দেখে এলাম ওপার বাংলা ( ধারাবাহিক ভ্রমণ কাব্য পর্ব ০৯)



কারো আতিথেয়তায় দেইনি সাড়া
স্বল্প দিনের ভ্রমণ,
তার সাথে আছে সময়সূচি সাহিত্য আড্ডা
কবি বন্ধুদের আয়োজন।

এরই মাঝে জেদ ধরে আছে
সৌদি প্রবাসী প্রিয় রায়হান,
কথা হয়েছে বললাম যাবো
হয়তো প্রেমের টান।

সেদিন সকালে ঢাকা থেকে দূরে
চললাম মোরা দু'জনায়,
যেতে হবে খিলগাঁও বালু নদীর তীর
প্রিয় মানুষটির আস্তানায়।

বাজারের পর বাজার গলির পর গলি
অজানা অচেনা পরিবেশ,
দীর্ঘ চড়াই উতরাই পেরিয়ে
সেথা পৌঁছলাম অবশেষ।

ও তো রৌদ্রে দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতেই ছিল
এ যেন চির পরিচিত আপনজন,
অপেক্ষার সমাপ্তি হলো পৌঁছলাম সেথা
জড়িয়ে ধরে করে আলিঙ্গন।

ফে বু' তে পরিচয় বার্তালাপ
 হয়তো হয়েছে তিন সাল,
মুগ্ধ হলাম ওর আতিথেয়তায়
এ যেন এক সোনা ঝরা সকাল।

নাস্তা চা পান আরো কত কথা
চললো সকাল জুড়ে,
এরই মাঝে এলো কামরুল ভাই
সময় গড়িয়ে যায় দুপুরে।

কবি রায়হানের মায়ের সংস্পর্শে এলাম
দেখলাম সেদিন মায়ের মন,
সেদিনের সে সোনালী দুপুর
স্মৃতি হয়ে থাকবে আজীবন।

মনে পড়ে সে দুর্লভ মুহূর্ত
মায়ের কথা গুলো ছিল খাসা,
এ যেন দীর্ঘ প্রবাসের পর
পেলাম মায়ের ভালোবাসা।

খাঁটি বাঙালিয়ানার আয়োজনে 
প্রস্তুত হলো দুপুরের খাবার,
মায়ের হাতে তৈরি পদ্মার ইলিশ দেশি মুরগি 
ইলিশের ডিম ভাজি কতো কি যে আর।

খেয়েদেয়ে সাহিত্য আড্ডা, মোরা সাহিত্য ভালবাসি
তাই ওর কিছু বই নিলাম,
নিজের লেখা "আলোর সন্ধানে"
সৌদি দুবাই পাঠালাম।

প্রবাসী ছেলে দুদিন পর চলে যাবে
আমরাও বিদায় নিলাম,
সেদিনের সে সময়ের মায়ার বাঁধন
থাকবে চির অম্লান।

(রচনাকাল ০৪/০৭/২০২৩ ক্রমশ চলবে)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বন্ধু মানে আলোর দিশা

লুটছে যত রাজভাণ্ডারী

বিদায়