পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফেরিওয়ালা

সাতসকালে প্রাতঃভ্রমন সেরে ফেরার পথে রাস্তার পাশে অনেক লোক জমায়েত দেখে কৌতূহলী হয়ে একটু এগিয়ে গেলাম। পাশে গিয়ে দেখলাম একটা ফেরিওয়ালা কে কয়েকটা ছেলে মারধর করছে আর পাশে ওর জিনিস পত্র তছনছ করে দিয়েছে। ভীড়ের মধ্যে একটু সাহস করে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম, ও নাকি ছেলে ধরা। একটা ছয় সাত বছরের মেয়েকে নাকি একটা পুতুল দিয়ে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ওরা ধরে ফেলে আর এজন্যই এই জটলা আর মারপিট। ব্যাপারটা বুঝার জন্য আরো একটু জিজ্ঞেস করতেই এক মহিলা এগিয়ে এসে বলল তার মেয়েকে নাকি এই পুতুলটা দিয়ে মন ভুলিয়ে নিয়ে যেতে চাচ্ছিল অমনি মহিলা সেখানে উপস্থিত হয়ে চিৎকার করাতে লোকজন উপস্থিত হয়ে মেয়েটাকে রক্ষা করে। মেয়েটি তখনও হাতে পুতুল নিয়ে খুশিতে খেলছিল। ব্যাপারটা আমার কাছে অন্যরকম লাগলো। ওদের একটু শান্ত হওয়ার কথা বলে ফেরিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম ওর বাড়ি কোথায় এবং আসল ব্যাপারটা কি। তখন ফেরিওয়ালা ভয়ে কাচুমাচু হয়ে আমাকে তার পরিচয় পত্র দেখাল। দেখলাম লোকটার নাম সরল। ওর বাড়ি কলকাতার বারাসাতে। আমি জিজ্ঞেস করাতে সে বলল,"  দু-তিন জন মেয়েলোক আমাকে থামিয়ে কিছু জিনিস পত্র কিনেছে।...

কয়টি হাঁস বেঁচে আছে

ছয়টি হাঁস সাঁতার কাটে  শ্যাওলার ফাঁকে ফাঁকে, একটি হঠাৎ হারিয়ে গেল  জলাশয়ের বাঁকে। বাকি হাঁস এদিক সেদিক  খাবার খোঁজে ঘুরে,  একটি হঠাৎ হারিয়ে গেল  কুমির নিল ধরে। বাকিরা সব মনের দুঃখে  উঠলো পথের পাশে, শেয়াল পণ্ডিত একটি খেলো ঘুমের অবকাশে। ভয়ে তখন হাঁসগুলো সব ছুটাছুটি করে, সুযোগ বুঝে বাজপাখিটা  নিল একটি ধরে। মনের দুঃখে হাঁস ডাকে  প্যাক প্যাক স্বরে, কয়টি হাঁস বেঁচে আছে  বলো হিসেব করে।