পোস্টগুলি

জুন, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এসো সচেতন হই

সমাজের যত নোংরামি কাজ  নেশাই তো তার মূল , নেশার ঘোরেই করে যে ছেলেরা  ভুলের পরেও ভুল। অবশেষে তারা অকালেই ঝরে  পায়না মানব প্রীতি, ঘেন্নাই করে সকল মানুষে বাজে হয় তার স্মৃতি। খোলা বাজারে মাদক দ্রব্য  আজ সমাজের বুকে, তাইতো আজিকে যুবসমাজ  চরম ক্ষতির মুখে। বিক্রেতার যে নেই অপরাধ  সেবনকারীর দোষ, আইন করে তাহা বন্ধ করি  তাহাতে যে নেই হুঁস। তাইতো বলি নিজের দায়িত্ব  নিজেরাই করো স্থির, মাদক দ্রব্যের বিরোধীতা করে  উঁচু করো নিজ শির। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে  এসো সচেতন হই, নিজেও ছোঁবনা ছোঁতে দেবো না  সুস্থ সবল রই।

অপয়া ( ছোট গল্প)

স্বামী দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর জাহেদা চার বছরের মেয়ে সানিয়াকে নিয়ে একেবারে ভেঙ্গে পড়েছিল। সারা পৃথিবী তার কাছে অন্ধকার মনে হচ্ছিল। স্বামীর বাড়িতে আদৌ সে থাকতে পারবে কিনা তা সে বুঝে উঠতে পারছিল না। কারণ এমনিতেই ননদ ও দুই দেওর কথায় কথায় তার সাথে ঝগড়া করতো। মেয়ের জন্মের পর থেকে শাশুড়িও তাকে সুনজরে দেখতেন না।  স্বামীর ক্রিয়া কর্ম যেদিন শেষ হয় সেদিন রাতে বাবা তার শ্বশুরের সঙ্গে কথা বলতে বলতে একেবারে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তখন শ্বশুর তাকে স্বান্তনা দিয়ে বলেছিলেন,' বেহাই সাব, ধৈর্য ধরুন, কাঁদবেন না। কে ভেবেছিল ছোট্ট একটা দূর্ঘটনায় ছেলে এভাবে অকালে চলে যাবে। আপনি কোন চিন্তা করবেন না। আল্লাহর দেওয়া সব কিছুই আমার আছে। আপনার মেয়ে আর নাতনির কখনো কোন সমস্যা হবে না। এদের দায়িত্ব এখন আমার উপর।  বাবা সাজেদুর প্রথমে চেয়েছিলেন মেয়েকে কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাবেন কিন্তু বেয়াই সাহেব বললেন আপাতত সে এখানেই থাক, কয়েকদিন পর দেখা যাবে। সাজেদাও সে মুহূর্তে যেতে ঢায়নি।     স্বামী না থাকলে কি হলো বাড়ির শ্বশুর শাশুড়ি, দেবর ননদরা এখন তার প্রতি খুব ভালো ব্যবহার...

যোগব্যায়াম

বিশ্ব জুড়ে যোগের হাওয়া  যোগাসনে রোগ নিরাময়, শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে  নেই যে আর কোন ভয়। সুখের ছায়ায় বসত করে  বিষণ্ণতায় ভরে মন, ভেবে দেখো এই জীবনে  শরীরটাই তো আসল ধন। রোগ নিরাময় রূপ লাবণ্যে সময় মত ব্যায়াম চাই, প্রাতঃভ্রমণ আর প্রাণায়ামে সুস্থ সবল জীবন পাই। ভোরের হাওয়ায় প্রাতঃভ্রমণে  নির্মল বায়ু লাগে গায়, অসুস্থতা আসার আগেই  রক্ষা পাওয়ার স্মার্ট উপায়। ভ্রমণ শেষে যোগ ব্যায়াম  সকল চিন্তা করে দূর, অল্পক্ষণের এই যে কাজে স্মৃতির বিকাশ ভরপুর। দেহের সাথে মনের যোগ  তারই নাম যোগাসন, নিয়মিত যোগ ব্যায়াম  সতেজ রাখে সারাক্ষণ। তাইতো বলি আসুন সবাই  ঔষধ ছেড়ে করি ব্যায়াম, সব রোগেরই মহৌষধ  যোগাসন ও প্রাণায়াম।

এমন বাদল দিনে

আষাঢ়ের নীলাকাশ কালো মেঘে ঢাকা, ঝর ঝর ঝরে জল যেন কালি মাখা। ফোটা ফুল অলি বিনে  ঝরে যাবে বুঝি আজিরে, নিঝুম নিস্তব্ধ দেখো চাহিরে। এমন বাদল দিনে। বাদলের ধারা ভরে নদী নালা  জলে থইথই কাদা মাখা পথশালা। দাঁড়াবার ঠাঁই যেন নাহিরে। বলাকারা নীড়ে যায় ফিরে, ধবলীরা চলে গোহালে, এমন বাদল দিনে। কড়কড় ডাক বিজুলি চমক কানে তালা প্রাণে ভয়, নহে স্প্রীয়মান চাষারা আজিকে। সর্বত্র আঁধার দেখ চাহি রে। আজ কেহ নেই যে ঘরের বাহিরে। এমন বাদল দিনে। ভিজিয়ে গোমড় কৃষকের দল  যোগাবে খাবার ফলাবে ফসল।  চোখ বুজে আছে তারাই কেবল  আর কোথা কেহ নাহি রে। ঘিরিছে আঁধার দেখো চাহি রে। এমন বাদল দিনে।

অতীত

অতীতটা বেশ মজার ব্যাপার থাকে সবার মনে, কভু ফিরে দুঃখ নিয়ে কভু আবার সুখের সনে। সঠিক পথে চলতে কভু ছিল অমানিশা, কখনো বা অতীতে পাই বর্তমানের দিশা। সফল হওয়ার শিক্ষা দেয় বিফলতার জ্ঞান, অতীত তাইতো দেখিয়ে দেয় ভবিষ্যতের ধ্যান। সে সময়টা সামনে এসে ঝরায় চোখের জল, কভু আবার শান্তি সুধায় বক্ষে যোগায় বল। অতীত মানে সোনালী দিন ভেবে আকুল প্রাণ, চোখের সামনে ভেসে ওঠা দুঃখ সুখের গান। অতীত খুঁজে মিলে কভু লজ্জাবতীর ভিড়, কভুও বা অতীত ভেবে উন্নত হয় শির। জীবন মানেই ভাঙ্গা গড়া কভু হার কভু জিত, অতীত মাঝে তাইতো মিলে শুধরে চলার ভিত। অতীত রেখে আঁধার ঘরে সামনে খুঁজি বর্তমান, তার ভাবনায় এগিয়ে চলি ভবিষ্যতের সব সোপান।

মহান শিক্ষা

নতুন সাজে সাজবে মুমিন  ঈদুল আজহার প্রাতে, নবীর নীতি পালন করি  মিলবে সবার সাথে। আমির গরীব নেই ভেদাভেদ  ইসলামেরী শান, একই স্রষ্টার সৃষ্টি সবাই  একই সবার প্রাণ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দাও  অনাথ আতুর দেখে, মানব সেবাই স্রষ্টার সেবা  সেটা মনে রেখে। কামনা বাসনা ক্রোধ হিংসা  লোভ আর অহংকার, ছয় রিপুতে ধ্বংস মানব  ধ্বংস সারা সার। রিপু ত্যাগের মহান শিক্ষা  ঈদুল আজহার মাঝে, মনের পশু জবাই করি  অন্য পশুর সাজে। অহঙ্কার আর দ্বন্দ্ব হিংসা  বিনাশ করে ভাই, মনের হিংসা বলি দাও তার উপরে নাই।