পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবি ও কবিতা

হিফজুর রহমান লস্কর কবিরা করে কাব্য চর্চা  কবিতায় কথা বলে। ছন্দে ছন্দে বইয়ের পাতায়  সমাজের ছবি তুলে। কবিতার মাঝে ডুবে থাকে কবি তাতেই বাঁচার প্রেরণা। হতাশার মাঝে খুঁজে পায় তারা  আশার আলোর জোসনা। সমাজের যত অন্যায় অবিচার কবিদের চোখে ভাসে, তার সাথে মিশে মনের কথা লিখে যায় অনায়াসে। কল্পলোকে বিরাজে কবিরা বুক ভরা থাকে আশা, উৎপীড়িতের ক্রন্দন ধ্বনিতে ফুটিবে মুখের ভাষা। বিশ্ব কবিতা দিবসে আজি জাগো হে কবির দল, শিক্ষার তরে উৎসাহিত করি বাড়াই সবার মনোবল। লিখ আর পড় কবিতা রচনা সকল ভাষার কবি, সম্মুখে রেখ লাঞ্চিত বঞ্চিত নারী শিশুদের ছবি। ওদের ব্যথায় শানিত কলমে কবিতার পাতা ভরে, লিখে যাও তুমি তাদের আকুতি যেন না থাকে অগোচরে। তুচ্ছ স্বার্থ সংসার সুখ দূরে ফেলে দাও সবি , গভীর ধ্যানে সত্য-সুন্দর তুলে ধর তুমি কবি। কবির কাছে কবিতা লক্ষ্মী  আর বাকি সব ছার, সংসারে শুধু কবি ও কবিতা দুজনেই দুজনার।

নূরের ছবি (গজল)

নূরের ছবি (গজল)  হিফজুর রহমান লস্কর দয়াল নবী নূরের ছবি ও--- হায়রে পিয়ারা -- আরব দেশের কুরেশ বংশে জন্ম হয় যাহার গো দয়াল নবী নূরের ছবি ও---।। খোদার হুকুম পালন করেন আরশেতে গিয়া আল্লাহর কাছে সেজদা করেন উম্মতের লাগিয়া গো। দয়াল নবী নূরের ছবি ও---।। জানতেন নবী উম্মত তাঁহার, পাপী বেশমার খোদার হুকুম তরফ করে আখেরি জামানায় গো-- দয়াল নবী নূরের ছবি ও---।। আরজ করেন আল্লাহর কাছে দুই হাত উঠাইয়া,-- দিনের কথা ভুলে মুমিন হইবে যে ফানাহ গো-- দয়াল নবী নূরের ছবি ও---।। দয়াল নবী দয়ার সাগর কাঁদেন বেশমার। উম্মতের লাগিয়া কাঁদেন পার করিতে মিজান গো-- দয়াল নবী নূরের ছবি ও---।।

শিশুর হাসি

শিশুর হাসি  হিফজুর রহমান লস্কর স্বামী হারিয়ে গিন্নী যেদিন শোক সাগরে ভাসে, অবুঝ শিশু মায়ের পানে খিলখিলিয়ে হাসে। শিশুর হাসি মায়ের বুকে বাঁচার দেয় আশা, ঠিক করল গড়বে শিশু করবে জীবন খাসা। শুরু করে নতুন জীবন ফলের দোকান খুলে, হাটবাজারে ফেরী করে জীবন তাহার চলে। কেউবা দেখে বাঁকা চোখে কেউবা কথা বলে, কেউবা আবার কেনার ছলে সহায় করে চলে। জীবন যুদ্ধে কষ্ট তাহার আছে রাশি রাশি,  সব দুঃখই দূর হয়ে যায় দেখে শিশুর হাসি। এমনি করে দুঃখের দিন কাটলো অবশেষ, কোলের শিশু বড় হল বাঁচল জীবন বেশ।

নবী দুজাহান

শিরোনামঃ নবী দুজাহান রচনা হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ ০৯/১০/২০২২ নবী দুজাহান গো আমার নবী দুজাহান তোমার নামের উছিলাতে গাই আল্লাহর গান।। নবীর নামটি আরশে লেখা,আদম নবী পেলেন দেখা সে নামের গুণে গাইলেন তিনি মধুর সুরে গান।। নবী দুজাহান------------------------------------ আখেরাত সঙ্কটের কালে দয়াল নবির সুপারিশ বিনে কেয়ামত ময়দানে সবে হইবে পেরেশান।। নবী দুজাহান------------------------------- নবীর উম্মত হতে পেরে আশা জাগে মনের কোণে রোজ হাশরে দয়াল নবী তরাইবেন আমায়।। নবী দুজাহান----------------------------------- ।

ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর স্মরণে                      শ্রদ্ধাঞ্জলি রচনা:  হিফজুর রহমান লস্কর বিশ্ব বাংলায় অমর তুমি হে ঈশ্বর, জ্ঞানের ভান্ডার তুমি দয়ার সাগর। আজি তব জন্মদিন করছি স্মরণ, তুমিই এনেছিলে বাংলায় নবজাগরণ। তোমারি কারণে হলো বাংলা উজালা, স্বার্থক রূপ দিলে বাংলা বর্ণমালা। গদ্যের রূপকার তুমি বাংলার ইতিহাসে, বিশ্ব বাংলা ধন্য আজি তারই সুবাসে। 'সব বাঁধা ই তুচ্ছ' এই ছিল তব জ্ঞান, লাইট পোষ্টের নিচে পড়ে করিলে প্রমাণ। সার্থক পণ্ডিত হে সমাজ সংস্কারক! আজও তুমি বিশ্ব বাংলার নমস্য শিক্ষক। তোমা মাঝে খুঁজে পাই মনুষ্যত্বের জ্ঞান, অবহেলিত নারীরে তুমি করিলে সম্মান। বাল্যবিবাহ রোধে ছিল তব অবদান, নারী শিক্ষায় স্কুল খোলা তারই প্রতিদান। ধন্য সাহসী বীর গর্ব তোমা তরে, দেখালে সাহস বিধবা বিবাহ প্রবর্তণ করে। জাত পাতের নামে ছিল না কোন সংশয়, কলেরা রোগীর সেবায় দেখিয়েছ পরিচয়। তোমার শেখানো জ্ঞান মোরা কেমনে ভুলি, সার্থক মানুষ তুমি, তোমায় জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।

বিশ্ব নবী ( গজল)

 হিফজুর রহমান লস্কর তুমি বিশ্ব নবী নূরের ছবি আছ মদিনায় শত শত সালাম ভেজি তোমারই রওজায়।। তুমি বিশ্ব নবী, তুমি বিশ্ব নবী -------------------------------------।। খেজুর পাতার শয্যা তোমার আঁধার ঘেরা ঘর, ছিন্ন পোশাক জীর্ণ কুটির ক্ষুধায়ও কাতর। তুমি বিশ্ব নবী, তুমি বিশ্ব নবী ---------------------------------------। যারা তোমায় মরলো পাথর করিল আঘাত তাদের তুমি করলে ক্ষমা চাইলে শাফায়াত।। তুমি বিশ্ব নবী, তুমি বিশ্ব নবী -------------------------------------।। কত রক্ত ঝরলো তোমার তায়েফের ময়দান, দ্বীনের প্রচার করলে তবু উম্মতের কারণ।। তুমি বিশ্ব নবী, তুমি বিশ্ব নবী ------------------------------------।। আঁধার ঘেরা জাতির তরে ছিলে পেরেশান, লা-শরিকের ঝাণ্ডা হাতে আনিলে কোরআন।। তুমি বিশ্ব নবী, তুমি বিশ্ব নবী -----------------------------------------।।

বিশ্ব নবীর শানে

হিফজুর রহমান লস্কর হুকুম খোদার সৃষ্টিতে তার বিশ্ব নবীর শানে, জিবরাঈল বলেন 'পড়ুন রাসুল স্রষ্টা প্রভুর নামে।' নূরের রবি প্রেমের ছবি বাদশা দুজাহান পড়ার কথা শুনেই নবীর মন করে আনচান। জড়াইয়া ধরে জিবরাঈল তাঁহারে বলেন ' রাসুল পড়ো, ভয়ে ভীত নবী বাকরুদ্ধ আজি রইলেন জড়োসড়ো হেরা পর্বত কাঁপিয়া উঠিল শুনি অভিনব পয়গাম, গভীর আঁধারে আলোর রোশনী এ কী দেখিলাম! ভয়ে ভয়ে নবী করুন কণ্ঠে পড়েন খোদার বাণী, যতই পড়েন চমক জাগে, কী সুন্দর কথাখানি। বলেন জিবরাঈল ' ভয় নাই নবী তুমি হে খোদার মিতা,' খোদার হুকুম প্রচার করো তিনিই অন্ন দাতা। শ্রেষ্ঠ শিক্ষায় দীক্ষিত নবী পাইলেন ফরমান, কোরান মেনে চলিবে যাহারা তারাই মুসলমান। দ্বীনের সে কথা করলেন প্রচার পুরলো মনোরথ, উম্মতের তরে লভিলেন নবী সত্য শান্তির পথ। সে পথে চলো মোমিন সকলে পাইতে নবীর সাথ, শেষ বিচারের দিনে হবেন কাণ্ডারী পাইতে নাজাত।

বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

 হিফজুর রহমান লস্কর শারদোৎসবের খুশির লগ্নে  মনের বোধন হোক। আঁধার ঘেরা মর্ত্যলোকে আলোর স্রোত ভাসুক। ঢাক ঢোল আর আতসবাজিতে দূর হোক যত জরা অশুভ শক্তির হোক অবসান খুশিতে নাচুক ধরা। সুগন্ধিত আকাশ বাতাস ধূপধুনারই ধোঁয়ায় জীর্ণ কুটির নাচুক আজি রঙিন আলোর ছোঁয়ায়। হিংসা বিদ্বেষ যত রেষারেষি ঘুচুক চিরতরে ধরার বুকে শান্তি আসুক আবার নতুন করে। বিশ্ব মানবতা জাগ্রত হোক এটাই পরম ইচ্ছা সব মানুষেরে জানাই আজি বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা।

যাবো মদিনায়

যাবো মদিনায় রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -০৮/১০/২০২২ মনে বড় আশা আমার যাবো মদিনায়। নূর নবীজির রওজাখানি আছে যে সেথায়।। যাবো মদিনায়। মনে ----------------------------------------------।। মদিনারই মাটি যত, নবীর কদম চুমেছিল সেই মাটিতে নবী আমার কেমনে লুটায়।। যাবো মদিনায়। মনে বড় ----------------------------------------।। মদিনারই হাওয়া যত, নবীর পরশ পেয়েছিল সেই হাওয়াটা কেমন ছিল খুঁজিবো সেথায়।। যাবো মদিনায়। মনে বড়------------------------------------।। মদিনারই পানি যত, নবীর পরশ পেয়েছিল সেই পানিতে শুদ্ধ হবো,যাবো মদিনায়।। মনে বড়---------------------------------।। পাপী আমি বেশমার,নবী আমার দয়ার ভাণ্ডার, মুক্তি আমি খুঁজে নেবো,থাকিবো সেথায়। যাবো মদিনায়। মনে বড়-----------------------------------।।

টুনটুনিদের বাসা

টুনটুনিদের বাসা রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -২১/০১/২০২৩ ঘরের পাশে বেগুন গাছে টুনটুনিদের বাসা, রোজই করে কিচিরমিচির চলছে জীবন খাসা। একে অন্যে খুনসুটি দেয় লেজ নাড়িয়ে নাচে, বসে বসে ভাবি আমি কি সুখ তাতে রাজে। সকাল সাঁঝে রোদের আলোয় আড় চোখেতে দেখি, ইচ্ছে করে এগিয়ে গিয়ে আদর করে ডাকি। বললাম আমি বেগুন গাছটি দিলাম তোদের ছেড়ে, ভেঙচি কেটে পাখি দুটি পালায় লেজটা নেড়ে। পরের দিন আবার দেখি করছে ডাকাডাকি, খুশিতে মন ভরে গেল দেয়নি আমায় ফাঁকি। আর ক'টা দিন পরে দেখি টুনটুনিদের ঘরে , ছোট ছোট বাচ্চা দুটো কিচিরমিচির করে । সেদিন রাতে ঝড় উঠলো নিয়তির কি পরিহাস, ভোরবেলাতে সেথায় গিয়ে ফেললাম দীর্ঘশ্বাস।

এসো হে নতুন

এসো হে নতুন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর তারিখ -৩১/১২/২০২২ আশা দুরাশা প্রাপ্তির হিসেব করছি সবাই বসে, জীবন থেকে আর একটি বছর পড়ে গেল ভাই খসে। কোথাও হাসি কোথাও বেদনা খুঁজে দেখি পুরোটাই , মিলেনি হিসেব ভেবে দেখি মনে জীবনের ছন্দও তাই। আসা আর যাওয়া এইতো জীবন সবই নিয়মে বাঁধা, যতই ভাবি পাইনা হদিস আসলে গোলক ধাঁধা। নতুনের আগমনে তবুও খুঁজি বিগত দিনের ভুল, শোধরাই নিজেরে আগত বছরে থাকি যেন নির্ভুল। হিংসা গ্লানি যত হানাহানি  ভুলে যাই এই ক্ষণে, বিশ্ব মানবতা জাগ্রত হোক নতুন সালের সনে। বিশ একুশের ঘাতক ব্যাধি ঝেড়েছি বাইশের কালে, তেইশ তোমায় বরণ করি স্বপ্নের মায়াজালে। জানিনা কেমন রং রূপ তব তবুও সাজাই ডালি, এসো হে নতুন বরণ করি আজি দুহাতে বাজাই তালি। যেখানে যত বন্ধু আছোগো শুন মাই ডিয়ার, শুভেচ্ছা জানাই প্রাণখুলে আজি হেপ্পি নিউ ইয়ার

প্রেরণা

 হিফজুর রহমান লস্কর চোখ খুললো যার পরশে সে যে এক অনন্যা, যার প্রেরণায় সফল জীবন সেতো এক সাগর কন্যা। যার সাহসে ভাসাই তরী জীবন নদীর বাঁকে, ভুল হলে সে ধরিয়ে দেয়  শ্বাস টানিয়ে হাঁকে। কণা কণা শিশির বিন্দু করলো জীবন উজালা  তপ্ত হল হৃদয় মরু খুললো মনের জানালা। উৎকণ্ঠা আর উত্তেজনায় যুগিয়ে যায় প্রেরণা, হাজার রঙিন স্বপ্ন যোগায় নেই যে তার তোলনা। ঊষার প্রভাত আবেগী মন পেল সুদূরের আহ্বান, অজানা এক যাত্রা পথে ছুটলো আমার অবুঝ প্রাণ। আনন্দে মন নেচে উঠে কাটলো জীবন খরা, ভাঙ্গলো শিকল খুললো বাঁধন দূর হলো সব জরা। পাষাণ হৃদয় ছিন্ন আজিকে   ছুটলো আলোর পানে  টুটলো আঁধার হর্ষিত হিয়া  নব জীবনের আহ্বানে।

সতর্কতাও জরুরি

 রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর সন্ধ্যায় একটু বিশ্রাম নিতে রুমে শুয়েছিল দিব্যেন্দু। হঠাৎ দরজায় খট খট শব্দ। অনিচ্ছা সত্ত্বেও উঠে দরজা খুললো। 'আরে এ যে বিধান ।' এই অবেলায় বিধানকে হন্ত দন্ত অবস্থায় এখানে দেখে দিব্যেন্দু তো অবাক। সেই হাইস্কুলে একসঙ্গে পড়া। তার পর প্রায় দশ/বারো বছর। সে এখন বেঙ্গালুরুর একটা নামীদামী কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। যেমন করেই হোক ওর ঠিকানা কালেকশন করে বিধান এখানে এসেছে সেই ছাত্রজীবনের বন্ধুর খোঁজে। কি করবে ভেবে পায়না দিব্যেন্দু।  বিধানের চোখে মুখে কেমন যেন একটা আতঙ্কের ছাপ। মনে হলো ঠিকই খুব মারাত্মক কোন বিপদে পড়ে এসেছে।  জল পান করে বিধান একটা চেয়ারে বসলো। তখনও সে হাঁফাচ্ছিল। বললো 'আর এক গ্লাস জল দে। ' দিব্যেন্দু জল দিয়ে বলল 'তুই বস আমি চা করছি।' দু' বন্ধুতে মিলে চা পান করল। অতঃপর রাতের খাবার শেষ করে শুয়ে পড়বে এমন সময় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। শব্দটা আঁচ করতে পেরে বিধান পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।  দিব্যেন্দু সদর দরজা খুললো। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ছয় /সাত জন পুলিশ ঘরে প্রবেশ করল। পুলিশ অফিসার জিজ্ঞেস...

বিভেদ কেন

 বিভেদ কেন রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর যাদের খাবার নেই।      পথে ঘাটে ঘুরে তাই                    তাহাদেরে নেই ভাবনায়। বন্ধুজনে ডেকে মাতি     বসাও আঁচল পাতি                    ভুরিভোজে সম্মাননা তায়। দান তুমি কর তারে      যার সবি আছে ঘরে                    মনে থাকে ব্যবসার ধ্যান। ভাবো পাবে বিনিময়      ভালবাসা সেতো নয়                 সকলে কি রাখিছ সমান? কেন আশা রাখ মনে     আশাই আঘাত হানে                  ওহে জীব ভেবে দেখ মনে। না থাকা আশার মাঝে    ফল লাভে সুখ রাজে                  বিস্ময়ও থাকে তার সনে। জড়সড় হয়ে আছো      নিজেতে নিজেই বাঁচো                 জীবনের উদ্দেশ...

ভুতের পেচ্ছাপ

রচনা: হিফজুর রহমান লস্কর সেদিন অমাবস্যার রাত। ঘোর অন্ধকার। শ্রাবণ মাস প্রায় শেষ। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। বিনোদ বিহারীর ছেলে বিরেন সান্ধ্য আড্ডা শেষ করে বাড়ি পৌঁছতেই বাবা অগ্নিমূর্তি ধরে জিজ্ঞেস করলেন,' এতক্ষণ কোথায় ছিলে?' দুধের গাইটা যে এলোনা। এখুনি যা ওটাকে খুঁজে নিয়ে আয়, নাহলে আজ তোর খাবার বন্ধ।' বাবার ধমক খেয়ে অগত্যা তাকে আবার বেরুতে হল। রাতের অন্ধকারে কোথায় গিয়েই বা খুঁজবে! ভয়ে ভয়ে পাশের বাড়ির মদনকে ডেকে নিয়ে আসলো। মদনই ওর একমাত্র বন্ধু যে তাকে এই বিপদে সাহায্য করতে পারে। দু' বন্ধুতে মিলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ভিজে রাতের অন্ধকারে এবাড়ি ওবাড়ি এরপর সামনের ডোবা পেরিয়ে মাঠের বড় মন গাছটার নিচে যেতেই দেখে ওখানে কি একটা দাঁড়িয়ে আছে। মনে হলো গরুটাই। কিন্তু একী? এই অসময়ে এখানে আলো দেখা যাচ্ছে। মদন আঁচ করলো একটি মশাল জ্বলছে। দুজন ভয়ে ভয়ে আরো একটু এগোল। আরও একটু ----। তারা যতই এগিয়ে যায় ঐ গাছ এবং মশালটা ততই দূরে সরে যাচ্ছে। এদিকে আবার মশালের আবছা আলোয় গাছের নিচে কি যেন দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে গরুর হাম্বা হাম্বা ডাক ও শুনা গেল। একদিকে ভয় আর একদিকে ...