ভূত ও পেত্নী
টিকি মাথায় ভুতের রাজা নাকি সুরে কাঁদে,
পেত্নী নাকি পালিয়ে গেছে পড়ে প্রেমের ফাঁদে।
রাতদুপুরে কান্না শুনে মন্ত্রীরা সব আসে,
ভুত রাজার কান্না দেখে সবাই মিলে হাসে।
হাসি দেখে রাজা মশাই রেগে গিয়ে কয়,
জ্বালিয়ে দেবো সব বেটারে নেই কি তোদের ভয়?
ভুতের রাজার হুমকি পেয়ে পালিয়ে সবাই বাঁচে,
এক বেচারা এগিয়ে এসে বলল রাজার কাছে।
দেখে এলাম পেত্নী রাণী নাচছে শ্যাওড়া তলে,
কাতুম কুতুম শিংওয়ালাকে বিয়ে করবে বলে।
বিয়ের আসর জমছে সেথায় হাজার ভুতের ভীড়,
ভাবছি আমি ভাঙলো কি আজ তোমার সুখের নীড়।
কথা শুনে ভুতের রাজা সেই ভুতেরে কয়,
পেত্নী আমার কোথায় গেল আমারো সেই ভয়।
হেনকালে পেত্নী এসে খিলখিলিয়ে হাসে,
শত্রু তোমার নিয়ে এলাম প্রেমের জালে ফাঁসে।
চির শত্রু কাতুম কুতুম মানব কুলে ঘোরে,
ভণ্ড পীরের ভক্ত হয়ে ভুতের বিচার করে।
ধরে তারে বন্দী করে মেটাও মনের সাধ,
ভুতেরা সব মুক্তি পাবে খুলবে পীরের বাঁধ ।
ভুতের রাজা খুব ই খুশি নিজ পেত্নীর কাজে,
অসাধ্যকে সাধন করে পেত্নী নানান সাজে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন