

শিখব সবিশেষ হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ: ৩০/০৫/২০২১ মানুষ যদি সৃষ্টির সেরা হিংসা কেন মনে বনের পশু হিংস্র থাকে তাইতো থাকে বনে। মানুষ জাতি স্বার্থান্বেষী স্বার্থে সবাই অন্ধ বনের পশু এমনতো নয় নেই কোন সন্ধ। হিংসা পুষে মনের মাঝে দেখ মানুষ বেশ অন্য কোন প্রাণীর মাঝে হিংসার নেই লেশ। মানুষ হয়ে মানুষ হত্যা হিংসাই তার মূলে আকৃতি আর গঠন হলেই মানুষ বলা চলে? লোভ লালসা মানুষ করে তাইতো মানুষ দুঃখী পশুর মাঝে নেই কোন লোভ তাইতো তারা সুখী। মানুষ পাপ করে বলেই পরে হয় অনুতপ্ত প্রাণীর মাঝে নেই কোন পাপ তাইতো তারা সুপ্ত। মনের মাঝে হিংসা রেখে লাভ কি আছে বলো? সবার সাথে মিলটা রেখে সুজন হয়ে চলো। এত জ্ঞানী মানুষ তবু একতার নেই লেশ প্রাণীর কাছে শিখব মোরা বাকি সবিশেষ।