কুমির ও কাঁকড়া
রচনা হিফজুর রহমান লস্কর
কুমির ও কাঁকড়া মিলে নিত্য খেলা করে
নদীর ঘাটে মেলা মেশা থাকে বালুচরে।
সেই ঘাটেতে বসত করে আরও একটি প্রাণী
আড় চোখেতে দেখে ওদের নয়তো বেশি জ্ঞানী।
নিঃশব্দে সে হেঁটে চলে গুটি গুটি পায়ে
শত্রু দেখলে মুখটি লুকায় নিজের কঠিন গায়ে।
কুমির আর কাঁকড়া যখন রোদ পোহাতে যায়
সেই প্রাণীটি উঁকি দিয়ে ওদের দেখতে পায়।
নদীর ঘাটে কাঠের নীচে লুকিয়ে বসে ভাবে
একলা পেলে কাঁকড়াটাকে মনের সুখে খাবে।
হেনকালে এক শিকারী মাছ ধরতে আসে
কুমিরের পিঠে কাঁকড়া উঠে পালায় অনায়াসে।
যাবার সময় ডুব দিল ঐ কাঠের আঙিনায়
শিকারীটি দৌড়ে গিয়ে জাল ফেললো তায়।
মাঝ নদীতে ভেসে ওরা খিলখিলিয়ে হাঁসে
চেয়ে দেখে চারপায়ীটা কেমন করে ফাঁসে।
শিকারীটি শিকার নিয়ে চলে আপন ধাম
বলতে পারো জালে পড়া সেই প্রাণীটির নাম।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন